Blog

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ত্রিশালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে  মহড়া: সুষ্ঠু নির্বাচনের দৃঢ় প্রত্যয়

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ত্রিশালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহড়া: সুষ্ঠু নির্বাচনের দৃঢ় প্রত্যয়

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং জনমনে স্বস্তি ফেরাতে ময়মনসিংহের ত্রিশালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তার নেতৃত্বে এক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১২ জানুয়ারি সোমবার সকাল সোয়া এগারোটায় উপজেলা প্রশাসনে আয়োজনে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে এই মহড়াটি উপজেলা বৈলর, কালির বাজার, বালিপাড়া, রামপুর, চেলেরঘাট সহ বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
    উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হওয়া এই মহড়ায় নেতৃত্ব দেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান। মহড়ায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার, ফায়ার সার্ভিস লসদস্যরা অংশ নেন। এই মহড়া দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

    প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা রোধ করাই এই মহড়ার মূল লক্ষ্য। সাধারণ ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন এবং নির্বাচনী পরিবেশ যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে ব্যাপারে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন:”আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।

     

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন সাবেক উপাচার্য মোহীত উল আলম

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন সাবেক উপাচার্য মোহীত উল আলম

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম-এর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম ও তাঁর স্ত্রী আলিয়া সুরাইয়া মোহীত। ১২ জানুয়ারি সোমবার বেলা ১১টায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিস কক্ষে আসলে তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

    সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম তাঁর অতীত কর্মস্থল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমকে কৃতজ্ঞতার সাথে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দেশের সংকটময় সময়ে দায়িত্ব নিয়ে অত্যন্ত সফল ও শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিচালনা করার জন্য উপাচার্যের প্রশংসা করেন। উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম।

    এদিকে আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম-কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে পুনরায় পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। আলাপকালে মাননীয় উপাচার্য তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

    এসময় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, পরিবহণ প্রশাসক প্রফেসর ড. আহমেদ শাকিল হাসমীসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ সাক্ষাত করেন।

    উল্লেখ্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য হিসেবে গত ১৩ আগস্ট ২০১৩ হতে ১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখ পর্যন্ত চার বছর সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

  • বেগম জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দোয়া মাহফিল

    বেগম জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দোয়া মাহফিল

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ০৪ জানুয়ারি রবিবার বাদ যোহর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    এতে প্রধান অথিথি হিসেবে এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। দোয়া মাহফিলে প্রধান অথিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এক অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন এক উদার গণতান্ত্রিক নেত্রী। তিনিই দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছিলেন। এর ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে কয়েকটি ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। একইসাথে তিনি ছিলেন ঐক্যের প্রতীক। দল, মত, ধর্ম নির্বিশেষে তিনি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরও জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।’ তাঁর সেই আদর্শগুলো সবাইকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মাননীয় উপাচার্য। দোয়া মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এবং সাদা দলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান বক্তব্য রাখেন। দোয়া মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, প্রভোস্ট, প্রক্টর, পরিবহণ প্রশাসক, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং পরিবারের সবার শোক সইবার শক্তি প্রদানের জন্য মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্দুল হাকীম। উল্লেখ্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ মঙ্গলবার ভোর ৬:০০ ঘটিকায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

    বেগম জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দোয়া মাহফিল
  • বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফাল্গুন টিভি পরিবারের গভীর শোক প্রকাশ

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফাল্গুন টিভি পরিবারের গভীর শোক প্রকাশ

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার ভোর ৬ টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে ফাল্গুন টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে জাতির এক অপূরণীয় ক্ষতির কথা উল্লেখ করেন ফাল্গুন টিভি ২৪ এর চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম শামীম। উল্লেখ্য শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দীর্ঘ সময় দেশ ও জনগণের জন্য সংগ্রাম করেন এবং রাজনৈতিক জীবনে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তাঁর নেতৃত্ব, ত্যাগ এবং দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য অনুসরণীয় অবদান রাখায় বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি আর্থ্রাইটিস, হৃদরোগ, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৩ নভেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানেই আজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

