নির্বাচনী এলাকা ১৫২ ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনে ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভাসহ ১২ ইউনিয়নের সকল ধর্মের ভোটাররা সকলে মিলে আমরা ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিয়ে কেনো জয়যুক্ত করবো।
বাংলাদেশের অনেক উপজেলায় রাস্তাঘাট,স্কুল কলেজসহ অবকাঠামো উন্নয়ন লক্ষ্যনীয় হলেও ৩ হাজার ৩শ বর্গ মাইল আয়তন ও ৪ লাখ ৩ হাজার ৪৯ মোট ভোটারের ত্রিশাল উপজেলায় এখনো তেমন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। দীঘদিন ধরে অবহেলিত ত্রিশালবাসী ১২ ফেবব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এমনি অবস্থানে থাকা ত্রিশাল উপজেলার উন্নয়ন এর স্বপ্ন দেখছেন ত্রিশাল উপজেলা বাসী।
২০০১ হতে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় থাকাবস্থায় ডাঃ মাহবুবুর রহমান ত্রিশাল উপজেলার বিএনপির আহবায়ক হয়ে কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভুমিকা রাখাসহ ত্রিশালের রাস্তাঘাট,স্কুল কলেজ,মসজিদ মাদ্রাসাসহ অবকাঠামোর রেকর্ড পরিমান উন্নয়ন কাজ সাধন করেছিলেন।
দীর্ঘদিন পর ত্রিশাল উপজেলা বাসীর উন্নয়নের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতেই ত্রিশালের ভোটাররা দল মত নির্বিশেষে সৎ যোগ্য ও ত্রিশাল বাসীর উন্নয়নে নিবেদিত প্রান পরীক্ষিত ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
কেনো বিএনপির ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন কে ত্রিশালবাসী ভোট দিবেন এব্যাপারে ব্যবসায়ী সারোয়ার বলেন ত্রিশাল উপজেলা সদর হতে ১২ ইউনিয়নে য়াতায়াতের জন্যে ২/৩ টা রাস্তা ছাড়া বাকী ইউনিয়নে য়াতায়তের জন্যে কোনো ভালো রাস্তা নাই এবং ত্রিশালবাসী রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার ও কোনো ভালো রাস্তা নাই। বর্ষাকালে সাধারন মানুষের দুর্ভোগের সীমা রেখা থাকেনা । নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসতেছে ত্রিশাল আসনে বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন একজন যোগ্য প্রার্থী কেন্দ্রে ও তার আবস্থান খুব মজবুত ডাঃ লিটন নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি ৫ বছরে ত্রিশালের সকল রাস্তাঘাট পাকা করবেন বলে ত্রিশালবাসী এখন শুধু বিশ্বাস ই করেন না ত্রিশাল বাসীর উন্নয়ন য়ে ডাঃ লিটন করবেন তা ত্রিশাল বাসী বিশ্বাস ও করেন । শুধুই ত্রিশালের রাস্তাঘাট নয় তিনি স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসা মন্দিরসহ সকল অবকাঠামো উন্নয়ন সাধন করতে পারবেন বলেই আমি ডাঃ লিটন কে ভোট দিবো, পাশাপাশি এটাও আশারাখি ত্রিশাল বাসী ডাঃ লিটন কে ভোট না দিয়ে এই ভুল করবে না য়ে ভুল করলে ত্রিশালের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হয়। ত্রিশালের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা ত্বরাম্বিত করতেই আমরা এবার ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিবো।

কেনো ডাঃ মাহবুবুর রহমানকে ধানের শীষে ভোট দিবো এব্যাপারে সনাতন সম্প্রদায় নেতা নয়ন চন্দ্র মোদক জানান-সবাই বলে আমরা সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষ আওয়ামীলীগকে ভোট বেশীর ভাগ দিয়ে থাকি এটা অনেকাংশে ঠিক, এটাও ঠিক এবার আমরা সনাতন সম্প্রদায় ত্রিশাল পৌরসভাসহ ত্রিশালের ১২ ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের আমাদের প্রায় ৩০ হাজার ভোটার আমাদের সনাতন সম্প্রদায়ের বিশ্বস্থ ও পরীক্ষিত নেতা যিনি সেই ২০০১ সাল হতে ত্রিশাল পৌরসভাসহ ত্রিশাল উপজেলায় মসজিদেও উন্নয়নের পাশাপাশি সকল মন্দির উন্নয়নের কাজসহ ত্রিশালে সনাতন সম্প্রদায়ের পাশে সুখে দুখে পাশে থেকেছেন এখনো থাকেন বিএনপির ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন। এবার আমাদের ত্রিশাল আসনে য়ারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের মধ্যে সব চাইতে যোগ্য তিনি আমরা যদি তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত না করি এবার ত্রিশালবাসী আগের মতো উন্নয়ন হতে বঞ্চিত হবে,তাই এবার আর আমরা এই ভুল করতে চাই না বলেই সনাতন সম্প্রদায়ের ভোট গুলো ধানের শীষের মার্কায় প্রদান করতে চাই।
সনাতন সম্প্রদায় নেত্রী গীতা রায় বলেন-বিএনপি এবার সরকার গঠন করলে আমাদের মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করবেন। মাসে প্রতি কার্ডের বিপরীতে মহিলাদের ২ হাজার ৫ শত টাকা দিবেন এতে আমার মতো হাজার হাজার মহিলার দারিদ্রতা অনেকাংশে দূর হবে, মাসে ২ হাজার ৫ শত টাকা আমার পরিবারের চলার নিশ্চয়তাও প্রদান করবে, তাই আমি ভোট দিবো ও আমার পরিবার ও আমার সম্প্রদায়ের সকলকে বলবো বিএনপি কে ভোট দিতে, বিএনপিকে জয়যুক্ত করতে হলে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আমাদের ত্রিশালের সনাতন সম্প্রদায়ের উন্নয়নে আপতে বিপদে সব সময় পাশে থাকার মানুষ ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।
ত্রিশালের সদর ইউনিয়নের ছলিমপুর গ্রামের এক আবদুল হালিম বলেন-বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকদের কে কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষি কাজের সার,ব্রীজসহ কৃষকদের সরকারী সকল সুবিধা প্রদান করবেন। তাই আমি আমার ও সকল কৃষকদের স্বার্থে কাজ করার জন্যে যিনি দীঘৃদিন যাবৎ ত্রিশালবাসীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন সৎ যোগ্য রাজনীতিবিদ ডাঃ লিটনকে ধানের শীষ মাকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে চাই।
রিয়াজুল ইসলাম বলেন-বিএনপি বাংলাদেশের সাধারন মানুষের জন্যে স্বাস্থ্য সেবা কার্ড প্রদান করবে,এই কার্ডের মাধ্য্যমে এদেশের মানুষ দ্রুত সঠিক স্বাস্থ্য সেবা পাবে এই কার্ডের মাধ্যমে আমিও আমার পরিবার ঘরে বসেই প্রাথমিক পযায়ের স্বাস্থ্য সেবা পাবো। এই স্বাস্থ্য সেবা ত্রিশালের ঘরে ঘরে পৌছে দিবে দীর্ঘদিন যাবৎ ত্রিশালের কল্যানে কাজ করে যাওয়া বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন।
ত্রিশালের মানুষের সার্বিক কল্যানে কাজ করে যাবেন বলেই আমি আমার পরিবার ডাঃ লিটনকে ভোট দিবো।
ক্রীড়ামোদী শরিফুল ইসলাম বলেন- বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন ইতো মধ্যে উপজেলার ১২ ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড় দের সাথে এক মতবিসিময় সভায় বলেছেন-তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে যুব সমাজ ও ছাত্রসমাজকে নেশার বয়াল থাবায় আসক্ত বিপদগামী যুব সমাজ কে খেলাধূলায় আগ্রহী করতে কাজ করবেন। মতবিনিময় সভায় তিনি ত্রিশালের খেলোয়াড়দের খেলার পরিবেশ সৃষ্টি, খেলার মান উন্নয়ন ও ত্রিশাল উপজেলা হতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়ার তৈরী করতে ত্রিশালের ১২ ইউনিয়নের প্রতি ইউনিয়নে একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মান ও উপজেলা পর্যায়ে এটি স্টেডিয়াম নির্মান করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমানের এ লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করতে ত্রিশালের খেলাধূলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমি আমার পরিবারসহ আশাকরি ত্রিশালের সকল খেলোয়ার ও তাদের পরিবার ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন ।

নির্বাচণী মাঠে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন নির্বাচিত হলে সাধারন মহিলাদের ফ্যামিলি প্রদান, কৃষকদের কৃষি কার্ড, সকল কে স্বাস্থ্য কার্ড প্রদানের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান, অবহেলিত ত্রিশাল উপজেলার প্রায় ২শ কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মান,সকল স্কুল কলেজ মাদ্রাসা, মসজিদ মন্দিরসহ উপজেলার সকল অবকাঠামো প্রতিশ্রোত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তয়নের জন্যে ও ত্রিশাল উপজেলাকে একটি আদর্শ উপজেলা ও বসবাস যোগ্য উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন। ত্রিশালবাসী ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে যার যার কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে এই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ত্বরাম্বিত করতে ধানের শীষ মার্কায় এক জোট হয়ে ভোট প্রদান করবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।