Author: admin

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘HEAT ATF Sub-Project Proposal Writing (Phase-2)’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ শুরু

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘HEAT ATF Sub-Project Proposal Writing (Phase-2)’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ শুরু

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের গবেষণা প্রস্তাবনা প্রস্তুতকারী শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ‘HEAT ATF Sub-Project Proposal Writing (Phase-2)’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ০৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকালে পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

    প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বিগত হিট প্রজেক্টের ফলাফল নিয়ে পর্যালোচনা করে আইকিউএসির সাথে আলোচনা করে আজকের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে তা এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনেকটাই অর্জিত হবে, যার মাধ্যমে আমাদের সহকর্মীরা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভালো ফলাফল নিয়ে আসবে। পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে আপনাদের জিজ্ঞাসাগুলো রিসোর্স পার্সনের নিকট থেকে জেনে নিয়ে ভালো গবেষণা প্রস্তাবনা জমা দিতে পারবেন বলে আশা করছি।’ আয়োজক আইকিউএসি এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

    প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. এম. জাকির সাদউল্লাহ খান।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইকিউএসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সাহাবউদ্দিন। প্রশিক্ষকণ কর্মশালার উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা । আগামী ০৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক প্রফেসর ড. মো. তোফাজ্জল ইসলাম।

  • ত্রিশালে সাংবাদিকদের নির্বাচনী  রিপোর্টিং ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক কর্মশালা

    ত্রিশালে সাংবাদিকদের নির্বাচনী রিপোর্টিং ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক কর্মশালা

    ময়মনসিংহ ত্রিশাল উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে নির্বাচনী রিপোর্টিং, ফ্যাক্ট চেকিং ও ডিজিটাল ভেরিফিকেশন বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার উপজেলা চত্বরে ত্রিশাল অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
    সকাল ১০ টায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী।
    ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নোমান এর সঞ্চালনায় ও ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি খোরশিদুল আলম মজিবের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল রহমান,
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল রহমান বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক, নিরপেক্ষ ও যাচাই করা তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে জনগণের আস্থার জায়গায় থাকতে হবে।
    তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন, তবে কোনো প্রকার গুজব, অপপ্রচার কিংবা অযাচাইকৃত তথ্য প্রকাশ করবেন না । উদ্বোধনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো প্রার্থী বা দলের পক্ষে কিংবা বিপক্ষে পক্ষপাতমূলক সংবাদ পরিবেশন করবেন না। কর্মশালায় আলোচকরা জানান, ত্রয়োদশ সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ্ আল মোতাহসিম বলেন নির্বাচনে সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ও সার্বিক পরিস্থিতি সংবাদ আকারে তুলে ধরতে পারবেন,সেইক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে। অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন,ভোট গ্রহণে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়াতে পারবেন না।ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে এমন সংবাদ বা মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকবেন। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকরা প্রসঙ্গে সহকারী অধ্যাপক জাককানইবি সাবরিনা মেহরীন রাহা তার বক্তব্যে নির্বাচনী রিপোর্টিংয়ে ফ্যাক্ট চেকিং টুল, ছবি ও ভিডিও যাচাইয়ের কৌশল এবং ভুয়া তথ্য শনাক্ত করার বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা করেন ।
    কর্মশালায় ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

  • এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ত্রিশালবাসী কেনো ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিবেন

    এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ত্রিশালবাসী কেনো ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিবেন

    নির্বাচনী এলাকা ১৫২ ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনে ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভাসহ ১২ ইউনিয়নের সকল ধর্মের ভোটাররা সকলে মিলে আমরা ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিয়ে কেনো জয়যুক্ত করবো।
    বাংলাদেশের অনেক উপজেলায় রাস্তাঘাট,স্কুল কলেজসহ অবকাঠামো উন্নয়ন লক্ষ্যনীয় হলেও ৩ হাজার ৩শ বর্গ মাইল আয়তন ও ৪ লাখ ৩ হাজার ৪৯ মোট ভোটারের ত্রিশাল উপজেলায় এখনো তেমন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। দীঘদিন ধরে অবহেলিত ত্রিশালবাসী ১২ ফেবব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এমনি অবস্থানে থাকা ত্রিশাল উপজেলার উন্নয়ন এর স্বপ্ন দেখছেন ত্রিশাল উপজেলা বাসী।
    ২০০১ হতে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় থাকাবস্থায় ডাঃ মাহবুবুর রহমান ত্রিশাল উপজেলার বিএনপির আহবায়ক হয়ে কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভুমিকা রাখাসহ ত্রিশালের রাস্তাঘাট,স্কুল কলেজ,মসজিদ মাদ্রাসাসহ অবকাঠামোর রেকর্ড পরিমান উন্নয়ন কাজ সাধন করেছিলেন।
    দীর্ঘদিন পর ত্রিশাল উপজেলা বাসীর উন্নয়নের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতেই ত্রিশালের ভোটাররা দল মত নির্বিশেষে সৎ যোগ্য ও ত্রিশাল বাসীর উন্নয়নে নিবেদিত প্রান পরীক্ষিত ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
    কেনো বিএনপির ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন কে ত্রিশালবাসী ভোট দিবেন এব্যাপারে ব্যবসায়ী সারোয়ার বলেন ত্রিশাল উপজেলা সদর হতে ১২ ইউনিয়নে য়াতায়াতের জন্যে ২/৩ টা রাস্তা ছাড়া বাকী ইউনিয়নে য়াতায়তের জন্যে কোনো ভালো রাস্তা নাই এবং ত্রিশালবাসী রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার ও কোনো ভালো রাস্তা নাই। বর্ষাকালে সাধারন মানুষের দুর্ভোগের সীমা রেখা থাকেনা । নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসতেছে ত্রিশাল আসনে বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন একজন যোগ্য প্রার্থী কেন্দ্রে ও তার আবস্থান খুব মজবুত ডাঃ লিটন নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি ৫ বছরে ত্রিশালের সকল রাস্তাঘাট পাকা করবেন বলে ত্রিশালবাসী এখন শুধু বিশ্বাস ই করেন না ত্রিশাল বাসীর উন্নয়ন য়ে ডাঃ লিটন করবেন তা ত্রিশাল বাসী বিশ্বাস ও করেন । শুধুই ত্রিশালের রাস্তাঘাট নয় তিনি স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসা মন্দিরসহ সকল অবকাঠামো উন্নয়ন সাধন করতে পারবেন বলেই আমি ডাঃ লিটন কে ভোট দিবো, পাশাপাশি এটাও আশারাখি ত্রিশাল বাসী ডাঃ লিটন কে ভোট না দিয়ে এই ভুল করবে না য়ে ভুল করলে ত্রিশালের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হয়। ত্রিশালের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা ত্বরাম্বিত করতেই আমরা এবার ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিবো।


    কেনো ডাঃ মাহবুবুর রহমানকে ধানের শীষে ভোট দিবো এব্যাপারে সনাতন সম্প্রদায় নেতা নয়ন চন্দ্র মোদক জানান-সবাই বলে আমরা সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষ আওয়ামীলীগকে ভোট বেশীর ভাগ দিয়ে থাকি এটা অনেকাংশে ঠিক, এটাও ঠিক এবার আমরা সনাতন সম্প্রদায় ত্রিশাল পৌরসভাসহ ত্রিশালের ১২ ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের আমাদের প্রায় ৩০ হাজার ভোটার আমাদের সনাতন সম্প্রদায়ের বিশ্বস্থ ও পরীক্ষিত নেতা যিনি সেই ২০০১ সাল হতে ত্রিশাল পৌরসভাসহ ত্রিশাল উপজেলায় মসজিদেও উন্নয়নের পাশাপাশি সকল মন্দির উন্নয়নের কাজসহ ত্রিশালে সনাতন সম্প্রদায়ের পাশে সুখে দুখে পাশে থেকেছেন এখনো থাকেন বিএনপির ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন। এবার আমাদের ত্রিশাল আসনে য়ারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের মধ্যে সব চাইতে যোগ্য তিনি আমরা যদি তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত না করি এবার ত্রিশালবাসী আগের মতো উন্নয়ন হতে বঞ্চিত হবে,তাই এবার আর আমরা এই ভুল করতে চাই না বলেই সনাতন সম্প্রদায়ের ভোট গুলো ধানের শীষের মার্কায় প্রদান করতে চাই।
    সনাতন সম্প্রদায় নেত্রী গীতা রায় বলেন-বিএনপি এবার সরকার গঠন করলে আমাদের মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করবেন। মাসে প্রতি কার্ডের বিপরীতে মহিলাদের ২ হাজার ৫ শত টাকা দিবেন এতে আমার মতো হাজার হাজার মহিলার দারিদ্রতা অনেকাংশে দূর হবে, মাসে ২ হাজার ৫ শত টাকা আমার পরিবারের চলার নিশ্চয়তাও প্রদান করবে, তাই আমি ভোট দিবো ও আমার পরিবার ও আমার সম্প্রদায়ের সকলকে বলবো বিএনপি কে ভোট দিতে, বিএনপিকে জয়যুক্ত করতে হলে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আমাদের ত্রিশালের সনাতন সম্প্রদায়ের উন্নয়নে আপতে বিপদে সব সময় পাশে থাকার মানুষ ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।
    ত্রিশালের সদর ইউনিয়নের ছলিমপুর গ্রামের এক আবদুল হালিম বলেন-বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকদের কে কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষি কাজের সার,ব্রীজসহ কৃষকদের সরকারী সকল সুবিধা প্রদান করবেন। তাই আমি আমার ও সকল কৃষকদের স্বার্থে কাজ করার জন্যে যিনি দীঘৃদিন যাবৎ ত্রিশালবাসীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন সৎ যোগ্য রাজনীতিবিদ ডাঃ লিটনকে ধানের শীষ মাকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে চাই।
    রিয়াজুল ইসলাম বলেন-বিএনপি বাংলাদেশের সাধারন মানুষের জন্যে স্বাস্থ্য সেবা কার্ড প্রদান করবে,এই কার্ডের মাধ্য্যমে এদেশের মানুষ দ্রুত সঠিক স্বাস্থ্য সেবা পাবে এই কার্ডের মাধ্যমে আমিও আমার পরিবার ঘরে বসেই প্রাথমিক পযায়ের স্বাস্থ্য সেবা পাবো। এই স্বাস্থ্য সেবা ত্রিশালের ঘরে ঘরে পৌছে দিবে দীর্ঘদিন যাবৎ ত্রিশালের কল্যানে কাজ করে যাওয়া বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন।
    ত্রিশালের মানুষের সার্বিক কল্যানে কাজ করে যাবেন বলেই আমি আমার পরিবার ডাঃ লিটনকে ভোট দিবো।
    ক্রীড়ামোদী শরিফুল ইসলাম বলেন- বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন ইতো মধ্যে উপজেলার ১২ ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড় দের সাথে এক মতবিসিময় সভায় বলেছেন-তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে যুব সমাজ ও ছাত্রসমাজকে নেশার বয়াল থাবায় আসক্ত বিপদগামী যুব সমাজ কে খেলাধূলায় আগ্রহী করতে কাজ করবেন। মতবিনিময় সভায় তিনি ত্রিশালের খেলোয়াড়দের খেলার পরিবেশ সৃষ্টি, খেলার মান উন্নয়ন ও ত্রিশাল উপজেলা হতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়ার তৈরী করতে ত্রিশালের ১২ ইউনিয়নের প্রতি ইউনিয়নে একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মান ও উপজেলা পর্যায়ে এটি স্টেডিয়াম নির্মান করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমানের এ লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করতে ত্রিশালের খেলাধূলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমি আমার পরিবারসহ আশাকরি ত্রিশালের সকল খেলোয়ার ও তাদের পরিবার ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন ।


    নির্বাচণী মাঠে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন নির্বাচিত হলে সাধারন মহিলাদের ফ্যামিলি প্রদান, কৃষকদের কৃষি কার্ড, সকল কে স্বাস্থ্য কার্ড প্রদানের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান, অবহেলিত ত্রিশাল উপজেলার প্রায় ২শ কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মান,সকল স্কুল কলেজ মাদ্রাসা, মসজিদ মন্দিরসহ উপজেলার সকল অবকাঠামো প্রতিশ্রোত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তয়নের জন্যে ও ত্রিশাল উপজেলাকে একটি আদর্শ উপজেলা ও বসবাস যোগ্য উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন। ত্রিশালবাসী ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে যার যার কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে এই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ত্বরাম্বিত করতে ধানের শীষ মার্কায় এক জোট হয়ে ভোট প্রদান করবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।

  • রাষ্ট্র ভাবনায় আইসিটি: কর্মসংস্থান ভিত্তিক ডিজিটাল রূপরেখা                                                                                                   ড. এম এম রহমান

    রাষ্ট্র ভাবনায় আইসিটি: কর্মসংস্থান ভিত্তিক ডিজিটাল রূপরেখা ড. এম এম রহমান

    বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নএখন আর কেবল অবকাঠামো, সেত ুকিংবা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের হিসাবেই সীমাবদ্ধ নয়।একবিংশ শতাব্দীর রাষ্ট চিন্তায় সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নহলো—এই উন্নয়ন কতটা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে, কতটা দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলছে এবং কতটা টেকসই অর্থনীতির ভিত রচনা করছে।
    এই প্রেক্ষাপটে জনাব তারেক রহমান ুএঁর রাষ্ট্র ভাবনায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের অগ্রাধিকার একটি তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বার্তা বহন করে।
    জনাব রহমানের ঘোষিত রূপরেখা অনুযায়ী,আইসিটি খাতকে দ্রুত সক্রিয়ও উৎপাদনমুখী করতে পাঁচ টি কৌশলগত উপ-খাতে সরাসরি প্রায় দুই লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণকরা হয়েছে। পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং ও কন্টেন্টক্রিয়েশন ভিত্তিক অর্থনীতির মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আর ও প্রায় আট লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
    গব মিলিয়ে প্রায় দশ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান—যা বাংলাদেশের বর্তমান জন সংখ্য াগত বাস্তবতায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
    আই সি টি খাতের গুরুত্বপূর্ণ এই পাঁচ টি খাত হলো—সাইবার নিরাপত্তা, বিপিও (বিজনেস প্রসেস আউট সোর্সিং), এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও ডেটাসায়েন্স, সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি এবং ইন্ডাস্ট্রি ৪.০।
    প্রথমত, সাইবার নিরাপত্তা। ডিজিটাল রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সাইবার নিরাপত্তা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার অংশ। ব্যাংকিং, নির্বাচন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রতিরক্ষা—সবক্ষেত্রেই সাইবার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।এই খাতে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা মানে শুধু কর্মসংস্থান নয়, বরং রাষ্ট্রের ডিজিটাল সার্বভৌমত ¡নিশ্চিত করা। আধুনিক রাষ্ট্রের প্রশাসন, অর্থনীতি ও নাগরিক সেবা ক্রমেই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও ওপরনির্ভরশীল হয়ে উঠছে। ফলে এই ডিজিটাল অবকাঠামো যত শক্তিশালী হচ্ছে, ততই সাইবার আক্রমণ, তথ্য চুরি ও ডিজিটালনাশকতার ঝুঁকিও বাড়ছে। সময়োপযোগী বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এই খাত শক্তিশালীকরা গেলে বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রা আরও নিরাপদ ও টেকসই হবে।
    দ্বিতীয়ত,বিপিওখাত। এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে একটি কোম্পানি তার নিজ¯ ^বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব তৃতীয় কোনো পক্ষ বা বাহ্যিক সেবা দান কারী প্রতিষ্ঠান কে দিয়ে করায়। বাংলাদেশে তরুণ, ইংরেজি-দক্ষ এবং প্রযুক্তি সচেতন মানব সম্পদ বিপিও খাতের জন্য বড় সম্পদ। ভারত ও ফিলিপাইনের মতো দেশ গুলো যেভাবে বিপিও শিল্প কেবৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান উৎসে পরিণত করেছে, বাংলাদেশ ওসঠিক নীতি সহায়তা ও অবকাঠামো পেলে সেই পথে এগোতে পারে। প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক তরুণ উচ্চ শিক্ষা শেষ করে শ্রম বাজাওে প্রবেশ করলেও তাদের একটি বড় অংশ কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় না। এই বাস্তবতায় বিপি ও খাত দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে একটি কার্যকরসেতু বন্ধন গড়ে তুলতে পারে। অতএব, সঠিক নীতি সহায়তা, দক্ষতাউন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন œঅবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে বিপিও খাত বাংলাদেশের জন্য শুধু কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রই নয়, বরং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটি শক্তিশালী ইঞ্জিনে পরিণত হতে পারে।
    তৃতীয়ত,এআই ও ডেটাসায়েন্স।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন আর ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নয়; এটি বর্তমান অর্থনীতির চালিকা শক্তি। কৃষি থেকে স্বাস্থ্য, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা থেকে আর্থিক সেবা—সব খানেই এআই ও ডেটা বিশ্লেষণের ব্যবহার বাড়ছে।এইখাতেবিনিয়োগ মানে উচ্চ মানের দক্ষতা সৃষ্টি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি করা। এআইও ডেটা সায়েন্সে বিনিয়োগের মাধ্যমে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, ডেটা অ্যানালিস্ট, মেশিন লার্নিং গবেষক এবং এআইনীতিবিদসহবহুমাত্রিক পেশার সৃষ্টি হয়, যে গুলো তুলনা মূলক ভাবে উচ্চ আয় ও আন্তর্জাতিক বাজার মুখী। উন্নতদেশগুলে াতোবটেই, উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতি করূপান্তওে ও এআই ও ডেটা বিশ্লেষণ ক্রমেই কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।
    চতুর্থত, সেমি কন্ডাক্টও শিল্প। বিশ্ব অর্থনীতিতে সেমিকন্ডাক্টও এখনকৌশল গত পণ্য। যদি ও বাংলাদেশ এই শিল্পে এখন ও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তবে চিপ ডিজাইন, টেস্টিং ও প্যাকেজিংয়ের মতো নির্দিষ্ট সেগমেন্টে প্রবেশের বাস্তব সম্ভাবনা আছে। স্মার্টফোন, কম্পিউটার, গাড়ি, চিকিৎসা যন্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইন্ডাস্ট্রি ৪.০—প্রায় সব আধুনিক প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হলো সেমিকন্ডাক্টরচিপ। ফলে এই শিল্পে আধিপত্য কেবল অর্থ নৈতিক শক্তির প্রতীক নয়, বরং ভূরাজ নৈতিক প্রভাব বিস্তারের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তাছাড়া, এটি দীর্ঘমেয়াদে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিও পাশাপাশি বৈশ্বিক ভ্যালুচেইনে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করবে । অতএব, সেমিকন্ডাক্টও খাতে বিনিয়োগ বাংলাদেশের জন্য তাৎক্ষণিক লাভের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূণর্ দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগতসিদ্ধান্ত। এটি শুধু প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি নয়, বরং জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতিতে উত্তরণের একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
    পঞ্চমত,ইন্ডাস্ট্রি৪.০।অটোমেশন, রোবোটিক্স, আইওটি এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের যুগে শিল্পখাতের আধুনিকায়ন ছাড়া টিকে থাকা কঠিন। ইন্ডাস্ট্রি ৪.০-তে বিনিয়োগ মানে উৎপাদন শীলতা বৃদ্ধি, রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নতুন ধরনের প্রযুক্তি নির্ভও চাকরি সৃষ্টি। বৈশ্বিক উৎপাদন ব্যবস্থায় দ্রুত পরিবর্তনের ফলে যারা প্রযুক্তি নির্ভও শিল্পায়নের সঙ্গে খাপ খাইয়েনিতে পারছে না, তারা ধীওে ধীওে আন্তর্জাতিক বাজাওে প্রতিযোগিতা হারাচ্ছে। বিশেষ করে শ্রম নির্ভও শিল্প থেকে দক্ষতা ও প্রযুক্তি নির্ভও শিল্পে রূপান্তর ছাড়া ভবিষ্যৎ শিল্প অর্থনীতিকে টেকসই রাখা কঠিন। সময়মতো এই বিনিয়োগ করা গেলে বাংলাদেশ প্রযুক্তি নির্ভরশিল্প অর্থনীতিতে সফল ভাবে রূপান্তর ঘটাতে পারে।
    এর পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং ও কন্টেন্ট ক্রিয়েশন বাংলাদেশের জন্য একটি স্বতন্ত্র ও দ্রুত বিকাশ মান সম্ভাবনাময়খাত। তথ্য প্রযুক্তির প্রসার, উচ্চ গতির ইন্টারনেট এবং বৈশ্বিক ডিজিটাল মার্কেট প্লেসেরসহ জপ্রাপ্যতার কারণে ইতোমধ্যে লক্ষাধিক বাংলাদেশি তরুণ-তরুণী আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে কাজ করছেন। গ্রাফিক ডিজাইন, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, লেখালেখি, অ্যানিমেশন ও সোশ্যাল মিডিয়াকন্টেন্ট তৈরির মতো নানা ক্ষেত্রে তারা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন; প্রচলিত চাকরির গণ্ডির বাইওে থেকেও। এই খাতের সব চেয়ে বড় শক্তি হলো—এখানে প্রবেশের জন্য বড় মূলধন বা জটিল অবকাঠামোর প্রয়োজননেই। একটি ল্যাপটপ, ইন্টারনেট সংযোগ এবং প্রয়োজনীয় দক্ষ তাই একজন তরুণ কে বৈশ্বিক শ্রম বাজাওে যুক্ত করতে পারে। কিন্তু এই খাত এখনো নীতিগত স্বীকৃতি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার অভাবে পিছিয়ে আছে। পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নিলে এই খাত থেকেই লাখ লাখ তরুণের স্বনির্ভও কর্মসংস্থান সম্ভব। সব চেয়ে গুরুত্বপূণর্ বিষয় হলো—ফ্রিল্যান্সিং ওকন্টেন্টক্রিয়েশন তরুণ দেও চাকরি প্রত্যাশীনয়, বর ংস্বনির্ভও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ দেয়। এইখাতে বিনিয়োগ মানে শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টি নয়; এটি একটি আত্মনির্ভর, উদ্ভাবনী এবং বৈশ্বিক ভাবে সংযুক্ত প্রজন্ম তৈরির প্রক্রিয়া।
    তবে এসব পরিকল্পনা কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। প্রয়োজন হবে দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা সংস্কার, শিল্প ুবিশ্ববিদ্যালয় সংযোগ, বিনিয়োগ বান্ধবপরিবেশ, আইনের শাসন এবং সর্বোপরি জবাব দিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা। আইসিটি খাত বিকাশের জন্য রাজনৈতিকি স্থতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশওঅপরিহার্য।
    বাংলাদেশ এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে ভোটারদেও সিদ্ধান্ত শুধু সরকার পরিবর্তনের প্রশ্ন নয়, বরং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক দিক নির্দেশ নির্ধারণের বিষয়। কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন—এই তিন টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই আগামী দিনের রাষ্ট্র গড়ে উঠবে। জনাব রহমানের আইসিটি-কেন্দ্রিক রাষ্ট্র ভাবনা সেই ভবিষ্যতের একটি রূপ রেখা তুলে ধরে। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নহবে কি না, তা নির্ভও করবে ভোটারদেও সুচিন্তিত, দায়িত্বশীল এবং ভবিষ্যত মুখী সিদ্ধান্তের ওপর। কারণ একটি ভোট শুধু ব্যালট নয়—এটি আগামী প্রজন্মেও কর্মসংস্থান ও সম্ভাবনার ওপরও প্রভাব ফেলে।

    লেখক:
    ড. এম এম রহমান
    অধ্যাপক, কম্পিউটার সায়েন্সঅ্যান্ডইঞ্জিনিয়ারিংবিভাগ
    ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত)
    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়,

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃ বিভাগ ও আন্তঃ অনুষদ ভলিবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃ বিভাগ ও আন্তঃ অনুষদ ভলিবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আন্তঃ বিভাগ (ছাত্র) এবং আন্তঃ অনুষদ (ছাত্রী) ভলিবল প্রতিযোগিতা- ২০২৬ শেষ হয়ছে। ফাইনাল খেলায় পপুলেশন সায়েন্স বিভাগ ২-১ সেটে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগকে এবং কলা অনুষদ ২-১ সেটে চারুকলা অনুষদকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকালে নতুন প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ল ছোট খেলার মাঠে এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ভলিবল খেলা একটি চরম উত্তেজনার খেলা। যেকোন খেলাই শুধু বিনোদন নয়, শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ও সু¯’্যতার জন্য অপরিহার্য। খেলা এবং শারীরিক ব্যায়াম যেকোন মানুষের জন্যই অতীব প্রয়োজন। এছাড়া খেলা একে অপরের

    সাথে মেলবন্ধন ও বন্ধুত্বের প্রতীক। তাই শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরণের টুর্নামেন্টের আয়োজন করছি এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখা হবে।’ বিজয়ী এবং বিজিত দলসহ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপত্মরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শরীরর্চচা শিক্ষা দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক শাহ্ মো. নাজমুল হাসান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা-প্রিন্স), পরিবহণ প্রশাসক প্রফেসর ড. আহমেদ শাকিল হাসমী, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরর্চচা শিক্ষা দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ টি দল (ছাত্র) এবং ৬টি দল (ছাত্রী) অংশগ্রহণ করেছে। উল্লেখ্য গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ মঙ্গলবার নতুন প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ল ছোট খেলার মাঠে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

  • ত্রিশালে জামায়াতের প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেলের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

    ত্রিশালে জামায়াতের প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেলের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকা ১৫২, ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেল স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করেছেন। ৩ ফেব্রুয়ারী রাতে উপজেলা জামাতের ধানীখোলা রোডস্থ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মত বিনিময় সভায় জামায়াতের প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেল নির্বাচনে ত্রিশালের সার্ভিক অবস্থা তুলে ধরেন এবং জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে জামায়াতে ইসলামী দেশ ও দেশের মানুয়ের জন্যে কি করবেন ও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ত্রিশালের মানষের জন্যে তিনি কি কি উন্নয়ন করবেন তা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। এসময় জামায়াতের উপজেলা আমির মাওলানা আবু নোসান আব্দুল্লা হিল বাকী,উপজেলা সেক্রেটারী মোস্তাফিজুর রহমান শামীম,পৌর সেক্রেটারী এনামুল হক মাষ্টার প্রমুখ। এসময় বিশ্বের মুখপাত্র সম্পাদক এনবিএম ইব্রাহিম খলিল রহিম,ত্রিশাল বার্তার সম্পাদক শামীম আজাদ আনোয়ার,ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম শামীম,এটিএম মনিরুজ্জামান মনির,ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নোমান সাবেক সাধারন সম্পাদক এইচএম জোবায়োর হোসেন,মোহাম্মদ সেলিম,মতিউর রহমান সেলিম,মামুনুর রশিদ,ফয়জুর রহমান ফরহাদসহ ত্রিশালে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত দিনব্যাপী ‘১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব ২০২৬’ শুরু

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত দিনব্যাপী ‘১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব ২০২৬’ শুরু

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের আয়োজনে সাত দিনব্যাপী ‘১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব ২০২৬’ শুরু হয়েছে। নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের জিয়া হায়দার ল্যাব (পুরাতন কলা ভবন)-এর সামনে ০২ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমাজের যেকোন বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। সাহিত্য, নাটক, সিনেমা এগুলো হলো সমাজের দর্পণ। সমাজের সকল ধরণের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা হয় নাটকের মাধ্যমে। এরফলে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ বুঝতে পারে। এই নাটক যেহেতু তোমাদের পরীক্ষার অংশ তাই এটা তোমাদের জন্য একটা প্রশিক্ষণ। তবে ভবিষ্যতে তোমরা আরো ভালো কিছু আমাদের সমাজের জন্য উপহার দিতে পারবে। সমাজের অবিচার, অনাচার এবং অবহেলিত বিষয়গুলো এবং গ্রামীণ সমাজের সংস্ক…তিকে সকল শ্রেণির মাঝে তুলে ধরতে পারবে। আমি আশা করি তোমাদের পারফরমেন্সের মাধ্যমে জাতীয় কবির নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক উপরে নিয়ে যাবে।’
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। স্ব^াগত বক্তব্য রাখেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কোর্স শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক নুসরাত শারমিন।
    সভাপতিত্ব করেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইসমত আরা ভূঁইয়া ইলা। নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার।
    দিবসটি উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবন থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরনো কলা ভবনে এসে শেষ হয়। ১০ম নাট্যোৎসবে প্রতিদিন দুইটি করে সাতদিনে মোট ১৪টি নাটক পরিবেশিত হবে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা এবং রাত সাড়ে ৮ টায় নাটক আরম্ভ হবে। বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা, পরিচালনা ও অংশগ্রহণে এই নাটকগুলো মঞ্চায়িত হচ্ছে।