  • ত্রিশালে ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ লিটনের মনোনয়ন পত্র দাখিল

    ত্রিশালে ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ লিটনের মনোনয়ন পত্র দাখিল

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গন ভোট ২০২৬ , নির্বাচনী এলাকা ১৫২ ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
    ২৯ ডিসেম্বর সোমবার বেলা ১২ টায় ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন তার মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা আরাপাত সিদ্দিকী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তাজুল রায়হান উপস্থিত ছিলেন।
    এ ছাড়া বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনের সাথে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এনামুল হক ভূইয়া, ত্রিশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলেক চান দেওয়ান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আতাউর রহমান শামীম, মুন্জুরুল ওয়াহাব নিক্সন,পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন মিলন উপস্থিত ছিলেন। ময়মনসিংহ দক্ষিন জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়াকে ঘিয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপির ও তার অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারন মানুষ ত্রিশাল পৌর এলাকায় অবস্থান করেন।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী।
    এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ হতে চির উন্নত মম শির এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
    পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, অনুষদীয় ডিন, শিক্ষক সমিতি, বিভিন্ন বিভাগ, বিভিন্ন হল, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ হতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিজয় শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
    বিজয় শোভাযাত্রা শেষে পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। সভায় উপাচার্য তাঁর বক্তব্যের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদমহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘মহান বিজয় দিবসের এই দিনটি আমাদের চির গৌরবের। যেসব কৃতিত্ব অর্জন করলে গৌরবান্বিত হওয়া যায়, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তেমনই একটি বিজয়ের মুহূর্ত। যেমন করে জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে ১৯৭১ সালে সবাইকে একত্রিত করেছিল তেমনিভাবে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে ২০২৫ সালের এই বিজয় দিবস তেমনি করে যেন অনাগত দিনের জন্য আমাদেরকে ঐক্যদ্ধ রাখে।’
    মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্য দূর করা। রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক শোষণ-নিপিড়ন দূর করা। বৈষম্যের চরম পরিণতিতে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করে। আমি মনে করি আজকের দিনেও ঐক্যব্ধ হতে হবে যেন সকল বৈষম্য থেকে মুক্তি পাই। ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ৭ কোটি জনসংখ্যা ছিল আর পশ্চিম পাকিস্তানে ৫ কোটি। অথচ সামরিক বাহিনীতে শতকরা ৯৫ ভাগ পশ্চিম পাকিস্তানীদের দখলে ছিল। তার মধ্যে আবার শতকরা ৬০ ভাগ পাঞ্জাবি থেকে, ৩৫ ভাগ পাঠান থেকে এবং মাত্র ৫ ভাগ পূর্ব পাকিস্তান থেকে। রাজনৈতিক দিক থেকে বলতে গেলে ১৯৭০ এর নির্বাচনে জয়লাভ করার পরও আমাদের অন্যায্যভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয় নি। সাংস্কৃতিক দিক থেকে আমাদের উপর অন্য রাষ্ট্রভাষা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের সাংস্কৃতিক বিকাশকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ভারত উপমহাদেশ স্বাধীন, সার্বভৌম ও স্বয়ং সম্পূর্ণ ছিল। কিন্তু ব্রিটিশরা এসে আমাদের উপর প্রভুত্ব করে বৈষম্য শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টেও বৈষম্যের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান ঘটে। এই বৈষম্য অব্যাহত থাকলে আবারও ২০২৪ এর পূণরাবৃত্তি হতে পারে। ১৯৭১ বা ২০২৪ এর শিক্ষা নিয়ে আমরা যেন ঐক্যবদ্ধ থাকি এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে স্বাধীন বাংলাদেশকে ন্যায়, সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন এক সুন্দর দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি এটাই আজ বিজয় দিবসের প্রত্যাশা।’
    আলোচনা সভায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও বিজয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ সুখন), সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, দোলন-চাঁপা হলের প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা, গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোহা. আজিজুর রহমান এবং কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে শিশুদের মধ্যে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন হলে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন ইভেন্ট এবং কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে কেক কাটা হয়। সবশেষে সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানমালা। উল্লেখ্য মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়েছে।

