বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের নাশকতা, সন্ত্রাস, অপপ্রচার ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ত্রিশালে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে শ্রমিকদল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে Pathways to Higher Education in Foreign Countries শীর্ষক কর্মশালা বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা ময়মনসিংহে যুবদল নেতা রাজার খুনীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে মানব বন্ধন ময়মনসিংহ নগরীর নওমহল প্রাইমারি স্কুলে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা গাছে ঝুলছিল বড় ভাইয়ের মরদেহ, স্ত্রীসহ লাপাত্তা ছোট ভাই ত্রিশালে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্ট এর সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার ৭ আরোহী নিহত ‎লেখালিখি হোক সমাজ সংস্কারের হাতিয়ার: লেখক এস এম মাসুদ রানা

কমলগঞ্জে ধলাই নদীর ভাঙনে পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৯৪ সময় দেখুন

টানা দুই দিনের ভারী বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার অন্তত ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ জনপদ, তলিয়ে গেছে সড়ক, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষিজমি। এছাড়াও একটি কালভার্ট ধসে পড়ায় ব্যাহত হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাতে ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মখাবিল এলাকায় ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ উজানের প্রবল স্রোতে ভেঙে যায়। এর ফলে ইসলামপুর, আদমপুর ও মাধবপুর ইউনিয়নের মখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরিগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালায়েরবিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেঁতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোরামারা গ্রাম প্লাবিত হয়। বন্যার পানিতে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) আপত্তির কারণে মখাবিল এলাকায় ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ করা সম্ভব হয়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বাড়লেই ওই অংশে ভাঙন দেখা দেয় এবং বন্যা সৃষ্টি হয়।

পাউবো আরও জানায়, মখাবিল এলাকা দিয়ে প্রবেশ করা বন্যার পানি ধীরে ধীরে নিম্নাঞ্চলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে শমশেরনগর, পতনউষার ও মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাতেও পানি বাড়ছে। প্রবল স্রোতে কৃষকদের রোপণ করা আউশ ধান ও বিভিন্ন সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে পাহাড়ি ঢলের কারণে মাধবপুর-ভায়া-শ্রীমঙ্গল সড়কের নুরজাহান চা-বাগানের গোয়াবাড়ি এলাকায় একটি কালভার্ট ধসে পড়েছে। এছাড়া আদমপুর-ইসলামপুর সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় কয়েকটি এলাকার সঙ্গে যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটেছে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৯১ মিলিমিটার, বুধবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত আরও ৭৯ মিলিমিটার এবং বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় জানান, বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে অনেক কৃষিজমি পানির নিচে থাকায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, ধলাই নদীর মখাবিল এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভারতীয় বিএসএফের আপত্তির কারণে ওই অংশে প্রতিরক্ষা বাঁধের সংস্কারকাজ করা সম্ভব হয়নি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD