Blog

  • ত্রিশালে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

    ত্রিশালে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়।

    নবগঠিত কমিটির নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, এই কমিটি ত্রিশালের প্রধান শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি, বিশেষ করে দশম গ্রেড রায় বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

    কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দরিরামপুর মডেল প্রা:স:ব: : মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম এবং নির্বাহী সভাপতি হয়েছেন ত্রিশাল প্রা:স:বি মোঃ রাশেদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জুবাইদা ফিরোজা প্রা:স:ব মোঃ মাজাহারুল ইসলাম । সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন কাজির শিমলা প্রা:স:ব, মোঃ আশরাফুল আলম। কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন:সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ আব্দুল লতিফ, মোঃ মিন্নত আলী, সহ সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা, আবু সাঈদ মোঃ সোরহাব উদ্দিন।

    সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুস ছালাম, লায়লা নূরুন নাহার, মোঃ হুমায়ুন কবীর, প্রতিমা রানী সরকার, সমবায় সম্পাদক, দিল আফরোজ তালুকদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, আঞ্জুমানারা বেগম, আইন বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ রেজাউল করিম, আইসিটি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মজিবুর রহমান, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক সিদ্দিক মিয়া, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইয়াকুব আলী, অর্থ সম্পাদক মোঃ গোলাম উল্লাহ, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ বদর উদ্দিন প্রমূখ।
    রফিকুল ইসলাম শামীম

  • ত্রিশালে অভিভাবক সমাবেশে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান

    ত্রিশালে অভিভাবক সমাবেশে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সেরা প্রাথমিক বিদ্যালয় ত্রিশাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ রেজাল্ট প্রকাশ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ২ জুন ১২ টায় ত্রিশাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অভিভাবক সমাবেশ, রেজাল্ট প্রকাশ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ত্রিশাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান রানা । অন্যাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, আমিরুলইসলাম,লায়লা আরজুমান ফেরদেীসি, ইসরাত জাহান, আসমা আক্তার পারভীন,নাজমা আক্তার, মৌসুমী আক্তার জাহান, শাহিদা সুলতানা,সাথিলা আক্তার, মার্জিয়া সুলতানা, আন্জুমান আরা তানিয়া, ওয়াহেদুন জাহান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রথম শ্রেনী তে প্রথমস্থান অধিকারী শাহমীর ইসলাম আরহাম কে মেধা তালিকায় পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রথম শ্রেনীতে মেধা পুরস্কার প্রাপ্ত শাহমির ইসলাম আরহাম ত্রিশাল প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন পত্রিকার ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ডেইলী নিউ এইচ, দৈনিক ডেসটিনি ও দৈনিক স্বদেশ সংবাদ পত্রিকার প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম শামীম ও নাজমুন্নাহার এর সন্তান । অনুষ্ঠানে ২য় শ্রেণীতে প্রথম ৩য় শ্রেনীতে প্রথম , চতুর্থ শ্রেনীতে প্রথম ও পঞ্চম শ্রেনীতে প্রথম হওয়া শিক্ষার্থীদের মেধা পুরস্কার প্রদান করা হয়। ত্রিশাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান রানা জানান এ পর্যায়ে বাচ্চাদের লেখাপড়ায় উৎসাহের পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় প্রতিটা শিক্ষার্থী যাতে করে পাশে পাশে থাকতে পারে সে জন্যে শিক্ষকদের উদ্যোগে এ আয়োজন আমাদের ।

  • ত্রিশালে জমি হালচাষ করতে গেলে ওমান প্রবাসী কে  মারধোর স্ত্রী কে নির্যাতন টাকা স্বর্ণালঙ্কার লুট; হত্যার হুমকি

    ত্রিশালে জমি হালচাষ করতে গেলে ওমান প্রবাসী কে মারধোর স্ত্রী কে নির্যাতন টাকা স্বর্ণালঙ্কার লুট; হত্যার হুমকি

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের কুশানগর গ্রামে ওমান প্রবাসীর জমিতে চাষ করতে গেলে প্রতি পক্ষের লোকজন প্রবাসী খোকন মিয়া
    কে মারধোর ও প্রবাসীর স্ত্রী কে মারধোর শ্লীলতাহানী করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট করা হয়েছে া এ ব্যাপারে প্রবাসীর স্ত্রী ত্রিশাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন া এর আগেও এই চক্রটি প্রবাসীর জমির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর, জোরপূর্বক দখল ও হত্যার হুমকি দিয়েছে া সীমানা প্রাচীর ভাংচুরের ঘটনাভোক্তভোগী ওমান প্রলবাসী খোকন বাদী হয়ে ত্রিশাল থানায় আরেকটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছিলেন া
    অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রতিবেশী এক প্রভাবশালী ক্ষমতার অপব্যবহার করে দখলবাজির মাধ্যমে প্রবাসী খোকন মিয়ার জমির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় বাধা দিলে ভূমি দখলবাজ সাঙ্গপাঙ্গরা জমির মালিক ও স্বজনদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে ।

    ২৩ আগস্ট প্রবাসী খোকন মিয়া ট্রাক্টর নিয়ে জমি চাষ করতে গেলে প্রতিপক্ষরা হামলা করে খোকন মিয়া মারধোর করে এসময় খোকন মিয়া দৌড়ে পালিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা খোকন মিয়ার বসত ঘরে
    ঢুকে ভাঙচুর করে সময় তার স্ত্রী আঞ্জুমান বাধা দিলে তাকে মারধোর তার শ্লীলতা হানী
    ও করে া
    এসময় সন্ত্রাসীরা নগদ টাকা ও স্বর্ণা অলংকার ছিনিয়ে নেয় া এ বিষয়ে আজ সন্ধায় ত্রিশাল থানায় একটি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ওমান প্রবাসীর স্ত্রী আঞ্জুমানারা খাতুন।

    অভিযোগ উঠছে, ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের প্রভাবশালী একটি চক্র দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমি দখলে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কোনো কাগজপত্র ছাড়াই জমি দখল করার চেষ্টা করতে গিয়ে প্রবাসী কে মারধোর ও টাকা ও স্বর্ণ অলংকার ছিনিয়ে নিয়েছে া নিজেদের অপকর্ম আরো শক্তিশালী করতে দেশি অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে দখল করার চেষ্টা করছে কুর্শানগর এর মৃত সাহেদ আলী ভূমিদস্যু ছেলে আশ্রাব আলী (৫৮), ও শামছুল হক (৫২), মোঃ মাসুদ (৩৫), মাহফুজ (৩২), জেসমিন (৩৮), হালিমা খাতুন (৫৫) গং।

    থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের কুশানগর মৌজার জে,এল নং ৯০,খতিয়ান নং ১০৫, দাগ নং-৯৮৪ জমির পরিমাণ সাড়ে ১২ শতাংশ জমি পৈত্রিক সুত্রে পান এবং বাকী জমি সাবকাওলা দলিল মূলে কিনেন এবং জমির মালিকানা সুত্রে জমির সীমানা নির্ধারন করে তাতে পিলার দিয়ে কাটা তারের বেড়া দেন । কিন্তু পাশের বাড়ির আশ্রাব আলী (৫৮), শামছুল হক (৫২), মাসুদ (৩৫),মাহফুজ (৩২), জেসমিন (৩৮), হালিম খাতুন (৫৫) রোববার দা বল্লম নিয়ে প্রবাসী খোকন মিয়াকে তার জমিতে চাষ করা অবস্থায় দাওয়া করে মারধোর করলে সে প্রাণের ভয়ে পালিয়ে গেলে তার বসত ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে মারধোর ও শ্লীলতাহানী করে টাকা পয়সা স্বর্ণ অলংকার ছিনিয়ে নেয় া

    স্থানীয় বাসিন্দা তোতা মিয়া বলেন, আমি জানি কিছুদিন আগে এই জমি ওমান প্রবাসী খোকন মিয়া কিনেছে। পরে সে জমি মেপে সীমানা প্রাচীর নির্ধারণ করে পাকা ফিলার ও জিআই তারের বেরা দেয়। কিন্তু গতকাল বিকালে আশ্রাব আলীরা তা ভাংচুর করে এবং জমি দখল নেওয়ার চেষ্টা করেছে এসময় তারা মারধোর করেছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আরেক স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগে ওরা খোকন মিয়ার সীমানা প্রাচীন ভাঙচুর করেছে গতকাল রোববার বিকেলে জমিতে হাল চাষ করতে গেলে তাকে মারধোর করছে া
    সরেজমিনে দেখা গেছে, দলিলপত্র যাচাই করে ওমান প্রবাসী খোকন মিয়ার কাগজপত্র সঠিক পাওয়া যায়। স্থানীয় সালিশে ওই জমি ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হলেও ভূমিদস্যু আশ্রাব আলীরা প্রভাব খাটিয়ে কোনো তোয়াক্কা করছে না।

    ওমান প্রবাসী খোকন মিয়া বলেন, আমার ১২ শতাংশ জমি যা দলিল ও খাজনা খারিজ আমার নামে। আশ্রাব আলী ও তার দলবল নিয়ে জোরপূর্বক আমার জমিতে হামলা করে জমি বেদখল করার চেষ্টা করছে তার অংশ হিসেবে ৫ জনের সামনে প্রকাশ্যে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে। আমি তাকে ৫ লাখ টাকা দিলে সে আর আমার জমিতে কোনো রকম ডিস্টার্ব করবে না। আমি টাকা না দেওয়ায় সে ২৩ তারিখ আমার জমিতে হালচাষ করতে গেলে আমার উপর আক্রমণ করে আমাকে মারধর করে পরে আমি দৌড়ে পালিয়ে গেলে আমার বসত ঘরে ঢুকে আমার স্ত্রী কে মারধোর ও শ্রীনতা হানী করে
    ঘর হতে নগদ টাকাও স্বর্ণ অলংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায় া
    প্রবাসী স্ত্রী আঞ্জুমানারা খাতুন বলেন, বিবাদী আশ্রাব আলী তার দুই হাত দিয়ে আমার গলায় চাপিয়া ধরে এবং আমাকে অর্ধলঙ্গ করার চেষ্টা করে। বিবাদী আশ্রাব আলী ও তাদের দলবল নিয়ে আমার ১ ভরি ওজনের সোনার চেইনসহ ৫ ভড়ি স্বর্ণালংকার ও নগদ তিন লক্ষ টাকা দেশীয় অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার সেকন্ড অফিসার এস আই রুবেল জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ এর কথা শুনেছি এর আগেও সীমানা প্রাচীন ভাঙচুর নিয়পও অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের উপর হামলা ও সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ

    অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের উপর হামলা ও সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ

    নওগাঁ, ২৫ আগস্ট ২০২৫: নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলার লোহাচূড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য খন্দকার সুলতান আরেফিন(৬৫) এর উপর হামলা ও তার মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আশিকুজ্জামান আশিক, যিনি নওগাঁ সিএনজি সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে দুর্নীতির অভিযোগে বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ পন্থী হিসেবে পরিচিত। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার মাগরিবের নামাজের সময় হাটখোলা বাজারের একটি মসজিদে।


    খন্দকার সুলতান আরেফিন তার লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, তিনি মসজিদে নামাজ পড়ছিলেন যখন আশিকুজ্জামান আশিক উগ্রভাবে তার উপর হামলার উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসেন। তাকে না পেয়ে আশিক তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন এবং হৈচৈ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। সুলতান আরেফিন জানান, আশিকুজ্জামান বর্তমানে রাণীনগরের লোহাচূড়া গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে পালিয়ে আছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পারিবারিক ব্যবসা ও জমি-সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আশিকুজ্জামান তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন এবং তার সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা করছেন।
    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আশিকুজ্জামান আশিক সুলতান আরেফিনের বড় ভাই মৃত আনোয়ার হোসেন বকুলের তৃতীয় মেয়ের জামাতা। বর্তমানে তিনি মৃত আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।


    খন্দকার সুলতান আরেফিন জানান, তিনি এ ঘটনায় রাণীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। তিনি জনসাধারণের কাছে তার জানমালের নিরাপত্তার জন্য সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি বলেন, “আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে হুমকির মুখে আছি। আমি বাংলাদেশের সকল নাগরিকের কাছে এ ঘটনা শেয়ার করছি এবং আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সবার সহযোগিতা চাই।”
    এ বিষয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগটি গৃহীত হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে অভিযুক্ত আশিকুজ্জামান আশিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। আশিকুজ্জামান আশিকের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এ ঘটনা স্থানীয়ভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং পারিবারিক বিরোধের কারণে এমন হামলার চেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। আরও তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
    সংবাদদাতা: এম মইন আলি

  • কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটক শাল বৃক্ষের মৃত্যু অনুষ্ঠিত

    কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটক শাল বৃক্ষের মৃত্যু অনুষ্ঠিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটক শাল বৃক্ষের মৃত্যু নাটক অনুষ্ঠিত হয়েছে কলা ভবনের জিয়া হায়দার ল্যাব থিয়েটার হলে দুই দিনব্যাপী নাটকটি মঞ্চস্থ হয়
    নাটকের কথা নাটকটি বন, আদিবাসী সম্প্রদায়ের জীবন, শালবনের অস্তিত্ব সংকট এবং শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের এক গভীর ও মানবিক দলিল। এই নাটকের কাহিনি চলেশ, মেরী ও চলেশের মায়ের মতো চরিত্রগুলোর মাধ্যমে জীবন্ত হয়ে ওঠে, যেখানে আদিবাসীদের জীবন, সংস্কৃতি, সংগ্রাম ও দীর্ঘ ইতিহাস মিশে আছে। চলেশ, যিনি তার পৈতৃক বনভূমি রক্ষায় নিরন্তর সংগ্রাম করেন, তিনি কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আত্মপরিচয় এবং পূর্বপুরুষের ভূমির জন্য অবিরাম লড়াইয়ের প্রতীক। তাকে মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়, যা শেষ পর্যন্ত তার মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণ হয়—এটি শোষণের বিরুদ্ধে আদিবাসীদের সংগ্রামের এক করুণ প্রতিচ্ছবি। অন্যদিকে, আদিবাসী তরুণী মেরী তার সম্প্রদায়ের প্রথা ও বনভূমির পবিত্রতা রক্ষায় অদম্য সাহসিকতার পরিচয় দেয়। যারা বন ধ্বংসের পাঁয়তারা করে, তাদের বিরুদ্ধে সে দৃঢ়ভাবে রুখে দাঁড়ায়। নাটকে আদিবাসীদের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে গভীর সম্পর্ক, তাদের প্রাত্যহিক জীবন এবং শিকার উৎসবের মতো সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গগুলো তুলে ধরা হয়েছে, যা তাদের নিজস্ব ইতিহাস ও জীবনধারার অবিচ্ছেদ্য অংশ। চলেশের মায়ের মতো চরিত্রগুলি প্রকৃতির প্রতি মানুষের সহজাত ভালোবাসা ও গভীর সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। শালবনকে এখানে কেবল গাছ হিসেবে নয়, বরং আদিবাসী সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ইতিহাস ও সংস্কৃতির ধারক এক জীবন্ত সত্তা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার মৃত্যু বনভূমি ও সেখানকার মানুষের জীবন ও আত্মপরিচয়ের সংকটকে নির্দেশ করে। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, বন ধ্বংসের ফলস্বরূপ কেবল প্রকৃতিই নয়, বরং আদিবাসী মানুষের পরিচয়, সংস্কৃতি এবং তাদের পূর্বপুরুষদের সংগ্রাম ও ইতিহাসও হারিয়ে যায়।

    নির্দেশকের কথা :
    দূর্বলের উপর ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীর অন্যায় অত্যাচার, শাসন শোষণ বহুকাল ধরে হয়ে আসছে। ক্ষমতা, সম্পদ আর অর্থের জোড়ে একপক্ষ আরেক পক্ষের উপর আধিপত্য বজায় রাখতে চায়। এ পৃথিবীর মানবসভ্যতার প্রধান সৌন্দর্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বহুবিচিত্রময় জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য, সভ্যতা – সংস্কৃতির চর্চার মাধ্যমে স্বমহিমায় বিরাজমান থাকা। কিন্তু ক্ষমতাশীল ও সম্পদশালী পক্ষ বরাবরই নানাবিধ অত্যাচার, নিপিড়ন ও আগ্রাসন চালিয়ে ধ্বংস করতে চেয়েছে কোনো জাতিগোষ্ঠীর অগ্রযাত্রাকে। যার ফলে কালে কালে বহু ভাষা-সংস্কৃতি-সভ্যতার গৌরবময় বৈশিষ্ট্য অধিকারী জাতিগোষ্ঠী ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলেছে তাদের স্বকীয়তা এমনকি পুরোপুরি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে তাদের অস্তিত্ব। বাংলা সাহিত্যের দুইজন খ্যাতিমান লেখক মহাশ্বেতা দেবী এবং সেলিনা হোসেন রচিত দুইটি ভিন্ন গল্প থেকে নির্যাস নিয়ে আমরা বিনির্মাণ করেছি সেই বহমান শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে যাওয়া মানুষের কাহিনী নির্ভর নাট্য প্রযোজনা “শালবৃক্ষের মৃত্যু”। পৃথিবীর সকল জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘটে চলা অবিরাম অন্যায়, অত্যাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে এ হলো আমাদের তীব্র প্রতিবাদের প্রতিচ্ছবি।

    মঞ্চে: অভিনয় করেন
    কথক: মনি রানী দে, ঋতু দাস, শ্রেয়সী ভাদুড়ী,
    মো. ফয়সাল, লিমন আহমেদ, লিমা রানী ভক্তি
    নীলমণি রিছিল: মনি রানী দে
    প্রিয়াঙ্কা: অমি সরকার
    চলেশ রিছিল: মাহফুজুর রহমান
    সন্ধ্যা: জান্নাতুল ফারিয়া প্রীতি
    সুবীর: মো. ফিরোজ মাহমুদ
    অজয়: মো. মাহফুজুর রহমান (পিয়াস)
    জয়া: লিমা রানী ভক্তি
    মান্দি আদিবাসী: ঋতু দাস, শ্রেয়সী ভাদুড়ী, লিমা রানী ভক্তি, লিমন আহমেদ
    বন কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনী: রাজন বিশ্বাস,
    মো. ফয়সাল
    পুলিশ অফিসার: বিপ্তন কুমার বিশ্বাস (বাঁধন)
    মেরী ওরাওঁ: মোছা. রেজুয়ানা সুলতানা কনা
    প্রসাদ গিন্নী: শ্রেয়সী ভাদুড়ী
    প্রসাদ জি: মো. ফয়সাল
    চা-ওয়ালা: মো. মাহফুজুর রহমান (পিয়াস)
    ক্রেতা: ঋতু দাস
    জালিম: লিমন আহমেদ (রিক্ত)
    তশীলদার সিং: বিপ্তন কুমার বিশ্বাস (বাঁধন)
    বনোয়ারী: মো. ফিরোজ মাহমুদ
    লালচাঁদ: মো. মাহফুজুর রহমান (পিয়াস)
    বুধনি: লিমা রানী ভক্তি
    ওরাওঁ আদিবাসী: ঋতু দাস, শ্রেয়সী ভাদুড়ী, অমি সরকার, মনি মোহন দে, মো: আদনান সানী, সাইদুজ্জামান সজীব, ইমাম মেহেদী হাসান

    নেপথ্যে: ছিলেন
    মঞ্চ পরিকল্পনায়: নুসরাত শারমিন
    রাজন বিশ্বাস, সাইদুজ্জামান সজীব
    আলোক পরিকল্পনা: নুসরাত শারমিন, রুদ্র সাওজাল
    মোল্লা আলভী মাহমুদ, মো. শাকিল আহমেদ
    পোশাক পরিকল্পনা: নুসরাত শারমিন
    পিপাসা সাহা গৌরী, হাবিবা আক্তার পিংকি, হৃদিকা ত্রিপুরা ডানা
    আবহ সংগীত: সাফফাত ইসলাম শিহাব, অরূপ চৌধুরী রুদ্র, শিহাব হাসান অনিক, ত্রিত্ব ঘাগরা, হরিদাশ অধিকারী কর্ণ
    ইমাম মেহেদী হাসান, ফারিয়া নূরুদ্দীন, মৌমিতা মোহন্ত রিয়া, হৃদিকা ত্রিপুরা ডানা, মায়িশাহ আনজুম, প্রিয়া আক্তার, মো: আদনান সানী, সাইদুজ্জামান সজীব
    নৃত্য ও চলন বিন্যাস: মনিসা সাহা , মো. শাকিল আহমেদ
    রূপসজ্জা: ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ, সন্ধ্যা বেগম, সাদিয়া মেহ্জাবিন তিস্তা, অতসি সরকার, পিপাসা সাহা গৌরী, মনিসা সাহা, হাবিবা আক্তার পিংকি, মৌমিতা মোহন্ত রিয়া
    দ্রব্য সামগ্রী: মোছা. রেজুয়ানা সুলতানা কনা,
    মনি রানী দে, লিমন আহমেদ, রাজন বিশ্বাস
    মহড়া ব্যবস্থাপক: মোছা: রেজুয়ানা সুলতানা কনা
    প্রযোজনা ব্যবস্থাপক: লিমন আহমেদ (রিক্ত)
    পোস্টার ডিজাইন: মো. ফয়সাল
    সার্বিক সহযোগিতা: মো. শাহিন আলম, মিটি মৃ, ফাতেমা তুজ যাহরা, শাহরিয়ার সাকিব, নাহিদ হোসেন, মো. মাশফিকুর রহমান, নিশিত, শিশির, অন্তুুু, প্রান্ত, আবির, হাবিবুল্লাহ, তাহমিদ

    সেলিনা হোসেনের “মৃত্যুর সূত্র কী” ও মহেশ্বেতা দেবীর “শিকার” গল্প অবলম্বনে নাটক “শালবৃক্ষের মৃত্যু”।
    নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় ছিলেন ড. সৈয়দ মামুন রেজা
    পরিবেশনা: স্নাতক ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষ, থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্ট্যাডিজ বিভাগ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।

    প্রদর্শনী : ২০ এবং ২১ আগস্ট, সন্ধ্যা ৭.০০ টা।
    জিয়া হায়দার ল্যাব. পুরাতন কলাভবন, জাককানইবি।

    তৃতীয় প্রদর্শনী: ২৩ আগস্ট শনিবার, সন্ধ্যা ৭.০০টা।
    জেলা শিল্পকলা একাডেমি, ময়মনসিংহ।

    সুহৃদ সকলকে সবান্ধবে আমন্ত্রন জানিয়েছেন নির্দেশক সৈয়দ মামুন রেজা া

  • ত্রিশালে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে তিনজন পেলেন সম্মাননা

    ত্রিশালে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে তিনজন পেলেন সম্মাননা

    অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি”প্রতিপাদ্য কে সামনে নিয়ে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫ দিবসে তিনজনকে সফলতার সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

    দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৮ আগষ্ট) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সম্মেলন কক্ষে সম্মাননা প্রদান, ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী।

    তিনি বলেন, আমরা যদি সঠিক নিয়মে মাছচাষ করি তাহলে সকলেই লাভবান হবো। আর যারা মৎস্য চাষের সাথে জড়িত আছি আমাদের একটা বিষয় মনে রাখতে হবে তা হলো পুকুর খনন করার সময় যেন আমরা পুকুরের চারটি পার ভালো ভাবে বাঁধ দেয়। কোনো ভাবেই যেন সরকারি রাস্তা পুকুরের পার হিসাবে ব্যবহার না করি। উপজেলা খামার ব্যবস্থাপক মোঃ মুজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন, উপজেলা কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান, ত্রিশাল থানা অফিসার ইনচার্জ মুনসুর আহমেদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল রহমান মৃধা, সাংবাদিক ফারুক
    প্রমুখ। এসময় অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক আলোচনা শেষে উপজেলার সফল মৎস্য চাষী হিসেবে এম মোস্তাক আহমেদ, জসিম উদ্দিন ও এআইএই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করায় উপজেলা প্রশাসন কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

     

  • কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

    কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত টিএসটি ভবনে প্রথমবারের মতে ১৭ আগস্ট রবিবার সকালে এই ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা ও পরিচিতি পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
    অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এ সময় নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তোমরা মেধার স্বাক্ষর রেখে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছো, তোমাদের সেই মেধাকে কাজে লাগিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। তোমাদের সকল দিক দিয়ে দক্ষতা অর্জন করে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তোমরা যে বিষয়েই ভর্তি হও না কেন, সেই বিষয়েই মেধার স্বাক্ষর রাখতে হবে।’ উপাচার্য আরও বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী যদি প্রথম থেকেই প্রতি ক্লাস মনোযোগের সাথে করে তাহলে তার শতকরা ৫০ ভাগ পড়া ক্লাসেই হয়ে যায়। আর অবশিষ্ট শতকরা ৫০ ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী, বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরী ও অন্যান্য উৎস হতে সম্পন্ন করতে হয়। এক সেমিস্টারে যদি পিছিয়ে পড়ো তাহলে তা থেকে উত্তরণে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে। তাই প্রথম থেকেই ভালো করতে হবে।’ পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘তোমাদের পরিশ্রম করতে হবে, অধ্যবসায় করে নিজেদের দক্ষ হিসেবে তৈরি করতে হবে। আমাদের বন্ধুরা যারা আগে অনেক আয়েশি জীবন যাপন করতো তাদের অনেকেই এখন শোচনীয় অব¯’ায় রয়েছে। আর যারা কষ্ট করে নিজেকে তৈরি করেছে এবং টিউশনি করেছে তারা এখন অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। তোমাদের থেকে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের অনেক চাওয়া রয়েছে। আমি আশা করি তোমরা সেই চাওয়া পূরণ করতে পারবে।’ সকলের সহযোগিতায় দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের তৈরি করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে এবং সকলের সার্বিক সাফল্য কামনা করে অনুষ্ঠানের সভাপতি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও ওরিয়েন্টেশন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদশে উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি নবীন শিক্ষার্থীীদের উদ্দেশ্যে তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উ”চ-মাধ্যমিক হলো তোমাদের ভিত্তি। যাদের ভিত্তি মজবুত ছিল তারাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছো। তবে অনেক অভিভাবকের ইচ্ছা ছেলেকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বানাবে, সবশেষে কোনকিছু না হলে ভালো একটি বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবে। আসলে সকল বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। তোমরা যে বিষয়েই পড়ো না কেন, তোমাদের সেই বিষয়ে জ্ঞানার্জন করতে হবে। শুধু সনদ নেওয়ার জন্য শিক্ষা গ্রহণ করলে হবে না। অনেক শিক্ষার্থী অনেক ভালো জিপিএ নিয়ে বিদেশে স্কলারশিপে যায়। বিদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যায় এবং বাবা-মার সাথে দেখা করার মতো সময় তাদের থাকে না। বাবা-মা মারা গেলে কেবল এসে দাফন করে যায়। এমন হলে চলবে না। তাদের রেজাল্ট ভালো হলেও তাদের সনদে খাদ আছে। তোমরা জ্ঞানী হও কিন্তু জ্ঞানপাপী হইও না।’ দেশের সংকটময় সময়ে শিক্ষার্থরাই এগিয়ে আসে উল্লেখ করে প্রধান অতিথি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কী পারে তা করে দেখিয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে। বিধ্বস্ত বাংলাদেশ থেকে নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তারা বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছে। সুতরাং তোমাদেরও সেইভাবে দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে, দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।’ বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন ও ওরিয়েন্টেশন আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ওরিয়েন্টেশন আয়োজন কমিটির সদস্য-সচিব প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ, আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মো. আশরাফুল আলম ও প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মো. জিল্লাল হোসাইন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষে আইন ও বিচার বিভাগের হুমায়রা মিজান ইপ্সিতা এবং ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের মো. রবিউল ইসলাম তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবীন শিক্ষার্থীদের রজনী গন্ধ্যার স্টিক দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের একটি করে ফোল্ডার, নোটবুক, কলম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রদান করা হয়।

