Author: admin

  • ত্রিশালে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ

    ত্রিশালে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঘুষের টাকা পরিশোধ না করলেই ঠিকাদারদের বিল আটকে দেন ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ খন্দকার।
    অভিযোগ উঠেছে তার ঘুষকান্ডের কারণে বন্ধ ও ধীবগতিতে চলছে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দের ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ। ঢাকা (প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়) থেকে ফান্ড আনতেও ঠিকাদারদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া ছাড়াও তার বিরুদ্ধে রয়েছে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ।
    জানা যায়, সাবেক এমপির সুপারিশে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থেকে বদলি হয়ে, গত বছরের (২০২৪ সালের) ২৮ ফেব্রুয়ারি ত্রিশালে যোগদান করেন প্রকৌশলী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ খন্দকারকে। ওই এমপির কার্যকালে নিজেকে আওয়ামীলীগ পরিবারের একজন দাবি করে দাপটের সঙ্গে অনিয়ম দুর্নীতির চালিয়ে যেতে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে ও এসব দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
    উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি)র ত্রিশাল অফিসে রয়েছেন ৩ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী। ৩ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী থাকা সত্বেও প্রকল্প কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত বাদশা মিয়া নামে এক উপ-সহকারী প্রকৌশলী। গেল ৩০ জুন বাদশা মিয়ার প্রকল্পের মেয়াদকাল শেষ হলেও তাকে দিয়েই করানো হচ্ছে উপজেলার স্কুল ও রাস্তাঘাটসহ ৬০ শতাংশ কাজ। রহস্যজনক কারন নয়, ঘুষ-দুর্নীতির বিশ্বস্ত ব্যক্তি হিসেবেই তার স্বাক্ষরে বিল উত্তোলনসহ এখনো সকল ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।
    নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ওই অফিসের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলী জানান, প্রকৌশলী মুহাম্মদ শফিউল্লাহর খন্দকারের সকল ঘুষ লেনদেনের কাজটি করেন তার একান্ত বিশ্বস্ত প্রকল্প কর্মকর্তা বাদশা মিয়া। তার কাছে গেলেই যেন মিলে সব সমস্যার সমাধান।
    স্থানীয় ঠিকাদারদের অভিযোগ, দুর্নীতিবাজ এ কর্মকর্তাকে বরাদ্দের ২ শতাংশ কমিশন পরিশোধ না করলে কাজের বিল আটকে দেন। উপজেলা প্রকৌশলীর এমনই ঘুষকান্ডের কারণে বন্ধ রয়েছে উপজেলার দাসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নওধার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ধলিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ। ধীরগতিতে কাজ চলছে কাজিরকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেওপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাঁঠাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ও গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ। এছাড়া এক বছর আগে টেন্ডার হলেও গুজিয়াম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজ এখনো শুরুই হয়নি। ভ্যাট আইটি বাদে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দের ওই ৮টি স্কুলের কাজ ঘুষকান্ড থেকে মুক্তি নিয়ে কবে শেষ হবে তা যেন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে আছে। এছাড়াও এই কর্মকর্তার যথাযথ তৎপরতা ও দায়িত্ব অবহেলার কারণে ২০২২ সালে শুরু হওয়া ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীণ উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন ও হলরুম নির্মাণকাজের কোন অগ্রগতি নেই বলেও অভিযোগ আছে।
    ঘুষের এক লাখ পেয়েও উপজেলা প্রকৌশলী খুশি নন বলে, বছরখানেক আগে টেন্ডার হওয়া গুজিয়াম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ ঠিকাদারকে বুঝিয়ে দেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঢাকা (প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়) থেকে ফান্ড আনার জন্যও ঠিকাদারের কাছ থেকেও নেয়া হয় টাকা।
    সরেজমিন পৌরশহরের নওধার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, পুরাতন ভবনে শিক্ষকদের বসার জন্য একটি কক্ষ ও দুটি শ্রেণিকক্ষ রয়েছে। বছর খানেক ধরে নির্মানাধীণ ভবনের কাজ বন্ধ থাকায় শ্রেণিকক্ষের সংকটের ফলে ব্যাহত হচ্ছে ক্লাস-পরীক্ষা।
    এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিদ্দিক মিয়া জানান, কাজ শেষ না হওয়ায়, খোলামেলা পড়ে থাকে। এতে রাতের বেলায় মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিনিত হয়েছে বিদ্যালয়টি। শ্রেণিকক্ষের পাশাপাশি ওয়াশরুমের প্রয়োজনীয়তা খুবই জরুরী। তাই দ্রুত কাজ শেষ করতে বহুবার ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তাতে কোন লাভ না হওয়ায়, ৭/৮মাস আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার মেলেনি। তবে ঠিকাদার সাজ্জাদুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন তিনি খুব দ্রুতই কাজ শুরু করবেন।
    দাসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণাধীন ভবনের গ্রেডভিম ও তার ওপর কলামের (পিলারের) রড বাধাঁর কাজ পর্যন্ত সম্পন্ন হলেও ৪ মাস ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানান বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।


    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার খাইরুল ইসলাম বলেন, ভ্যাট আইটি সহ এক কোটি ২৮ টাকা। ৪০ লাখ টাকার কাজ করেছি। তারমধ্যে বিল পাইছি ২১ লাখ টাকা। ঘুষের টাকা দেইনি বলে, উপজেলা প্রকৌশলী বিল অনুমোদন করছে না। তিনি প্রতিটি কাজে বরাদ্দের টু পারসেন্ট কমিশনের টাকা না পাওয়া পর্যন্ত হয়রানি চালিয়ে যান। আমার মতো অবস্থা অনেকেরই। ঘুষ দিচ্ছে না, বিল পাচ্ছে না।
    ঠিকাদার তাজুল ইসলাম জানান, গুজিয়াম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে টেন্ডারের মাধ্যমে দরপত্র আহবান করা হয়। কাজটি পাই আমি। ঢাকা থেকে ফান্ড অনুমোদন ও কমিশন বাবদ উপজেলা প্রকৌশলী আমার কাছ থেকে নেন এক লাখ টাকা। এরইমধ্যে এক বছর অতিবাহিত হলেও আমাকে কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন না তিনি। এছাড়াও উপজেলার কৈতরবাড়ী সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের কাজ শেষ করেছি এক বছর আগে, অথচ এখনো ফাইনাল বিল পাইনি। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে ঘুষ না দিলেই আটকে যায় বিল।
    ভবন নির্মাণকাজের কোন অগ্রগতি নেই কেন, জানতে চাইলে কাজিরকান্দা এবং দেওপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঠিকাদার জিয়া উদ্দিন শাহীন বলেন, সমস্যার কারণে এক বছর কাজ বন্ধ ছিল। ২ পার্সেন্ট ঘুষের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি জানান, আমার সঙ্গে পার্সেন্টিসের ঝামেলা শেষ। কাজ শুরু করেছি।
    নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার জানান, উনি ত্রিশালে যোগদানের পর এ যাবত কোন ঠিকাদার বরাদ্দের দুই পারসেন্ট টাকা পরিশোধ করা ছাড়া কোন কাজের বিল সঠিকভাবে পাননি।
    ঘুষের টাকা পরিশোধ না করলে ঠিকাদারদের বিল আটকে দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে, এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ খন্দকার বলেন, কোন ঠিকাদারের কাছ থেকে কোনো ঘুষ নেইনি। ফান্ড নেই তাই বিল দিতে পাচ্ছি না। ফান্ড এলেই ধারাবাহিক ভাবেই বিদ্যালয়গুলোর চলবে। ফান্ড আনার নামে ঠিকাদারের কাছ থেকে টাকা নেয়ার বিষয়টিও অস্বীকার করে তিনি বলেন, এসব ভুয়া আলাপ।
    ৩ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী থাকা সত্বেও মেয়াদোত্তীর্ণ প্রকল্প কর্মকর্তা এক বাদশা মিয়াকে দিয়েই কিভাবে উপজেলার স্কুল ও রাস্তাঘাটসহ ৬০ শতাংশ কাজ করাচ্ছেন ? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাদশার দায়িত্ব শেষ হয়নি, আর কম বেশি সবাইকে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘OBE Curriculum ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘OBE Curriculum ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সকল শিক্ষক এবং কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও পরিসংখ্যান বিভাগের প্রোগ্রাম সেলফ এ্যাসেসমেন্ট কমিটির প্রধানগণের অংশগ্রহণে OBE (Outcome Based Education) Curriculum’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আজকের প্রশিক্ষণ কর্মশালার মধ্য দিয়ে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সিলেবাস তৈরি, পরীক্ষার বিধি, অধ্যাদেশ OBE, BNQF(Bangladesh National Qualification Framework)  ইত্যাদি তৈরির ক্ষেত্রে সমন্বয় করতে পারলেই ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।’ প্রশিক্ষণ কর্মশালার সার্বিক সফলতা কামনা করে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী এবং সরাসরি বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপ¯ি’ত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাঈমুল হক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইকিউএসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সাহাবউদ্দিন। প্রশিক্ষকণ কর্মশালার উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা ।

  • ত্রিশাল প্রেসক্লাব লাইব্রেরীতে লেখক রাশেদুল আনামের বই প্রদান

    ত্রিশাল প্রেসক্লাব লাইব্রেরীতে লেখক রাশেদুল আনামের বই প্রদান

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল প্রেসক্লাব লাইব্রেরীতে সংরক্ষনের জন্য নিজের লেখা ৫ টি বই প্রদান করেছেন নজরুল গবেষক লেখক রাশেদুল আনাম।
    বৃহস্প্রতিবার রাতে ত্রিশাল প্রেসক্লাবে নিয়মিত মিটিংয়ে সাংবাদিকদের কাছে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন প্রকাশনায় প্রকাশিত নিজের লেখা নজরুল জীবনের ত্রিশালের অধ্যায়সহ ৫টি বই ত্রিশাল প্রেসক্লাব লাইব্রেরীতে সংরক্ষণের জন্য ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি সাধারন সম্পাদক ও সকল সদস্যদের হাতে উপহার হিসেবে প্রদান করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ এর অতিরিক্ত পরিচালক রাশেদ আনাম।


    এসময় ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি খোরশিদুল আলম মজিব,সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান সবুজ,সাবেক সভাপতি শামীম আজাদ আনোয়ার,সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম শামীম গোলঅম মোস্তফা সরকার, সিনিয়র সদস্য নজরুল ইসলাম, রেজাউল করীম বাদল, সাধারন সম্পাদক এইচ এম জোবায়ের হোসেন,সাবেক সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নোমান,সাবেক সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম,সাবেক সাধারন সম্পাদক মতিউর রহমান সেলিম,সদস্য মামুনুর রশিদ,ফয়জুর রহমান ফরহাদ,আতিকুল ইসলাম,মাসুদ রানা,রোকুনুজ্জামান রাহাত,ফাহাদ,সুমন প্রমুখ। বই গুলো হলো সাময়িকপত্র সম্পাদনায় নজরুল ( এম.ফিল থিসিস) প্রকাশনায়- নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা),নজরুল জীবনের ত্রিশাল অধ্যায় (গবেষণা গ্রন্হ), কাজী নজরুল ইসলাম (জীবনীগ্রন্থ), ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (জীবনীগ্রন্হ),হাছন রাজা ( জীবনীগ্রন্হ)।

  • ত্রিশালে বিএনপির ভোটের জোয়ার বইছে ৪ লাখ ভোটারের মধ্যে ৩ লাখ ভোট পাওয়ার টার্গেট নিয়ে কাজ করতে হবে-  ডাঃ লিটন

    ত্রিশালে বিএনপির ভোটের জোয়ার বইছে ৪ লাখ ভোটারের মধ্যে ৩ লাখ ভোট পাওয়ার টার্গেট নিয়ে কাজ করতে হবে- ডাঃ লিটন

    ময়মনসিংহ দক্ষিন জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনের বিএনপির ধানের শীষ মার্কায় সম্ভাব্য প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন বলেছেন এবার বিএনপির ভোটের জোয়ার বইছে,ত্রিশালের মানুষ এবার বিএপির প্রার্থীকে ধানের শীষের প্রার্থীকে ভোট দেয়ার জন্যে উদগ্রীব হয়ে আছেন। ত্রিশালের মানুষ তাদের পছন্দের যোগ্য প্রার্থীকে অনেক বছর ভোট দিতে পারেননি।ত্রিশালের ৪ লাখ ভোটারের মধ্যে ৩ লাখ ভোটার এবার বিএনপি কে ভোট দিবে বলে আশা রাখছি,সেই টার্গেট নিয়ে আমাদের মাঠে কাজ করতেহবে। এই টার্গেটকে বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের উপজেলার এই সকল ভোটারদের সাথে থাকতে হবে দৈর্য্যশীল হয়ে ভোটারদের বিপদে আপদে তাদের পাশে থাকতে হবে,তাদের ভালো মন্দের খোজ খবর রাখতে হবে। তাহলেই এবার ত্রিশালে রেকর্ড পরিমান ভোট পেয়ে ইনশাআল্লাহ আমরা পাশ করবো । তিনি বুধবার জাতীয়তাবাদীদল বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বাষিকীতে ত্রিশাল থানা পৌর বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠন কতৃক আয়োজিত এক জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন। দরিরামপুর সিএন্ডবি চত্বরে আয়োজিত জনসমাবেশে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আতাউর রহমান শামীমের পরিচালনায় ও ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এনামুল হকের সভাপতিত্ব প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌর বিএন পির সভাপতি আলেক চান দেওয়ান, সাধারন সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মিলন,উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মুন্জুরুল ওয়াহেদ নিক্সন, যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউল হক জামিল, যুগ্ম আহবায়ক আনিছুর রহমান মৃর্ধা, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আউয়াল ফরাজীসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সন্ধায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন।

  • ত্রিশালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন গ্রেফতার

    ত্রিশালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন গ্রেফতার

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক ও ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর আকন্দকে গ্রেফতার করেছে ত্রিশাল থানা পুলিশ।
    সোমবার রাত ১১ টার দিকে তাকে পৌর সভার ৮ নং ওয়ার্ডের নিজ বাড়ির পাশ থেকে গ্রেফতার করে ত্রিশাল থানা পুলিশ। হুমায়ুন কবীর আকন্দ উপজেলা যুব লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও ছিলেন।
    ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহাম্মদ জানান, তার বিরুদ্ধে ত্রিশাল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং মঙ্গলবার সকালে তাকে কোটের্ প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ত্রিশালের বগার বাজার টু কাশিগঞ্জ বাজার সড়কের বেহাল দশা,খানাখন্দও নর্দমায়  চলাচলের অনুপযোগী জনদুর্ভোগ চরমে

    ত্রিশালের বগার বাজার টু কাশিগঞ্জ বাজার সড়কের বেহাল দশা,খানাখন্দও নর্দমায় চলাচলের অনুপযোগী জনদুর্ভোগ চরমে

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের বগার বাজার হতে কাশিগঞ্জ বাজার চলাচলের এক মাত্র রাস্তাটির বেহাল দশা খানাখন্দ ও নর্দমায় থইথই হয়ে পড়ায় রাস্তাটি যেনো যেন দিনদিন মৃত্যু কুপে পরিণত হচ্ছে। চলাচলের অনুপযোগী অনেক আগেই। সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই সড়কে জমে হাঁটু পানি, কার্পেটিং ও পাথর উঠে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দের। কোথাও কোথাও কাদা পানি জমে আছে। এতে জন মানুষ ও পরিবহন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কটির বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এই সড়কে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ।
    সরেজমিনে দেখা গেছে, গুজিয়াম আমিরাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের গেইটের সামনের রাস্তাটি ভেঙ্গে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচল প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে একপাশ দিয়ে চলাচল করতে পারলেও যানবাহন চলাচল অসম্ভব। প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। কখনো গাড়ি উল্টে পড়ে যাচ্ছে খাদে আবার কখনো পথচারী ছিটকে পড়ছে রাস্তার গর্তে।
    স্থানীয় বাসিন্দা ও এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মোমেন মিয়া জানান, এটি একটি ব্যস্ততম সংযোগ সড়ক। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে থাকে। কালাম মন্ডল নামের একজন জানান, চলাচলের জন্য এটি একমাত্র সড়ক। এ সড়ক দিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ কয়েক ইউনিয়নের মানুষ চলাচল করে থাকে এবং এ ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে অবস্থিত একমাত্র ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। হাটবাজার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানোর একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক। এত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি প্রায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি নেই। গুজিয়াম আমিরাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ফারহানা , মুয়িদুল , কাজল, নাঈমা, রাবিব,শিমল ও ও মেঘলা জানান , আমাদের এ রাস্তা দিয়ে খুব কষ্ট করে স্কুল যেতে হয়। মাঝে মধ্যেই ছোট বড় অসংখ্য ভাঙা গর্তের কারনে অটো উল্টে যায়। আমাদের একটাই দাবি এ সড়কটি যেন দ্রুত সংস্কার করা হয়।
    সিএনজিচালক লোকমানজানান, সড়কে বড় গর্তের কারনে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় আমাদের। প্রতিদিন এখানে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটে অনেকেই আহত হয়েছেন। ভাঙা গর্ত বড় হতে হতে এখন এই সড়কের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি। কাশিগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী জাকির জানান, কাশিগঞ্জ বাজারে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এ জন্য প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। রাতে বাড়িতে যাওয়ার সময় রাস্তার গর্তের কারনে দুর্ঘটনা হয়।
    এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শফিউল্লাহ খন্দকার বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙা সড়কটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হবে।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী বলেন, সংস্কার বাজেট পেলেই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

  • রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপির প্রতিটি অঙ্গিকার বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান

    রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপির প্রতিটি অঙ্গিকার বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি আগামী দিনে জনগনের রায়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্যদের সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করা হবে। প্রতিটি জাতিগোষ্ঠির ভাষা, সংস্কৃতি ও মুল্যবোধে প্রতি আমার ব্যক্তিগত এবং বিএনপির পূর্ন আস্থা ও সম্মান রয়েছে। বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফায় ১৬ নম্বর ধারায় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে- দল মত জাতী ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ী ও সমতলের ক্ষুদ্র বৃহৎ সকল জাতীগোষ্টির সংবিধান প্রদত্ত সামাজিক রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মকাজের অধিকার, নাগরিক অধিকার, জীবন ও সম্পদের পূর্ননিরাপত্তা বিধানের প্রচেষ্টা গ্রহন করা হবে। এটি আমাদের অঙ্গিকার। জনগনের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি অঙ্গিকার আমরা বাস্তবায়ন করব।

    শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হল অডিটরিয়ামে জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় ফ্যাসিষ্ট নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারি বা ফ্যাসিবাদী আমলে হামলা নির্যাতন উপেক্ষা করেও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ক্ষুদ্র জাতীগোষ্টির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। পতিত পরাজিত স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিটি মানুষের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি সুযোগ সামনে এসেছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের টার্গেট নিয়ে অন্তবর্তকালীন সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা ঘোষনা করেছে। বিএনপি ঘোষিত সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য দেশের কর্মসংস্থান এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে দল মত ধর্ম বর্ণ গোষ্টি নির্বিশেষে সবার জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আপনাদের সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগীতা চায়।

    অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র জাতীগোষ্টির প্রতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৬ বা ৭৭ সালের দিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বৃহত্তর ময়মনসিংহের সমতলের বসবাসকারি ক্ষুদ্র জাতীগোষ্টির মানুষের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার মতবিনিময় অনুষ্ঠান হয়েছিল এবং সে সময় শহীদ জিয়া বৃহত্তর ময়মনসিংহ এলাকায় ক্ষুদ্র জাতীগোষ্টির জীবনমান উন্নয়নে এবং তাদের সংস্কৃতি চর্চা বিকাশের লক্ষ্যে বিরিশিরি কালচার একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এছাড়াও ট্রাইবুনাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন গঠন করেছিলেন গারো জাতীগোষ্টির জন্য। রেডিওতে সালগিত্তা অনুষ্ঠান, ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ, বিশেষ করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ এবং উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করেছিলেন তৎকালীন সরকার শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে। শহীদ জিয়ার সঙ্গে সমতলের জাতীগোষ্টির নিবিড় সর্ম্পক গড়ে উঠেছিল এবং নিবিড় সর্ম্পক গড়ে তোলার স্থান ময়মনসিংহ।

    জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতীগোষ্টি দল গঠন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষাদীক্ষাসহ রাষ্ট্রের সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০০৭ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ আগ্রহে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে ক্ষুদ্র জাতীগোষ্টিকে সংঘবদ্ধ করার এবং সংগঠিত করার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। সেই উদোগের ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমের এক পর্যায়ে ২০১৪ সালের ৭ সেপ্টম্বর বিএনপির অস্থায়ী সংগঠন হিসাবে জাতীতাবাদী ক্ষুদ্র জাতীগোষ্ঠি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়। এর প্রতিফলেই আজকে সমতলের ক্ষুদ্র জাতীগোষ্ঠির আজকের এই প্রতিনিধি সমাবেশ। ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠির নিজ নিজ বিশ্বাস এবং সংস্কৃতি অক্ষুন্ন রেখেই বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসাবে নিজেদের এবং আগামীর প্রজন্মের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাবালম্বিতা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আজকের এই সমাবেশ অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন।

    এ সময় বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, পাহাড়ি বা সমতলের সকল জাতি গোষ্ঠী যদি নিজেদের স্বার্থ সর্ম্পকে সচেতন থাকে তাহলে কোন অপশক্তি বিভ্রান্তি সৃষ্টির সুযোগ নিতে পারবে না বা সক্ষম হবে না। বহু জাতীগোষ্টি ও সংস্কৃতির দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে এই জাতীগোষ্টিকে বাঙালী বানাতে গিয়ে ক্ষুদ্র জাতীগোষ্টির মনে একটি অবিশ্বাসের বীজ বপন করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা দেখেছি- স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠির মন থেকে সেই অবিশ্বাস দূর করনতে সক্ষম হয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে- ভাষা, গোত্র বর্ণ কিংবা দল মত ধর্ম দর্শন যার যার, কিন্তু বাংলাদেশ সবার। ধর্ম গোত্র ভাষা, পাহাড়ী কিংবা সমতল যার যাই হোক, প্রত্যেকেই বাংলাদেশের ভূখন্ডের নাগরিক। এতে প্রত্যেকের প্রধান পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। সুতরাং সমতল, কিংবা পাহাড়, রাজধানী কিংবা শহর, নগর, বন্দর, বসতি যার যেখানেই হোক। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসাবে আপনার, আমার এবং আমাদের সবার সমান অধিকার। বিএনপি বিশ্বাস করে বাংলাদেশ শুধু বাঙালীর নয়, ভিন্ন ভাষাভাষি ক্ষুদ্র জনগোষ্টি এবং বৈধভাবে বাংলাদেশে বসবাসকারি সবার এই বাংলাদেশ। এতে বসবাসকারি প্রত্যেকটি ক্ষুদ্র জনগোষ্টি এক, একটি রং। যাকে আমরা বলেছি- রেইনবো ন্যাশন। সকল ভাষাভাষি ও জাতীগোষ্ঠিকে নিয়ে বিএনপি একটি অন্তর্ভুক্তিমুলক রাষ্ট্র গঠন করতে চায়। দলীয়ভাবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরে ক্ষুদ্র জাতীগোষ্টির যোগ্য প্রতিনিধি অন্তভূক্তি করা হবে। এছাড়াও জাতীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর জন্য সাংস্কৃতিক গবেষনা প্রতিষ্ঠা, ট্রাইবুনাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনকে ট্রাস্ট গঠন এবং দেশি বিদেশি তথ্য প্রযুক্তিতে শিক্ষিত করে গড়ে তোলা এবং নারী উদোক্তাদের ঋণ প্রদান ও বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, একটি ভয়াবহন দানবীয় ফ্যাসিস্ট শাসনের পরে একটি গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি। এই নতুন বাংলাদেশ তৈরী করতে সবাই একটি বিষয়ে একমত। তা হলো- আমরা প্রত্যেকটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করবো। আপনারা যারা মনে করছেন- আপনারা ক্ষুদ্র জাতীগোষ্টির সদস্য, তা ঠিক নয়। আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া) সব সময় বলেন, আমার নেতা তারেক রহমানও বলেন- কখনো এই কথা বলা যাবে না। সংখ্যালঘু বা সংখ্যগুরু বলা যাবে না। আমরা সবাই বাংলাদেশি এবং সকলের অধিকার সমান।

    তিনি বলেন, অতীতে সব কাজ করা সম্ভব হয়নি এবং সব সময় সুবিচার করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে ৩১ দফা প্রনয়ন করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ভবিষ্যত রাজনীতির মূল চাবিকাঠী। সেই ৩১ দফায় রেইনবো বাংলাদেশের কথা বলা হয়েছে। আর রেইবোতে জাতীর কথা বলা হয়েছে। আপনাদের সকলকে নিয়ে আমরা সত্যিকার অর্থে একটা রেইবো রাষ্ট্র গঠন করতে চাই। সেইটাই আমাদের লক্ষ্য।

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মৃগেন হাগিদগের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মহানগর বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক একেএম শফিকুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক জাকির হোসেন বাবলু, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমাজাদ আলী, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের সহসভাপতি সুভাস চন্দ্র বর্মণ, সহসভাপতি ড. অঞ্জন কুমার চিছাম, সুবাস চন্দ্র বর্মন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জন জেত্রা, বিন্যামিন আরেং, আইন বিষয়ক সম্পাদক বিপুল হাজং, জাতীয় হদি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার সিংহ, সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক হিমাংশু বর্মণসহ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নেতাকর্মীরা।

    এছাড়াও এই সম্মেলনে দেশের ১৪টি জেলার সমতলের ৩৪টি জাতীগোষ্ঠির আদিবাসি প্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেন। এ সময় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রস্থ থেকে তেলাওয়াত ও পাঠ শেষে প্রধান অতিথিকে স্বাগত জানিয়ে ক্ষুদ্র জাতীগোষ্ঠিদের নিজস্ব সংস্কৃতির গান ও নৃত্য পরিবেশনের মধ্য দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এতে ক্ষুত্র জাতীগোষ্ঠির শিল্পীরা অংশগ্রহন করে।

  • ময়মনসিংহে সম্মেলন শেষে ত্রিশালে মির্জা ফখরুলের ডাঃ লিটন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত

    ময়মনসিংহে সম্মেলন শেষে ত্রিশালে মির্জা ফখরুলের ডাঃ লিটন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত

    ময়মনসিংহে জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতী গোষ্ঠী প্রতিনিধি সম্মেলন আয়োজনে ময়মনসিংহে আগমন সম্মেলন শেষে ঢাকা ফেরার পথে ত্রিশালে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ময়মনসিংহ দক্ষিন বিএনপির সাবেক আহবায়ক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা: মাহবুবুর রহমান এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর।


    শনিবার সন্ধায় ঢাকা ফেরার পথে এসময় ত্রিশালে মির্জা ফখরুল ত্রিশালে ডাঃ মাহমুবুবুর রহমান লিটন ও ত্রিশাল উপজেলা বিএনপি তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে সাক্ষাত করেন। এসময় ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এনামুল হক ভুইয়া, ত্রিশাল পৌর বিএনপির সভাপতি,  আলেক চান দেওয়ান, সধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মিলন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মুন্জুরুল ওয়াহেদ নিক্সন, জিয়াউল হক জামিল, আনিছুজ্জামান মৃর্ধা, আব্দুল আউয়াল ফরাজী ,আওয়াল আব্দুল মতিনসহ উপজেলা বিএনপি পৌর বিএনপির ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় কবি নজরুলের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় কবি নজরুলের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে প্রতিষ্ঠিত ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কবির ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
    ২৭ আগস্ট বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠিত নজরুল ভাস্কর্যে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। এসময় কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

    কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও তাঁর পরিবারের কল্যাণ কামনা করে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের যেসমস্ত সৃষ্টিকর্ম আছে তা হতে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করে বাস্তব জীনবে প্রতিফলিত করতে হবে। কবি নজরুলকে নিয়ে যে ধরণের গবেষণা হওয়া দরকার তা হয় নি। তাঁকে নিয়ে গবেষণা করার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্সটিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ আছে, তারা কাজ করছে। এছাড়া গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্রের মাধ্যমেও নজরুলের বিভিন্ন বিষয় বিশেষ করে যেগুলো নিয়ে এখনো গবেষণা হয় নি, সেগুলো নিয়ে গবেষণা করে আমাদের জ্ঞান ভান্ডারে যোগ করতে হবে।’

    কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকালে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স), পরিবহণ প্রশাসক প্রফেসর ড. আহমেদ শাকিল হাসমী, বিদ্রোহী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মো. সাইফুল ইসলামসহ শিক্ষক,শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

    এর আগে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে কোরআন খতম এবং বাদ যোহর দোয়া ও মিলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফ্তি মো. আব্দুল হাকীম। এছাড়া ৮৪তম রবীন্দ্র এবং ৪৯তম নজরুল মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামী ৩১ আগস্ট রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলায় কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

  • ত্রিশালে যাত্রীছাউনি না থাকায় ভোগান্তিতে যাতায়েত করা যাত্রীরা

    ত্রিশালে যাত্রীছাউনি না থাকায় ভোগান্তিতে যাতায়েত করা যাত্রীরা

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা – ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এপার ওপারে ত্রিশাল হতে ময়মনসিংহ যাওয়া এবং ত্রিশাল হতে ঢাকায় যাওয়া যাত্রীদের জন্য কোন যাত্রী ছাউনি না থাকার কারণে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে চলাচলকারী যাত্রীদের।
    প্রতিদিন প্রখর রোদ কিংবা হঠাৎ বৃষ্টিতে মারাত্মক সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের। বৃষ্টিতে ভিজে রোদে পুড়ে সড়কের পাশে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয় । এতে প্রতিদিন শতশত নারী পুরুষ ও শিশুরা দুর্ভোগের স্বীকার হন।
    সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল দরিরামপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গন্তব্যস্থল দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়াার জন্য শতশত নারী পুরুষ দূরপাল্লার যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ যাত্রী জেলার নান্দাইল, ঈশ্বরগঞ্জ, ফুলবাড়িয়া ও ত্রিশাল উপজেলার। এছাড়াও অন্যান্য জেলা উপজেলার কর্মজীবী লোকজন গার্মেন্টস শ্রমিক, সরকারি চাকুরিজীবী,সাধারণ মানুষ কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য বাসস্ট্যান্ড মোড়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করেন।
    যাত্রীরা পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলে দোকানীরা চরম বিরক্তবোধ হন। যার কারণে তাদের গন্তব্য স্থলের গাড়ি আসলে রোদ-বৃষ্টির মধ্যেই ছোটাছুটি করে তারা গাড়িতে ওঠে। জীবনের ঝুকি নিয়ে এভাবে ছোটাছুটির ফলে অনেক সময় যাত্রীরা দুর্ঘটনার শিকার হন। ভুক্তভোগী যাত্রীরা দরিরামপুর বাসস্ট্যান্ড মোড়ের সড়কের দুপাশে দুইটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণের দাবি জানান। দরিরামপুর
    বাস স্ট্যান্ড মোড়ের সড়কে ভোগান্তী নিয়ে যাত্রী আবুল হোসেনের সাথে কথা বললে আবুল হোসেন বলেন, আমি নান্দাইল থেকে এসেছি। পরিবারের লোকজন নিয়ে ঢাকায় যাব, ঘন্টাখানের সময় দাঁড়িয়ে আছি বসার কোন জায়গা নাই! বাস যাত্রী আমিনুল বলেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সীমাহীন কষ্ট করে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছি। ত্রিশাল উপজেলা সদরের অটো রিক্সাচালক কামাল হোসেন বলেন এই বাসস্ট্যান্ডে বৃষ্টির সিজনে যাত্রীদের অনেক কষ্টের শিকার হয়ে থাকে। নারী-পুরুষ যাত্রীরা অনেক সময় দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। গাড়ি আসলে দৌড়ে বৃষ্টির পানিতে ভিজে গাড়িতে উঠেন।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী জানান, পৌরসভা থেকে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অতি শীঘ্রই বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হবে