  • ত্রিশালে বিএনপির প্রার্থী ডাঃ লিটনকে সনাতন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সমর্থন

    ত্রিশালে বিএনপির প্রার্থী ডাঃ লিটনকে সনাতন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সমর্থন

    নির্বাচনী এলাকা ১৫২ ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনকে সমর্থন জানিয়েছেন ত্রিশাল উপজেলার সনাতন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ। ২৭ জানুয়ারী রাতে ত্রিশাল বাজার কেন্দ্রীয় কালি মন্দিরে আয়োজিত এক মত বিনিময় সভায় বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন এর সাথে সনাতন সম্প্র্রদায়ের নেতৃবৃন্দ একাত্বতা প্রকাশ এবং সমর্থন প্রদান করেন। এসময় সনাতন সম্প্রদায়োর নেতৃবৃন্দ ত্রিশাল উপজেলার সকল সনাতন সম্প্রদায়ের লোকদের এবারের নির্বাচনে ডাঃ মাহবুবুর রহমান কে ধানের শীষ মার্কায় ভোট প্রদান করার আহবান জানান। ত্রিশাল বাজার কেন্দ্রীয় কালি মন্দিরের সভাপতি প্রদীপ কুমার সাহার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রদান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন। উত্তম কুমার চন্দের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ঠ শিক্ষানুরাগী ও ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনের সহধর্মীনি মোস্তেকা আনোয়ার,ত্রিশাল পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোশাররফ হোসাইন মিলন, সনাতন সম্প্রদায়ের নেতা কৃষিবিদ নিতাই রায়, শিক্ষক আশুতোষ কর্মকার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নয়ন চন্দ্র রায়, সাংস্কৃতিক কর্মী গীতা রায়,সাবেক ক্রীড়াবিদ সুশীল দাস, নিরঞ্জন শীলসহ উপজেলার সকল ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন। সনাতন সম্প্রদায় নেতা নয়ন চন্দ্র মোদক বলেন-ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন ভাই যেমন সৎ তেমনি একজন যোগ্য ব্যক্তি,তিনি ত্রিশালের এমপি না হয়েও অতীতে আমাদের ত্রিশালের রাস্তা ঘাট,স্কুল কলেজসহ সকল মসজিদ মন্দিরসহ উপজেলার ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন সাধন করেন। এর পর কয়েকজন সংসদ সদস্য হলেও ত্রিশালের তেমন উন্নয়ন করতে পারেননি। লিটন ভাই এবার ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছেন, আমাদের ত্রিশালের সার্বিক উন্নয়নের সুযোগ আসছে,তিনি নির্বাচিত হলে আবার আমাদের ত্রিশালের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন হবে। তাই আমাদের সনাতন

    সম্প্রদায়ের নিজের উন্নয়নের জন্যেই সকল ভোটার এক হয়ে লিটন ভাই কে ভোট প্রদান করে পাশ করাতে হবে। সনাতন সম্প্রদায় নেতা সুশীল দাস বলেন-আমরা সনাতন সম্প্রদায়রা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের লোক বিএনপি ও স্বাধীনতার পক্ষের লোক বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন ও স্বাধীনতার পক্ষের লোক,স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। তাই এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী ডাঃ লিটন ভাই কে আমাদের সনাতন সম্প্রদায়ের সকল কে এক হয়ে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের প্রার্থী কে জয়যুক্ত করতে হবে। সনাতন সম্প্রদায় নেতা উত্তম কুমার চন্দ বলেন-সনাতন সম্প্রদায়ের ত্রিশাল উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার ভোটার রয়েছে এবারের নির্বাচনে আমরা সকল ভোটার এক হয়েছি ত্রিশালের সার্বিক উন্নয়নে ও সনাতন সম্প্রদায়ের সকল উন্নয়নের জন্যে আমরা আমারাখি একজন যোগ্য প্রার্থীকে সনাতন সম্প্রদায়ের সকল ভোটার ই বিএনপির প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন ভাইকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।
    রফিকুল ইসলাম শামীম

  • সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ত্রিশালের রাস্তাঘাট শিক্ষা প্রতষ্ঠান সকল অবকাঠামোসহ সার্বিক  উন্নয়ন করা হবে- ডাঃ লিটন

    সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ত্রিশালের রাস্তাঘাট শিক্ষা প্রতষ্ঠান সকল অবকাঠামোসহ সার্বিক উন্নয়ন করা হবে- ডাঃ লিটন

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনী এলাকা ১৫২ ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন বলেছেন- আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ত্রিশালের ১২ ইউনিয়নের সকল রাস্তাঘাট পাকাকরনসহ ত্রিশালের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ম ও ত্রিশালের সকল উন্নয়ন সম্পন্ন করা হবে া
    তিনি ২৫ জানুয়ারী রোববার দুপুরে ত্রিশালে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় এসব কথা বলেন । বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমানের মত বিনিময় সভায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আতাউর রহমান শামীম্ যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউল হক জামিল্ উপস্থিত ছিলেন। মত বিনিময় সভায় ত্রিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান সবুজ্ বিশ্বের মুখপাত্র পত্রিকার সম্পাদকএনবিএম ইব্রাহিম খলিল রহিম্, সাবেক সভাপতি শামীম আজাদ আনোর্য়া, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি খোরশিদুল আলম মজিব্, সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম শামীম, আ.ন.ম ফারুক, সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নোমান,্ সাংবাদিক এটিএম মনিরুজ্জামান,রেজাউল করীম বাদল,এসএম আলমগীর কবীর, এসএম হুমায়ুন কবীর, এইচ এম জোবায়ের হোসেন, গোলাম মোস্তফা সরকার, মোহাম্মদ সেলিম,মতিউর রহমান সেলিম,মামুনুর রশিদ,ফারুক আহমেদ,ফয়জুর রহমান ফরহাদ, আনোয়ার সাদাত জাহাঙ্গীর, এসএম মাসুদ রানা, তুহিন, কবীর, বুলবুল প্রমুখ।

  • তারেক রহমানের রাষ্ট্রভাবনা কেবল দলীয় রাজনীতির বৃত্তে আবদ্ধ নয়

    তারেক রহমানের রাষ্ট্রভাবনা কেবল দলীয় রাজনীতির বৃত্তে আবদ্ধ নয়

    বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাকেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব, প্রতিষ্ঠানগত দুর্বলতা এবং আস্থার সংকটে আবর্তিত। নির্বাচন, সরকার পরিবর্তন কিংবা রাজনৈতিক আন্দোলন; সবকিছুর কেন্দ্রে থেকেছে কে ক্ষমতায় যাবে, কিন্তু রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে—এই প্রশ্নটি প্রায়ই আড়ালে রয়ে গেছে। এই বাস্তবতায় রাষ্ট্র পরিচালনার প্রশ্নটি কেবল সরকার গঠন বা ক্ষমতা অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বরং প্রয়োজন একটি সুদূরপ্রসারী রাষ্ট্রদর্শন, যেখানে নাগরিক, প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতি, পরিবেশ ও সংস্কৃতি একত্রে একটি কার্যকর রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতরে বিকশিত হবে। বর্তমানে তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভাবনা এই দৃষ্টিকোণ থেকেই আলোচনার দাবি রাখে। তাঁর রাষ্ট্রভাবনা কেবল দলীয় রাজনীতির বৃত্তে আবদ্ধ নয়; বরং তা রাষ্ট্র পুনর্গঠন, নাগরিক অংশগ্রহণ ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসে।
    তারেক রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা পারিবারিক উত্তরাধিকারের ভেতর জন্ম নিলেও তাঁর চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটেছে সময়, অভিজ্ঞতা ও জাতীয় সংকট বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শন এবং বেগম খালেদা জিয়ার আপোসহীন নেতৃত্বগুণ তাঁর রাজনৈতিক ভিত্তি নির্মাণে ভূমিকা রেখেছে। তিনি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি, এই সত্য যেমন অস্বীকার করা যায় না, তেমনি এটাও সত্য যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বক্তব্য ও পরিকল্পনায় একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্রচিন্তার বিকাশ ঘটেছে। এই স্বাতন্ত্র্েযর মূল বৈশিষ্ট্য হলো রাষ্ট্রকে কেবল ক্ষমতার কাঠামো নয়, বরং নাগরিকদের সম্মিলিত দায়িত্ব ও অংশীদারিত্বের ক্ষেত্র হিসেবে দেখা। সবার আগে বাংলাদেশ—এই দর্শন যদি কেবল স্লোগান না হয়ে রাষ্ট্রচিন্তার ভিত্তি হয়, তবে বাংলাদেশের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে যেতে পারে।
    মিজানুর রহমান (ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্টার) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়