  • ত্রিশালের সাবেক এমপি রুহুল আমীন মাদানীর ইন্তেকাল

    ত্রিশালের সাবেক এমপি রুহুল আমীন মাদানীর ইন্তেকাল

    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী ইন্তেকাল করেছে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেট প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

    পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মরহুমের বড় ছেলে হোসাইন প্রিন্স।

    হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী গত ২১ জুলাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে ২৩ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল দিবাগত রাতে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। হার্ডের সমস্যাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন তিনি।

    মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    ১৯৯৬ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৮ সালে সংসদ সদস্য হওয়ার পর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ত্রিশাল অঞ্চলের উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

    মরহুমের জানাযার নামাজ তার নিজ গ্রামের বাড়ী ত্রিশাল সদর ইউনিয়নের চক পাঁচপাড়া মাদ্রাসা ও কারিগরি কলেজ মাঠে আজ বুধবার বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত হয়। পরে কলেজ মাঠ সংলগ্ন নির্মাণাধীন মসজিদের দক্ষিণ পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন।

  • মমেক হোস্টেলে শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, মুখ খুলছে না সহপাঠীরা

    মমেক হোস্টেলে শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, মুখ খুলছে না সহপাঠীরা

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) হোস্টেলের শিক্ষার্থী শরীফা ইয়াসমিন সৌমার (২০) রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার কক্ষ থেকে ৪ থেকে ৫ পৃষ্ঠার একটি সুসাইডনোট, ইঞ্জেকশন ও সিরিজ উদ্ধার করা হয়। এনিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে মেডিকেল কলেজের ভেতরে বাইরে।

    মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টার দিকে মমেক হোস্টেলের ৩১১ নম্বর কক্ষে এই মৃত্যুর দুর্ঘটনা ঘটে।

    মৃত শরীফা ইয়াসমিন সৌমা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি খুলনা জেলার খালিশপুর চরের হাট এলাকার বাসিন্দা মো: তায়েদুর রহমানের মেয়ে।

    মমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো: শফিক উদ্দিন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত ইনঞ্জেকশন নেওয়ার কারণে এই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তবে কেন বা কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি।

    তবে ঘটনার বিষয়ে মুখ খুলছেন না মৃত শরীফা ইয়াসমিন সৌমার সহপাঠীরা। তাদের জানতে চাইলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এনিয়ে আমরা কোন মন্তব্য করতে চাই না।