  • ত্রিশালে  রাস্তার পাশে পুকুর করায় কাদা খানাখন্দ কাদায় চলাচলে অনুপযুগী রাস্তায় জনদুর্ভোগ চরমে

    ত্রিশালে রাস্তার পাশে পুকুর করায় কাদা খানাখন্দ কাদায় চলাচলে অনুপযুগী রাস্তায় জনদুর্ভোগ চরমে

    ত্রিশালে রাস্তার পাশে পুকুর করায় কাদা খানাখন্দ কাদায় চলাচলে অনুপযুগী রাস্তায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে । রাস্তাটিতে চলাচলে অসহনীয় দুর্ভোগের শিকার শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী দুপুরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছেন।
    এই শুকনো মৌসুমেও বর্ষাকালের মতো কর্দমাক্ত তিন কিলোমিটার সড়ক মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের জয়দা ও মঠবাড়ীসহ কয়েক গ্রামের মানুষকে।
    অলহরী-মঠবাড়ী সড়কের তিন কিলোমিটার সংস্কার করা হয়েছিল পাঁচ বছর আগে। ফিশারির মাছ ও খাদ্যবাহী যানবাহন চলাচল, অপরিকল্পিত মাছের খামারে উঁচু করে পাড় বাঁধার কারণে বছর না পেরুতেই নষ্ট হয় সড়ক।
    দীর্ঘ সময়ে সড়কের কোনো সংস্কার কাজ না হওয়ায় বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি যানবাহন দূরের কথা, জনসাধারণের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি।
    তবুও ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এই দুর্ভোগ থেকে নিস্তার পেতে অলহরী-মঠবাড়ী বেহাল সড়কের পাশে জয়দা গ্রামে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন স্থানীয় শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী।
    সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে মাছের খামার। খামারের পাড়গুলো বাঁধা হয়েছে সড়ক থেকে দু-তিন ফুট উঁচু করে।মাছবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে পানি পড়ে বেহাল হয়ে পড়েছে সড়কটি। পিছলে পড়ার ভয় নিয়ে কর্দমাক্ত সড়ক মাড়িয়ে চলাচল করছে মানুষজন।
    জয়দা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফেরদৌস জানায়, বর্ষাকালে কাদাজলের কারণে স্কুলে যাওয়া-আসা একরকম বন্ধ ছিল। এই শুকনো মৌসুমেও প্রায় একই দশা।
    অটোরিকশা চালক নাজমুল হক বলেন, ‘এই রাস্তায় যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করা ঝুঁকিপূর্ণ। বড় বড় গর্ত থাকায় প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে গাড়ি। গাড়ির মোটর নষ্ট হয়ে গেলে সাত-আট হাজার টাকার ফেরে (ক্ষতির মুখে) পড়ি।’স্থানীয় বাসিন্দা মুঞ্জরুল হক জানান, অন্তঃসত্ত্বা নারী বা আশঙ্কাজনক রোগী নিয়ে বড় দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যান তারা। রাস্তার কারণে হাসপাতালে নিতে অনেক ভোগান্তি হয়।
    ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী জুবায়ের হোসেনের ভাষ্য, কয়েকটি খারাপ সড়ক সংস্কারে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই সড়ক বাদ পড়ে থাকলে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৫ পালিত হয়। ১৪ ডিসেম্বর রবিবার সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে কালো ব্যাজ ধারণ করে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধ¦নমিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং কালো পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী।

    এরপর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ হতে চির উন্নত মম শির এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। এরপর হল প্রভোস্ট ও শিক্ষক সমিতির পক্ষ হতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার শুরুতেই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

    শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আজ ১৪ ডিসেম্বর, শোকের দিন। ৫৪ বছর আগে চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র ২দিন আগে এদেশের সূর্য সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তবে দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী দেশের বিভিন্ন জায়গায় যার যার ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তিদের এদেশের দোসর এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমাদের সেই ক্ষত এখনো পূরণ হয় নি। সেইসকল বুদ্ধিজীবীগণ বেঁচে থাকলে দেশ আরও এগিয়ে যেত। তবে বিভাজন ও অনৈক্য এখনো সমাজে বিরাজমান রয়েছে। আমরা আমাদের বিবেক হারিয়ে ফেলেছি। আমরা শুধু ধণী হওয়ার প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছি। এখন সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভ মানেই ধণী হতে হবে যেকোন উপায়ে। আমাদের পরিবারও সন্তানদের শিক্ষা শেষে কীভাবে একটি বেশি আয়ের চাকুরী অর্জন করা যাবে সেই চিন্তায় মগ্ন। আমাদের বিবেকবোধকে জাগ্রত করে সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়ন হলেই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।’

    প্রধান অতিথি আরও বলেন, ‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত সংখ্যা কত তা এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয় নি। এপর্যন্ত ৪বার তালিকা প্রকাশ করেও সঠিক সংখ্যা বের করা যায় নি। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা ৫৬০ জন। যারা এই নির্মম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিল তাদের চিহ্নিত করে বিচারের মাধ্যমে শাস্তি প্রদানের আহŸাজ জানাচ্ছি।’ বাংলাদেশ যতদিন থাকবে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ততদিন থাকবে উল্লেখ করে মাননীয় উপাচার্য বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই আমরা শহীদদের আত্মত্যাগকে সার্থক করে তুলতে পারবো।

    আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন কমিটির আহŸায়ক বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল। আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা ও দোলন-চাঁপা হলের প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন অগ্নি-বীণা হলের প্রভোস্ট মো. হারুনুর রশিদ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, হলের প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

  • ত্রিশালে আন্তর্জাতিক দুনীতি বিরোধী দিবসে মানববন্ধন ও আলোচনা

    ত্রিশালে আন্তর্জাতিক দুনীতি বিরোধী দিবসে মানববন্ধন ও আলোচনা

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ লক্ষে মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় উপজেলা পরিষদের সামনের রাস্তায় মানববন্ধনে প্রায় দুই শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী,শিক্ষক ও সুধীজন অংশগ্রহণ করেন। পরে উপজেলা পরিষদের রাশেদুজ্জামান হলরুমে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী। ত্রিশাল উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এ.কে.এম কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশণার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মফিজুল ইসলাম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান সবুজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ মাহবুব হাসান এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক এ এইচ এম জোবায়ের হোসাইন।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ত্রিশাল মুক্ত দিবস উদযাপিত

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ত্রিশাল মুক্ত দিবস উদযাপিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ত্রিশাল মুক্ত দিবস উদযাপিত হয়। ০৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

    এরপর বিজয় র‌্যালী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চির উন্নত মম শির- এ এসে শেষ হয়। বিজয় র‌্যালী শেষে মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারীদের গভীর শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ হতে চির উন্নত মম শির এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘যেসকল মুক্তিযোদ্ধারা জীবন দিয়েছেন, অর্থ দিয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এবং তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ত্রিশালবাসী এই দিনটাকে যেভাবে অনুভব করেছিল আজকে আমরা সেভাবে না হলেও আমাদের মধ্যে সেই চেতনা আছে। এই ডিসেম্বর মাস হতে আমরা আমাদের ক্ষমতা ফিরে পেতে শুরু করি। ১৯৭১ সালে বাঙালি সর্বপ্রথম একত্রিত হয়, এর আগে কখনো এভাবে একত্রিত হয় নি। রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনা ছিল, স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে এই দিবসে আমরা সেখান থেকে পরিত্রাণ পেতে শুরু করি। আর ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয়ের মাধ্যমে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়। ত্রিশাল মুক্ত দিবস ও বিজয় দিবসের মধ্য দিয়ে আমরা যে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক মুক্তিলাভ করেছি ভবিষ্যতেও তা অক্ষুন্ন রেখে প্রকৃত বাংলাদেশী হিসেবে আমরা যেন স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে পারি এই কামনা করছি।’

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা এবং বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন এবং ত্রিশাল মুক্ত দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন এবং ত্রিশাল মুক্ত দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন কমিটির সদস্য-সচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মো. আশরাফুল আলম, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।