ঘটনার তদন্তে নিহতের স্বামী সোহেল রানাকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে ঘটনাস্থলের ভেতরের বারান্দায় পাওয়া জুতার ছাপের সঙ্গে বাসায় থাকা একজোড়া জুতার মিল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জুতাটি সোহেল রানার বলে তিনি স্বীকার করেছেন বলেও দাবি পুলিশের।
এদিকে জানালার গ্রিল কাটা থাকলেও দিনের বেলায় গ্রিল কাটার শব্দ বা আশপাশে সন্দেহজনক কাউকে দেখার কথা কেউ জানেননি বলে তদন্তে উঠে এসেছে। নিহতের ১০ বছর বয়সী মেয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে তার মা স্বাভাবিকভাবে বিছানা থেকে ওঠেননি। পরে স্কুল থেকে ফিরে সে মায়ের নিথর দেহ দেখতে পায়।
পিনুর পরিবারের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্বামী সোহেল রানার মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন। পরিবারের দাবি, পিনু একাধিকবার ফোনে কান্নাকাটি করে স্বামীর কাছ থেকে প্রাণনাশের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছিলেন। এমনকি অতীতে মারধরের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন বলেও দাবি পরিবারের।
তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। তদন্ত ও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সোহেল রানাকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।