মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি সাক্ষরতা শুধু অক্ষরজ্ঞান নয়, এটি ক্ষমতায়নের চাবিকাঠি বাংলা বর্ণমালার গৌরবে উন্মোচিত বাংলাদেশের নতুন ফুটবল জার্সি অশ্লীল ভাষায় ব্যক্তিগত গালিগালাজ আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ: রিজভী টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা ফারুক চেয়ারম্যান হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ সাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবে জিহাদের ‘সাঁকোটা দুলছে’ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পরিবেশ সচেতনতা ও গবেষণায় ক্যারিয়ার’ শীর্ষক সেমিনার আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে নতুন প্রজন্মকে মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন ত্রিশালে স্বামীর মোটরসাইকেলে ওড়না প্যাঁচিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রী ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুরুতর আহত ১, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার

টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা ফারুক চেয়ারম্যান হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৫ সময় দেখুন

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি নেতা ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যাকাণ্ডের ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন তার পরিবার ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা। মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও আলোচনা সভায় দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানানো হয়।

‘শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি সংঘ’ ও পশ্চিম টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ এক যুগেও এই হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সভায় বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, নিহত ফারুকের ভাই ও দাইন্যা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান লাভলু মিয়াসহ আরও অনেকে। আলোচনা সভা শেষে শহীদ মিনার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আদালত চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর সকালে টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় প্রাতর্ভ্রমণে বের হয়েছিলেন রফিকুল ইসলাম ফারুক। সে সময় একদল সন্ত্রাসী তাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। প্রথমে সদর থানা পুলিশ ও পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলাটি তদন্ত করে। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় হতাশ নিহতের স্বজনেরা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD