ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নদীর দুই পাড়ের প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষ এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ৩০ থেকে ৪০টি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এলাকায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসামদিয়া গ্রামের এক যুবক ও কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের আরেক যুবকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাইকিং করে বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন জড়ো করা হয়। একপর্যায়ে হাজার হাজার মানুষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেয়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষের কারণে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়ক এবং খুলনা-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুই মহাসড়কেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দূরপাল্লার অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন শত শত যাত্রী।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সংঘর্ষ থামাতে এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনায় আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সংঘর্ষের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।