সাংবাদিকুতার দায়িত্বপালনকালে গাজীপুরে কর্মরত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে সন্ত্রাসীদের দ্বারা নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ ও হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে ময়মনসিংহের ত্রিশালে স্থানীয় সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ত্রিশাল প্রেসক্লাবের আয়োজনে শনিবার ৯আগস্ট বেলা ১২টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ডে চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় ত্রিশালে কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা অংশ গ্রহণ করেন। ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি খোরশিদুল আলম মজিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এইচ এম জোবায়ের হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক ত্রিশাল বার্তাও সম্পাদক শামীম আজাদ আনোয়ার, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম শামীম, দৈনিক মাটিও মানুষের নির্বাহী সম্পাদক এটিএম মনিরুজ্জামান, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নোমান, সাংবাদিক মামুনুর রশিদ, ফয়জুর রহমান ফরহাদ, ত্রিশাল সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, সাংবাদিক সাদিকুর রহমান কিরন প্রমূখ।
Author: admin
-

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আমাদের প্রত্যাশা ও সীমাবদ্ধতা বিষয়ক সভা
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আমাদের প্রত্যাশা ও সীমাবদ্ধতা’ বিষয়ক এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে ৫ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চরম সাহসিকতার সাথে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সভাপতি উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘যত বড় ত্যাগ ততো বড় অর্জন করা সম্ভব। ৯০, ৭১ ও ২৪ এর কোন আন্দোলনই ত্যাগ ছাড়া সফলতা আসেনি। ৯০ এ যেমন কার্ফিউ ভঙ্গ করে মিছিলে গিয়েছিলাম, একইভাবে জুলাই ২৪ এও কার্ফিউ ভঙ্গ করে মিছিলে গিয়েছিলাম।’ জুলাই এক্য, প্রেরণা ও সাহসের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা যেন সামনের দিনগুলোতে জুলাই চেতনাকে ধারণ করে কাজ করি। আগামীতে যে সরকারই আসুক ৫ আগস্টের চেতনা থেকে বিচ্যুত হলে তাদেরও একই অবস্থা তৈরি হবে।’ প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণির পাঠ্য বইয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের মতো জুলাই ২০২৪ এর ইতিহাস সংযোজন করার আহ্বান ও জানান উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আসির ইনতিশারুল হক এর শ্রদ্ধেয় পিতা আ.হ.ম এনামুল হক লিটন এবং শহীদ মো. হৃদয় ইসলাম এর শ্রদ্ধেয় মাতা মাজেদা খাতুন। শহীদ আসির ইনতিশারুল হক এর শ্রদ্ধেয় পিতা আ.হ.ম এনামুল হক লিটন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আজকের দিনটি একদিকে আনন্দের এবং একই সাথে বেদনার। কারণ ২০২৪ সালের আজকের দিনে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি এটা আমার জন্য বেদনার। তবে আমার সন্তানের জীবনের বিনিময়ে দেশ আজ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে এটা আনন্দের। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নীতি, নৈতিকতা শিক্ষা প্রদানের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র কায়েম করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’ শহীদ মো. হৃদয় ইসলাম এর শ্রদ্ধেয় মাতা মাজেদা খাতুন বলেন, ‘আমি আমার ছেলের বিচার এখনো পাইনি,আমার সন্তানের মৃত্র্যুর যেনো বিচার হয় উল্লেখ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন।’
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মো. মাহবুবুর রহমান লিটন।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা ভুলে যাওয়া জাতি, সবকিছু সহজেই ভুলে যাই। তবে জুলাই ২৪ কখনো ভুলে গেলে চলবে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমই আমাদের কখনো জুলাইকে ভুলতে দিবে না। আমি অনেক ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সংরক্ষণ করে রেখেছি।’ পৃথিবীর ইতিহাসে শেখ হাসিনার মতো এতো বৈচিত্রময় ফ্যাসিস্ট আর আছে বলে আমার জানা নাই উল্লেখ করে প্রধান আলোচক বলেন, ‘এদেশের কর্তৃত্ব নেওয়ার জন্য পার্শবর্তী দেশের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে। অনেক কষ্টের বিনিময়ে আজকের এই অর্জন। সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এই অর্জনকে দেশের স্বার্থে কাজে লাগাতে হবে। শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না।’
আলোচনা সভার শুরুতে জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফ্তি মো. আব্দুল হাকীম। সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর শুরু হয় আলোচনা সভা। ‘বৈষম্যের বিরুদ্ধে জুলাই চব্বিশ’ শীর্ষক জুলাই স্মরণিকার মোড়ক উম্মোচন করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ বর্ষপূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও রচনা প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ বর্ষপূর্তি উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ বর্ষপূর্তি উদ্যাপন কমিটির সদস্য-সচিব মো. অলি উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মো. জিল্লাল হোসাইন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. তারানা নুপুর ও আহত ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী নীরব কুমার দাস। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এর আগে সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে ঢাক-ঢোলের তালে তালে বিজয় র্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ আসর মিলাদ মাহফিল এবং সন্ধ্যায় মন্দিরে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
রফিকুল ইসলাম শামীম,ময়মনসিং -

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের ১৪ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠিত কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের প্লে গ্রুপ হতে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যের অফিস কক্ষ সংলগ্ন কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ২৯ জুলাই ২০২৫ তারিখ মঙ্গলবার দুপুরে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে রজনী গন্ধার স্টিক, বৃত্তির টাকা, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
উপাচার্য প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘বর্তমান স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা কমিটি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও যোগ্যতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা খুব দ্রুতই বর্তমান স্কুলকে স্কুল এন্ড কলেজের জন্য নির্মিত নতুন ভবনে নিয়ে যাব ইনশাল্লাহ।’ স্কুলের এই ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষার্থীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সাথে সাথে স্কুলের শিক্ষিকা ও অভিভাবকগণকেও ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আপনারা সঠিকভাবে শিক্ষাপ্রদানের মধ্য দিয়ে কোমলমতি শিশুদের আদর, যত্ন ও ভালোবাসা দিয়ে ভালো ফলাফলের জন্য প্রস্তুত করেছেন। এই বৃত্তি প্রাপ্তি তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের স্মৃতিতে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করবে। এই বৃত্তি প্রাপ্তির ফলে এলাকায় স্কুলের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে এবং নতুন শিক্ষার্থীদের এই স্কুলের প্রতি আকৃষ্ট করবে। এই স্কুলের সকল শিক্ষার্থী বিভিন্ন ভালো ভালো জায়গায় গিয়ে সফল হবে বলে আমি আশা করছি।’ কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের মোট ২২ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (বি.কে.ডি.এ.) কর্তৃক আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ৫ জন ট্যালেন্ট এবং ৯ জন সাধারণসহ মোট ১৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়। ট্যালেন্ট বৃত্তি প্রাপ্তরা: নার্সারীর মারিয়ম, প্রথম শ্রেণির মো. মাহিব আরাফ চৌধুরী, দ্বিতীয় শ্রেণির সিনথিয়া ইসলাম সিমি, তৃতীয় শ্রেণির মুবাশশিরাতুল জান্নাত এবং পঞ্চম শ্রেণির জারীন হাদীকা। এছাড়া সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা: নার্সারীর মো. আরিফুল ইসলাম আদীল ও জুবাইর আহমেদ রাফসান; প্রথম শ্রেণির আহনাফ আদীব; দ্বিতীয় শ্রেণির মাইশা জান্নাত তুশমি, মো. আরাফাত ইসলাম ও এস এম লাবীব রহমান; তৃতীয় শ্রেণির আনিকা ফারজানা ও আতিকা ফারহানা এবং চতুর্থ শ্রেণির তাসফিয়া হাসান ত্বোয়া।
বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ও কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। এসময় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, শিউলিমালা হলের প্রভোস্ট ড. হাবিবা সুলতানা অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স)। স্বাগত বক্তব্য দেন কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসা. লুপা খাতুন। এসময় স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ, স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষিকা ও অভিভাবকগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
-

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই ৩৬ কর্ণার উদ্বোধন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই ৩৬ কর্ণার’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ভবনের তৃতীয় তলায় ২৮ জুলাই ২০২৫ সোমবার সকালে এই কর্ণারের উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান জুলাই ৩৬ কর্ণারের শুভ উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান অতিথি উপাচার্য তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘সকল ধরণের অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতা তাদের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছে। আমার বিশ্বাস ‘জুলাই ৩৬ কর্ণার’ তারই একটি স্থায়ী অবস্থান। আমি আরও বিশ্বাস করি এদেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে যে ঐক্য তৈরি হয়েছিল এই কর্ণার উদ্বোধনের মাধ্যমে তা স্থায়ী রুপ নিতে ভূমিকা রাখবে। জুলাই-আগস্টে যে আত্মত্যাগের ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে তা বর্তমান, ভবিষ্যৎ ও অনাগত প্রজন্ম আরও গবেষণার মধ্য দিয়ে একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস তৈরি করবে।’

যাদের কাছে নতুন তথ্য ও ডকুমেন্ট আছে তাদের এই জুলাই ৩৬ কর্ণারে জমাদানের আহ্বান জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মতো জুলাই-আগস্ট ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানও একই স্পিরিটে স্মরণ করা হবে। এছাড়া কোন ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার উদ্রেক যেন না হয় তার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান উপাচার্য।’
উদ্বোধন শেষে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফ্তি মো. আব্দুল হাকীম। এসময় অতিথিবৃন্দ ‘জুলাই ৩৬ কর্ণার’ ঘুরে দেখেন। জুলাই ৩৬ কর্ণারে জুলাই-আগস্ট ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন আলোকচিত্র, পেপার কাটিং, গ্রন্থসহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট রয়েছে। সবশেষে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ভবনের আশপাশে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, জুলাই গণঅভ্যুত্থান উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মো. আশরাফুল আলম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, অগ্নি-বীণা হলের প্রভোস্ট মো. হারুনুর রশিদ, পরিবহণ প্রশাসক প্রফেসর ড. আহমেদ শাকিল হাসমী, লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচানা বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান উদ্যাপন কমিটির সদস্য-সচিব মো. অলি উল্লাহ, গ্রন্থাগারিরক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোহা. আজিজুর রহমান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
-

এই প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের এদেশ টাকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে মেধাবী শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উঠতে হবে। ইউ এনও আব্দুল্লাহ আল বাকীউল বারী
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লা আল বাকীউল বারী বলেছেন এই প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের এদেশ টাকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে শুধু মেধাবী হয়ে গড়ে উঠলেই হবে না মেধাবী শিক্ষার পাশাপাশি তাদের মানবিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উঠতে হবে,শুধু নিজের ভালর জন্য শিক্ষা নয়,শুধু নিজের ভালো একটা চাকরীর জন্য শিক্ষা নয় আমাদের শিক্ষা যেনো দেশের জন্য দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য কাজে লাগে আমাদের মেধা যেনো দেশের জন্য কাজে লাগে দেশের মানুষের মঙ্গলে কাজে লাগে। তিনি ২৮ জুলাই সোমবার বিকেলে ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের প্রয়াত ইউএনও রাশেদুল ইসলাম মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রনালয়েল মাধ্যমিকও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টেস ফর সেকেন্ডারী ইন্সটিটিউশনস স্কীম(এসইডিপি)ও ময়মনসিংহের ত্রিশালের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৯ মেধাবী শিক্ষার্থী কে পুরস্কার প্রদানকালে সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন।
মাধ্যমিক শিক্ষা ময়মনসিংহ জেলা অফিসের সহযোগিতায় ও ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ত্রিশালের আয়োজনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল সরকারি নজরুল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জান্নাতুল ফেরদৌস।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার শাহানা পারভীন-এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (একিউএইট) কামরুন নাহার প্রমুখ।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সেলিমুল হক তরফদার,ত্রিশাল আব্বাছিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফজলুল হক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শুকতারা বিদ্যানিকেতন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আনিছুজ্জামান মৃধা, আউলিয়ানগর আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হাবিবুর রহমান, ত্রিশাল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম জোবায়ের হোসেন প্রমুখ। এসময় উপজেলার মেধাবী ২৯ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (এসইডিপি) স্কিমের আওতায় সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। -

ত্রিশালে ফলবাগানের সীমানাপ্রচীর ভাঙচুর, নিরাপত্তাহীনতায় ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বাদামিয়া গ্রামে একটি ফলবাগানের সীমানাপ্রচীর ভেঙে ফেলেছে পার্শ্ববর্তী একদল দুষ্কৃতকারী। এ ঘটনায় ফলবাগান মালিক আইয়ুব আলী ব্যবসায়িক ও পারিবারিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
আইয়ুব আলীর দাবি, তার প্রতিবেশী ইউছুফ আলী ও তার ছেলে হাবিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে তার ব্যবসা ও সম্পত্তির ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি তারা হঠাৎ করে বাগানের সীমানাপ্রচীরের একটি অংশ ভেঙে ফেলেছে। এতে তার ফলবাগান খোলা পড়ে থাকায় চরম আতঙ্কে দিন কাটছে।
আয়ুব আলী বলেন, “আমি একজন সহজ-সরল ব্যবসায়ী মানুষ। অনেক কষ্টে এই ফলবাগান ও মাছের ঘের করেছি। এখন এভাবে বারবার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকিধামকি দিচ্ছে। আমি আমার পরিবার ও সহায়সম্পদ নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এবিষয়ে আমি ত্রিশাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।”
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আয়ুব আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পরিশ্রম করে ব্যবসা করছেন। তিনি সৎ ও নম্র স্বভাবের মানুষ। তারা বলেন, “তার মতো একজন ব্যবসায়ীকে বারবার হয়রানি ও হুমকিধামকি দেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্যমূলক মনোভাব রয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করি।”
অন্যদিকে অভিযুক্ত ইউছুফের স্ত্রী হাসিনা দাবি করেন, “এই জায়গা আমাদের বসতঘরের পাশে, আগে কথা ছিল ফিসারিতে থাকা জমি এওয়াজবদল করে জমিটা আমাদের দিবে। পরে আর দেয়নি। প্লাস্টার করানোর জন্য সীমানাপ্রচীর কিছুটা সরিয়েছি। পরে আবার ঠিক করে দিবো। এতে এতো কিছু করার কি আছে?”
এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহাম্মদ বলেন, “ভুক্তভোগী অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেব। কারো সম্পত্তির ক্ষতি করা বা হুমকি দেওয়া আইনত দণ্ডনীয়।”
এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।
-

এসএসসিতে ময়মনসিংহ শিাবোর্ডে প্রথম হয়েছেন ত্রিশালের তকি
ময়মনসিংহ শিা বোর্ডের চলতি বছরের এসএসসি পরীায় বিজ্ঞান বিভাগে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করে বোর্ডসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ফারহান তানভির তকি। সে মোট ১৩ শ নম্বরের মধ্যে ১২৫৯ নম্বর পেয়ে বোর্ডের সর্বোচ্চ ফলাফলধারী শিার্থী হিসেবে স্থান অর্জন করে। তকি ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের শিার্থী। সে ত্রিশাল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার পিতার পৈতৃক বাড়ি ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের টুক্কিরপাড় গ্রামে। তিনি সিদ্দিক মোঃ ইসমাঈল ও মোছা: ছালমা খাতুন দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান। তার বাবা একজন ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই তকি পড়াশোনায় একনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও মেধাবী ছিল। পড়াশোনার প্রতি তার গভীর মনোযোগ ও আত্মনিবেদনই তাকে এনে দিয়েছে এই অসাধারণ সাফল্য।
তকির এমন সাফল্যে পরিবার, শিক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, “তকির এই কৃতিত্ব ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের জন্য গর্বের। আমি আশেপাশের অন্যান্য স্কুলের ফলাফল যাচাই করেছি—সে-ই সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে। তকির মা ছালমা খাতুন আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, আমার ছেলে ছোটবেলা থেকেই অনেক মেধাবী ও পরিশ্রমী। তার এই অর্জন আমাদের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।” নিজের অনুভূতি জানিয়ে ফারহান তানভীর তকি বলেন, “নিয়মিত পড়াশোনা, সময় ব্যবস্থাপনা ও আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রেখেই আমি প্রস্তুতি নিয়েছি। ভবিষ্যতে বিজ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে দেশ ও মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। শিকরা মনে করছেন, তকির মতো শিার্থীরা জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের যোগ্যতায় ও সাফল্যে আলোকিত হবে আগামী প্রজন্ম। -

ময়মনসিংহে মর্মান্তিক ঘটনা: মা ও দুই সন্তানের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
ময়মনসিংহের ভালুকায় বসতঘর থেকে মা ও তার দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ জুলাই) সকালে ভালুকার পৌর শহরের ৭নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই এলাকার গার্মেন্টস শ্রমিক রফিক উদ্দিনের স্ত্রী ময়না বেগম (২৫), তার মেয়ে রাইসা (৪) এবং ছেলে নীরব (২)।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘রফিক উদ্দিন স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘর থেকে রফিক উদ্দিনের স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।’
কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনার বিস্তারিত পরে জানানোর কথা জানিয়েছেন ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর।
-

চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস জামিন পেলেন
রোববার (১৩ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন অভিনেত্রী। পরে শুনানি শেষে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অপু বিশ্বাসের আইনজীবী আবুল বাশার কামরুল। তিনি বলেন, গত ২ জুন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন পান অপু বিশ্বাস। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অপু বিশ্বাস স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।
-

ময়মনসিংহে ৬ মাসে প্রায় ৫ হাজার এনআইডি সংশোধন আবেদনের নিস্প্রত্তি করা হয়েছে
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ জেলায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন সেবায় দৃশ্যমান আমুল পরিবর্তন হয়েছে। দৃশ্যমান এই কার্যক্রমে গত ৬ মাসে প্রায় প্রায় ৫ হাজার এনআই সংশোধন আবেদনের নিস্প্রত্তি করা হয়েছে বলে জেলা নির্বাচন অফিসের বরাতে জানাগেছে।
অতীতে জেলা অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের কার্যক্রমে সেবা গ্রহিতাদের দীর্যদিনের ভোগান্তির অভিযোগ থাকলেও বর্তমান সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সততা, নিষ্ঠা, সার্বিক তত্বাবদান, বিচক্ষনতা কর্মদক্ষতা ও তার নিরলস পরিশ্রমে জেলা নির্বাচন অফিসটির স্বচ্চতা ও কাজের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় এনআইডি সংশোধন, করতে আসা সেবা গ্রহিতারা এখন অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে পাচ্ছেন তাদের কাঙ্খিত সেবা ।
এরই পরিপেক্ষিতে ময়মনসিংহ জেলা নির্বাচন অফিসে এরই মধ্যে প্রায় ৫ হাজার এনআইডি সংশোধন আবেদনের নিস্প্রত্তি হয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে দেখা যায় আগের মতো আর সেবা গ্রহিতাদের দীর্য লাইন নেই। অফিসটিতে নেই অতিরিক্ত ভীড় অপতৎপরতা করার মতো কোনো মানুষ। এখন সেবা গ্রহিতারা নির্ধারিত সময়ে অফিসে গিয়ে সহজের পাচ্ছেন তাদের কাঙ্খিত সেবা। এই পরিবর্তনের পিছনে বড় ভুমিকা রয়েছে বর্তমান সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের ।
২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর বর্তমান সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জেলা নির্বাচন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকেই এই কার্যক্রমে এমন গতি এসেছে বলে একাধিক সূত্রে জানাগেছে।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানাযায় আগে এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত কাগজপত্র বা যৌত্তিক তথ্যের অভাবে অনেক আবেদন দীর্যদিন ঝুলে থাকতো এখন প্রতিটি আবেদন পুঙ্খানোপুঙ্খ ভাবে যাচাই বাচাই এর পর সংশোধনের যৌক্তিকতা যাচাই করা হয় এবং অতি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তা সংশোধন করা হয়।
সেবা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানাগেছে আগে এনআইডি সংশোধনের জন্য অনেক বার আসতে হতো অনেকে কিছু দালালের খপ্পরে ও পড়তো । এখন নিজেরাই সরাসরি এসে কাজ করতে পারলাম। ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার আসাদুল ইসলাম জানান আবেদন করার পর জেলা অফিস হতে আমার এনআইডি সংশোধনের কাজ ১ দিনের মধ্যে হয়ে গেছে, এতে আমার বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক উপকার হলো।
এ ব্যাপারে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান আমি চেষ্টা করছি প্রতিদিনের আবেদন প্রতিদিন নিস্প্রত্তি করতে । আইডিতে ভুল যেখানে হয়েছে সেটা বুঝে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেওয়াই আমার নীতি। তিনি আরো জানান বর্তমানে আমার অফিসে কোনো আবেদন ই পেন্ডিং নেই ।
সংশিষ্ট নির্বাচন কমিশন কার্যালয় কতৃপক্ষ জানায় ুঅন্যান্য জেলার তুলনায় ময়মনসিংহকে এখন একটি মডেল হিসেবে দেখা হয়। এ রকম কার্যকর সেবা প্রদানের ব্যবস্থা অন্য জেলাগুলোর জন্য ও অনুকরনীয় হতে পারে। এনআইডি সংশোধন সেবায় যে স্বচ্ছতা ও গতি এসেছে ,তা সাধারন জনগনের মধ্যে সরকারের প্রতি আরো আস্থা বৃদ্ধি করেছে।