    মৃতের বড় ভাই প্রকৌশলী মো: মাহাবুবুর রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, আমার বোন হোস্টেলে থেকে এমবিবিএস পড়ছিল। কিন্তু কেন তার এই মৃত্যু আমরা কিছু জানি না, বলেই তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

    তবে মৃত শরীফা ইয়াসমিন সৌমা সুসাইডনোটে কী লিখে গেছেন, তা এখনো জানা যায়নি। বর্তমানে তার মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন এসআই)মো: শফিক উদ্দিন।

  • ত্রিশালে ওমান প্রবাসীর জমির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর,হত্যার হুমকি

    ত্রিশালে ওমান প্রবাসীর জমির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর,হত্যার হুমকি

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের র্ক্শুানগর গ্রামের ওমান প্রবাসীর জমির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর, জোরপূর্বক দখল ও হত্যার হুমকি দিয়েছে একটি জমি দখলকারী মহল। এ ব্যাপারে ভোক্তভোগী ওমান প্রবাসী খোকন বাদী হয়ে সোমবার ত্রিশাল থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রতিবেশী এক প্রভাবশালী ক্ষমতার অপব্যবহার করে দখলবাজির মাধ্যমে অন্যের জমির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় বাধা দিলে ভূমি দখলবাজ সাঙ্গপাঙ্গরা জমির মালিক ও স্বজনদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে । এ বিষয়ে আজ দুপুরে ত্রিশাল থানায় একটি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী খোকন মিয়া। অভিযোগ উঠছে, ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের প্রভাবশালী একটি চক্র জমি দখলে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কোনো কাগজপত্র ছাড়াই জমি দখল করে নিচ্ছে। নিজেদের অপকর্ম আরো শক্তিশালী করতে দেশি অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে দখল করেছে কুর্শানগর এর মৃত সাহেদ আলী ভূমিদস্যু ছেলে আশ্রাব আলী (৫৮), ও শামছুল হক (৫২), মোঃ মাসুদ (৩৫), মাহফুজ (৩২), জেসমিন (৩৮), হালিমা খাতুন (৫৫) গং। থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের কুশানগর মৌজার জে,এল নং ৯০,খতিয়ান নং ১০৫, দাগ নং-৯৮৪ জমির পরিমাণ সাড়ে ১২ শতাংশ জমি পৈত্রিক সুত্রে পান এবং বাকী জমি সাবকাওলা দলিল মূলে কিনেন এবং জমির মালিকানা সুত্রে জমির সীমানা নির্ধারন করে তাতে পিলার দিয়ে কাটা তারের বেড়া দেন । কিন্তু পাশের বাড়ির আশ্রাব আলী (৫৮), শামছুল হক (৫২), মাসুদ (৩৫),মাহফুজ (৩২), জেসমিন (৩৮), হালিম খাতুন (৫৫) রোববার দা বল্লম নিয়ে প্রবাসী খোকন মিয়াকে দাওয়া করে ঘরের ভিতর মেওে ফেলার হুমকি দিয়ে আটকে রেেেখ জমিতে দেয়া খুঁটি তারের বাউন্ডারি সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে। স্থানীয় বাসিন্দা তোতা মিয়া বলেন, আমি কিছুদিন আগে শুনেছি এই জমি ওমান প্রবাসী খোকন মিয়া কিনেছে। পরে সে জমি মেপে সীমানা প্রাচীর নির্ধারণ করে পাকা ফিলার ও জিআই তারের বেরা দেয়। কিন্তু গতকাল বিকালে আশ্রাব আলীরা তা ভাংচুর করে এবং জমি দখল নেওয়ার চেষ্টা করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আরেক স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, গতকাল রোববার বিকালে তারা জমির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেছে এটা ঠিক হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, দলিলপত্র যাচাই করে ওমান প্রবাসী খোকন মিয়ার কাগজপত্র সঠিক পাওয়া যায়। স্থানীয় সালিশে ওই জমি ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হলেও ভূমিদস্যু আশ্রাব আলীরা প্রভাব খাটিয়ে কোনো তোয়াক্কা করছে না। ওমান প্রবাসী খোকন মিয়া বলেন, আমি ছুটে এসে এ জমি কিনেছি আমার নামেই জমি দলিল ও খাজনা খারিজ হয়েছে। অথচ আশ্রাব আলীরা আমার জমির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেছে এবং আমাকে মৃত্যুর হুমকি দিচ্ছে। আমি সরকারের কাছে সুস্থ বিচার চাই। এ বিষয়ে ত্রিশাল থানা অফিসার ইনচার্জ মুনসুর আহমেদ জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।