শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশ গঠনে অবদান রাখা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে: রাষ্ট্রপতি ঢাবি শিক্ষকের মন্তব্য ঘিরে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষোভ জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে বিএনপির আট দিনের কর্মসূচি ঘোষণা শিশু ধর্ষণের আসামিকে গণপিটুনি আইসিইউতে মৃত্যু ত্রিশালে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিলেন এমপি ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২৭তম নজরুল জয়ন্তীতে কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ত্রিশালে তিন দিনব্যাপী নজরুল জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আইন মন্ত্রী

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে: রাষ্ট্রপতি

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
  • ৮ সময় দেখুন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং একজন বাস্তববাদী ও কর্মোদ্যমী রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় জনগণের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, গভীর দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা, স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা এবং জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নির্মমভাবে নিহত হন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

রাষ্ট্রপতি স্মরণ করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের আহ্বান জানান, যা সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক্‌, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে তিনি বহুমুখী পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণ করেন। তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা হিসেবে বিবেচিত।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় জিয়াউর রহমান ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বল্প সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলেও গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন, যা আজও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD