বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকার ঘোষিত নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুল বর্ষ বক্তৃতামালা-১ ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবেলায় নাগরিকদের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা ত্রিশালের সাখুয়া শেখ বাজার সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ পরিবেশিত হবে কালান্তরের বাংলা নাটক পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি সীমান্তে বিজিবির ওপর ‘হামলা’, গুলিতে ‘চোরাকারবারি’ নিহত সরকার ঘোষিত নজরুল বর্ষ উদ্যাপন: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্বোধন করলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদ্যাপিত র‌্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ এর মধ্য দিয়ে ত্রিশালে কন্যাশিশু দিবস উৎযাপিত ত্রিশালে ফ্যামিলি কার্ড প্রথম পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু, বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের সংবাদ সম্মেলন।

ত্রিশালে ভাঙা ঘরে বৃদ্ধা সমেলা, শেষ বয়সে চান একটু আশ্রয়

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৫ সময় দেখুন

মাথার ওপর ভাঙা চাল আর বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতরে টপটপ করে পানি পড়ার শঙ্কায় দিন কাটে ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কেরানি বাড়ি মোড় এলাকার বৃদ্ধা সমেলা খাতুনের (সবুজের মা)। বয়সের ভার ও নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগলেও অভাব-অনটনের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি। জীবনের শেষ সময়ে এসে মাথার ওপর একটু টেকসই ছাউনি ও একটি ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সরকারের মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন এই বৃদ্ধা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩০ বছর আগে স্বামী সুরুজ আলীকে হারান সমেলা খাতুন। অনেক কষ্টে তিন ছেলে ও দুই মেয়েকে বড় করলেও প্রায় ১০ বছর আগে বড় ছেলে সবুজ মিয়াও মারা যান। অন্য ছেলে-মেয়েরা জীবিত থাকলেও অভাব-অনটনের কারণে তাঁদের পক্ষে মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে বৃদ্ধ বয়সে নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি বড় ছেলের এতিম মেয়েদের দেখাশোনার দায়িত্বও সমেলা খাতুনকে একা বহন করতে হচ্ছে।

সমেলা খাতুন আক্ষেপ করে জানান, বিধবা ও বয়স্ক ভাতার আবেদন করেও এখন পর্যন্ত তিনি কোনো সহায়তা পাননি। সামান্য বসতভিটা থাকায় অনেক সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হলেও বাস্তবে তা থেকে সংসার চালানোর মতো কোনো আয় আসে না। ভাঙা ঘরের কারণে বৃষ্টির রাতে বিনিদ্র রজনী কাটাতে হয় জানিয়ে তিনি বলেন, অসুস্থ থাকলেও ওষুধ কেনার অর্থ নেই; সরকার যদি সঠিক তদন্ত করে একটি ফ্যামিলি কার্ড ও থাকার উপযোগী ঘর দেয়, তবে শেষ বয়সে একটু শান্তিতে থাকতে পারবেন।

এলাকাবাসীর দাবি, সরেজমিনে সমেলা খাতুনের অসহায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত একটি টেকসই ঘর, ফ্যামিলি কার্ড ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা প্রয়োজন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD