Blog

  • ত্রিশালে রাজনৈতিক মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ গ্রেফতার

    ত্রিশালে রাজনৈতিক মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ গ্রেফতার

    অবশেষে রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার হলেন ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ৭ নং হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পলাতক ছিলেন। ২৬ নভেম্বর বুধবার দুপুরে ত্রিশাল থানার পুলিশ এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। চেয়ারম্যান আবু সাঈদকে তার নিজ বাড়ির পাশ থেকেই আটক করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে। ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর আহাম্মদ এই গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান,”আবু সাঈদ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • অধ্যাপক হলেন ডাঃ মোহাম্মদ রেজাউল করিম তালুকদার (রঞ্জু)

    অধ্যাপক হলেন ডাঃ মোহাম্মদ রেজাউল করিম তালুকদার (রঞ্জু)

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোমেডিসিন ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোহাম্মদ রেজাউল করিম তালুকদার (রঞ্জু) (১১২৯২৬) সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক (গ্রেট -৩) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ হয়।এবং পদোন্নতি প্রাপ্তদের আগামী ৩০ নমেম্বও এর মধ্যে যোগদান পত্র স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে সরাসরি অথবা মেইলে প্রেরণ করতে বলা হয়েছে ।দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা সেবায় নিবেদিত এই চিকিৎসক তার দক্ষতা, সততা ও পেশাগত নিষ্ঠার মাধ্যমে রোগীদের আস্থা অর্জন করেছেন। নিউরোলজি বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা ও একাগ্রতা তাকে এই পদোন্নতির জন্য বিশেষভাবে যোগ্য করে তুলেছে। পদোন্নতির খবরে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও রোগীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। অনেকেই তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ও আগামীর পথচলার জন্য শুভকামনা জানান। নবনিযুক্ত অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ রেজাউল করিম তালুকদার বলেন, এই পদোন্নতি শুধু স্বীকৃতি নয়, এটি আমার দায়িত্ব কে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি চেষ্টা করবো আরও নিবেদিতভাবে চিকিৎসা ও শিক্ষা—দুই ক্ষেত্রেই ভূমিকা রাখতে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, সহকর্মী চিকিৎসক এবং চিকিৎসা শিক্ষার্থীরা তার পদোন্নতিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

  • ত্রিশালে ডা. লিটনের ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ প্রচার ও  গন সংযোগ

    ত্রিশালে ডা. লিটনের ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ প্রচার ও গন সংযোগ

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ময়মনসিংহের ত্রিশাল বাজারে সাধারন মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে ৩১ দফার লিফলেট বিতরন করা হয়। ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপির ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ময়মনসিংহ দক্ষিন জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন রোববার সন্ধ্যায় ত্রিশাল পৌর শহরে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারন ভোটারদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন। এসময় তিনি ত্রিশাল মেইন বাজারের ব্যবসায়ীরে দ্বারে দ্বারে যান এবং তাদের সঙ্গে কৌশল বিনিময় করেন এবং সাধারণ ভোটারদের মাঝে গন সংযোগ ও ৩১ দফা কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ করেন। ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করার লক্ষ্যে এই গণসংযোগে ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন সাধারন ভোটার ও ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদানের জন্য আহবান জানান। গণসংযোগ চলাকালীন উপস্থিত ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলেই দেশে সুখ ও সমৃদ্ধি ফিরে আসবে।” তিনি সাধারন ভোটার ও ব্যবসায়ীদের আরও বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নেতা-কর্মীরা যে হামলা, মামলা, জুলুম ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন, জনগণ এবার তাদের গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সেই জবাব দেন।” এই গণসংযোগে ত্রিশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলেক চান দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন সহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা: সভাপতি আরাফাত, সম্পাদক আশিক

    ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা: সভাপতি আরাফাত, সম্পাদক আশিক

    দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ত্রিশাল উপজেলা শাখার আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রদলের এই কমিটি অনুমোদন দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা শাখার সভাপতি মো. আজিজুল হাকিম আজিজ এবং সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন। তাদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত কমিটির নেত…বৃন্দের নাম প্রকাশ করা হয়। কমিটিতে সভাপতি মো. ইয়াসির আরাফাত সাধারণ সম্পাদক আশিক মাহবুব, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম সিজান, সিনিয়র সহ-সভাপতি: অন্তর রহমান জিসান, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম রাতুল, রাকিবুল হাসান রাশেদ, হাফিজুল ইসলাম। সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: আশিকুর রহমান মণ্ডল। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সাজিদ, মেহেদী হাসান, শাহরিয়ার ইমন সায়েম। দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সাগর, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক: সাজ্জাদ হোসেন পলাশ, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক: মোবারক হোসেন ফরহাদ, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক: জান্নাতুল ফেরদৌস সামিরা। কমিটিতে সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন তান্নিম আহমেদ সানি, সাব্বির আহমেদ, জোয়াবেত হোসেন আশিক, আরিফুল হক নবী, রাজিব মজুমদার, আনাছ হাসান অপু, মো. হোসাইন শেখ এবং আরমান হোসাইন ভূঁইয়া।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব দর্শন দিবস উদযাপিত

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব দর্শন দিবস উদযাপিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের আয়োজনে বিশ্ব দর্শন দিবস- ২০২৫ বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে ২৩ নভেম্বর রবিবার বেলা ১১টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘দর্শনের শিক্ষার্থী না হয়েও বিশ্ব দর্শন দিবস- ২০২৫ এর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করতে পেরে গর্ববোধ করছি। এই আলোচনা সভায় বিজ্ঞ দার্শনিকদের নিকট থেকে নতুন কিছু জ্ঞানের সাথে পরিচিত হতে পেরেছি। জানতে পেরেছি সমাজবিজ্ঞানের সাথে দর্শনের একটি যোগসূত্র আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দর্শনের শিক্ষার্থী যারা যত বেশি অর্ন্তদৃষ্টি দিয়ে সমাজকে দেখবে ততো বেশি সমাজে সাম্য আনতে এবং অসমতা দূর করতে সক্ষম হবে। প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞান, দর্শন, ধর্ম সবকিছুই সমাজের কল্যাণের জন্য। আমি আশা করি এই দর্শনের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে নোয়াম চমস্কি বা এডওয়ার্ড সাঈদের মতো বের হয়ে আসবে এবং আজকের বিভাজিত সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠা করে শান্তি ও সমৃদ্ধির সমাজ গড়তে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।’ প্রধান অতিথি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘দর্শন বিজ্ঞান ও ধর্ম একে অপরের সাথে সম্পৃক্ত। কারণ দর্শন, বিজ্ঞান ও ধর্ম জীবন ও জগৎ নিয়ে কাজ করে। বিজ্ঞান পর্যবেক্ষণ ও পরিক্ষণ করে, দর্শন যৌক্তিকভাবে আলোচনা করে ও কার্যকারণ নির্ণয় করে আর ধর্ম বিশ্বাস স্থাপন করে। বিশ্বে কোনকিছুই কারণ ছাড়া ঘটে না। বিজ্ঞানের মাধ্যমে সবকিছুর পর্যবেক্ষণ ও পরিক্ষণের মাধ্যমে বের করা সম্ভব হয় না। তখন দর্শনের মাধ্যমে তার যৌক্তিক কারণ বের করা হয়। সুতরাং বিজ্ঞানের যেখানে সীমাবদ্ধতা থাকে সেখানে দর্শন কিছু উত্তর নিয়ে আসে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একজন মানুষ যেমন একইসাথে বাবা, ভাই ও শিক্ষক হতে পারে তেমনি একজন মানুষ একইসাথে দার্শনিক, বিজ্ঞানী ও ধার্মিক হতে পারে। তবে তার ভূমিকা ও প্রেক্ষিত ভিন্ন হবে।’
    আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন গেøাবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের মাননীয় উপাচার্য ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘প্রতিটা বিভাগের শুরুই হয় দর্শন দিয়ে। সুতরাং দর্শন দিবসের অর্থ শুধু দর্শন বিভাগ খোলা না। ২০০২ সালে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে বিশ্ব দর্শন দিবস ২৩ নভেম্বর নির্ধারিত হয়। কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যখন তার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলতে বসে তখন জাতিসংঘ একটি দিবস ঘোষণা করে গুরুত্ব ফিরিয়ে আনার জন্য। বাবা-মা অনেক গুরুত্বপূর্ণ হলেও আজকের সমাজে তাদের গুরুত্ব কমে যাওয়ায় বাবা দিবস বা মা দিবস ঘোষণা করেছে। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে দর্শনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আজ বিশ্বে গুরুত্ব কমে যাচ্ছে বিধায় ইউনেস্কো বিশ্ব দর্শন দিবস ঘোষণা করেছে।’
    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের প্রফেসর মো. জাকির হোসেন এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ‘বিশ্ব দর্শন দিবস ২০২৫’ উদযাপন কমিটির আহবায়ক মো. তারিফুল ইসলাম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন দর্শন বিভাগের প্রভাষক ও ‘বিশ্ব দর্শন দিবস ২০২৫’ উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব মো. খাইরুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দর্শন বিভাগের প্রভাষক শায়লা ইসলাম নীপা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টর, প্রভোস্ট, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
    বিশ্ব দর্শন দিবস- ২০২৫ উপলক্ষ্যে দর্শন বিভাগের প্রভাষক শুভ চন্দ্র ঘোষ সম্পাদিত ‘বিশ্ব দর্শন দিবস স্মরণিকা- ২০২৫’ এর মোড়ক উম্মোচন করা হয় এবং মঞ্চে কেক কাটা হয়। এছাড়া দিবসটি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে নতুন কলা ভবনের সামনে থেকে আনন্দ র‌্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

  • ত্রিশালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: এক কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

    ত্রিশালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: এক কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের ত্রিশাল ভাটিপাড়া আকন্দ বাড়ির সামনে একটি গোডাউন এবং সংলগ্ন একটি আবাসিক বাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
    ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গোডাউন ও সংলগ্ন বাসভবনের ১৩টি কক্ষ এবং তার ভেতরের সমস্ত আসবাবপত্র সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
    গোডাউনে মূলত রাইস কুকার, ট্রাঙ্ক এবং প্লাস্টিকের আসবাবপত্র মজুত ছিল। অগ্নিকান্ডে পুড়ে যাওয়া গোডাউন ও আবাসিক বাসার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন গোডাউন মালিক রুহুল আমিন। গোডাউন মালিক রুহুল আমিন জানান, “অগ্নিকাণ্ডে আমাদের গোডাউনের সব মাল পুড়ে গেছে এবং বাসার ১৩ রুমের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। যার ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি টাকা।ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সাথে এলাকাবাসীও সহযোগিতা করে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
    ত্রিশাল ফায়ার স্টেশন অফিসার সাদিকুল রহমান বলেন, আগুনের সূত্রপাত কি ভাবে ঘটেছে তা জানা যায়নি এবং
    ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করে জানানো হবে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকিউল বারী এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন।
    এ সময় ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকিউল বারী অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সরকারিভাবে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের টিপিএস বিভাগ ও ব্র্যাকের সেলপ এর  দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের টিপিএস বিভাগ ও ব্র্যাকের সেলপ এর দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ (টিপিএস) বিভাগ ও ব্র্যাক-এর সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি (সেলপ) এর মাঝে দ্বি-পাক্ষিক এক সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন টিপিএস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. কামাল উদ্দীন এবং ব্র্যাক-এর সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির পক্ষে স্বাক্ষর করেন উক্ত কর্মসূচির সহযোগী পরিচালক শাশ্বতী বিপ্লব। বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের কক্ষ সংলগ্ন কনফারেন্স কক্ষে ১৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ বুধবার দুপুরে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো জনপ্রিয় থিয়েটার কার্যক্রমকে একাডেমিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত করা এবং গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সৃজনশীল আদান-প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক প্রভাব বিস্তার করা। চুক্তি অনুযায়ী উভয় প্রতিষ্ঠান সৃজনশীল উদ্ভাবন, মিউচুয়াল লার্নিং, গবেষণা, থিসিস, যৌথভাবে স্ক্রিপ্ট তৈরি, ইন্টার্নশশিপ, ফিল্ড ভিজিট এবং সম্মিলিত পারফরম্যান্স উন্নয়নে একসাথে কাজ করা। এই চুক্তির মাধ্যমে ব্র্যাকের জনপ্রিয় থিয়েটার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের নাট্যচর্চাআরো ফলপ্রসূ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টগণ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই চুক্তি একবছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়। তবে ভবিষ্যতে কিছু শর্ত পরিবর্তন করে আবারও চুক্তি নবায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদে করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. কামাল উদ্দীন। চুক্তি স্বাক্ষরকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. ইসমত আরা ভূঁইয়া ইলা, সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ মামুন রেজা ও মো. আল্ জাবির, সহকারী অধ্যাপক নুসরাত শারমিন তানিয়া ও মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার, প্রভাষক কৃপাময় কর ও রুদ্র সাওজাল এবং ব্র্যাক-এর সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির সমন্বয়ক পলাশ কুমার ঘোষ, ব্যবস্থাপক কল্লোল বড়ুয়া, জোনাল ম্যানেজার সাজ্জাদুজ্জামান চৌধুরী, জেলা ব্যবস্থাপক মো. নূরুজ্জামান ও এই কর্মসূচির জনপ্রিয় থিয়েটারের সিনিয়র অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান।

  • ময়মনসিংহে কাফনের কাপড় পরে অনশনে নটর ডেম কলেজের বহিষ্কৃত ৭ শিক্ষক

    ময়মনসিংহে কাফনের কাপড় পরে অনশনে নটর ডেম কলেজের বহিষ্কৃত ৭ শিক্ষক

    ময়মনসিংহের নটর ডেম কলেজের বহিষ্ক.ত সাত শিক্ষক কাফনের কাপর পরে আমরণ অনশনে বসেছেন। কলেজ প্রশাসনের অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচছাচারিতা এবং অবৈধ বহিষ্কারের প্রতিবাদে এই অনশন কর্মসূচি পালন করছেন তারা । ১৯ নভেম্বর বুধবার দুপুর থেকে কলেজ প্রাঙ্গনে কাফনের কাপড় পরে এই সাত আমরণ অনশন শুরু করেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আমরণ অনশণের হুঁশিয়ারি দেন সাত শিক্ষক। অনশনে অংশ নেওয়া শিক্ষকরা সাদা কাফনের কাপড় বেঁধে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।অনশনে নেতৃত্ব দেন বহিষ্কৃত রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মোস্তাফিজার রহমান রানা। তার সঙ্গে অনশনে বসেছেন ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রভাষক জহিরুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মাহামুদুল হাসান মামুন, জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মাহমুদ হাসান এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম। অনশন চলাকালে কলেজের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সংহতি জানিয়ে উপস্থিত হন। বহিষ্কৃত শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, কলেজের প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম রয়েছে। দীর্ঘ দশ বছর ধরে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও একাধিক শিক্ষককে প্রমোশন দেওয়া হয়নি, যেখানে প্রতি পাঁচ বছর পরপর প্রমোশনের নিয়ম রয়েছে। কলেজের অভ্যন্তরে তথ্য গোপন, জবাবদিহিতার অভাব, একচেটিয়া প্রশাসনিক কর্তৃত্ব ও পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত কলেজ পরিচালনায় চরম সংকট তৈরি করেছে। এছাড়া বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম-অসদাচরণের প্রমাণও রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। শিক্ষকদের দাবি, এর আগে আন্দোলনের মুখে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের প্রাপ্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা ফেরত দিলেও এরপর থেকে আন্দোলনকারীদের ওপর নানাভাবে চাপ, হয়রানি ও ভয়ভীতি তৈরি করা হয়। পরে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক সকল সমস্যার সমাধান করলেও অধ্যক্ষ ড. ফা. থাদেউস হেম্ব্রম জেলা প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে সাতজন শিক্ষককে বহিষ্কার করেন।
    অনশনে বসা শিক্ষকদের দাবি, বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার, মিথ্যা অভিযোগ বাতিল, স্বচছ তদন্ত কমিটি গঠন এবং বকেয়া পাওনা পরিশোধসহ ছয় দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই আমরণ অনশন চলবে। তারা বলেন, “এ লড়াই আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। দাবি মানা না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।

  • জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৭ নভেম্বর সোমবার সকালে পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
    প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রধান অতিথি হিসেবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা মোবাইল বা কম্পিউটার খুললেই এ আই-এর প্রসপেক্ট সামনে চলে আসে। বর্তমান বিশ্বে এ আই সকলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তবে যারা শিক্ষকতায় আছেন তাদের জন্য কত বেশি জরুরি তা এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জানতে পারবেন এবং সর্বশেষ ও গভীরভাবে জ্ঞানার্জন করতে পারবেন। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পাঁচটি সেশনের মধ্য দিয়ে আপনাদের ব্যক্তিগত উৎকর্ষতাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবেন। প্রশিক্ষণে সকলেই পারস্পরিক অংশগ্রহণমূলক করে নতুন জ্ঞানার্জন করবেন। এ আই যেহেতু অত্যন্ত সম্ভাবনাময় তাই এবিষয়ে ভবিষ্যতে আরো বিস্তারিতভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী এবং বিডিরেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সি.ই.ও) মো. তাওরিত। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিকক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ। বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিডিরেনের সিস্টেম এন্ড সার্ভিসের জেনারেলম্যানেজার খন্দকার রাশেদুল আরেফিন, ইনোভেশনের ম্যানেজার আবু নাসের মো. নাফিউ এবং ড. এম হোসাম হায়দার চৌধুরী। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইকিউএসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সাহাবউদ্দিন। প্রশিক্ষকণ কর্মশালার উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃ বিভাগ ও আন্তঃ অনুষদ মিনিবার ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃ বিভাগ ও আন্তঃ অনুষদ মিনিবার ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো মিনিবার ফুটবল আন্তঃ বিভাগ (ছাত্র) এবং আন্তঃ অনুষদ (ছাত্রী) প্রতিযোগিতা- ২০২৫ শুরু হয়েছে।
    এই প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। ১৬ নভেম্বর রবিবার নতুন প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ল নতুন ছোট খেলার মাঠে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধনীপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান।
    অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপ¯ি’ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান। এসময় ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপত্মরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপ¯ি’ত ছিলেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরর্চচা শিক্ষা দপ্তর কর্ত…ক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ টি বিভাগের ২৫ টি দল (ছাত্র) এবং ৬টি অনুষদের ৬টি দল (ছাত্রী) অংশগ্রহণ করছে। উদ্বোধনী খেলায় এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগ জয়লাভ করে। আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ রবিবার একই মাঠে ফাইনাল খেলা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।