কেউ শখে বাংলা সাহিত্যের প্রেমে পড়ে লেখালিখি করেন। আবার কেউ সমাজের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার অনন্য তাড়না নিয়ে লেখালেখি করেন। এবং এর মাধ্যমে ব্যক্তির চিন্তাশীল ধারণার বহিঃপ্রকাশ ঘটে ।
বাংলা সাহিত্যে কচ্ছপের মতো দৃঢ় গতিতে ছুটে চলা ত্রিশাল উপজেলার প্রতিভাবান সব্যসাচী লেখক এস এম মাসুদ রানা। তার সৃজনশীল লেখনীতে উঠে আসে বিভিন্ন ঘটনা ও সমস্যা। সেগুলো থেকে পরিত্রাণের যথার্থ সমাধান। এর ফলাফল সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য আশীর্বাদ। তরুণ প্রজন্মের বিকাশ ও ভাবনাতে লেখালিখির প্রভাব অনন্য। লেখালিখি ব্যক্তির বিকাশে গভীর এবং বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলে। যার মাধ্যমে আমরা শুধু চিন্তাভাবনা প্রকাশ করি না বরং আত্ম-আবিষ্কার, সৃজনশীলতা এবং মেধার বিকাশও সাধন করি।
সব্যসাচী লেখক এস এম মাসুদ রানা’র মনে করেন সাহিত্য মানুষের মননশীলতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যা ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনে সফলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তারুণ্যের বিকাশ এবং চিন্তাধারা গঠনে এটি অপরিহার্য।
সব্যসাচী লেখক এস এম মাসুদ রানা কৈশোর জীবনে প্রথম বারের মতো অমর একুশে বই মেলায়-২০০৭ সালে অংশগ্রহণ করেন। তার প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস ‘হেমন্তের শেষ বিকেলে হারিয়ে গেলে তুমি’ দিয়ে পাঠকের নজরে আসেন। সেই সৃজনশীল সাহিত্য কর্মের ধারাবাহিকতা নিয়ে একের পর এক চমক সৃষ্টি করছেন তার কলমে।
লেখক কখনো ত্রিশালের সূতিয়া,বানার, খিরো নদীর প্রেমে পড়ে লিখেছেন, খোঁজে বেড়াই তারে জনপ্রিয় কাব্য গ্রন্থ, কখনো উপন্যাস প্রেমিকের জন্য সৃষ্টি করেছেন। ভেজা চোখ, সুখ সারথি, নষ্ট মেয়ের গল্প, মেঘ প্রথম, দ্বিতীয়, শেষ খণ্ড, মানচিত্রের কান্না ও ডাবল জিরো’র মতো জনপ্রিয় উপন্যাস। আবার কখনো কোমলমতি শিশুদের গল্পের নেশায় ডুবে লিখেছেন, ভূতের জন্মদিন, ভূতের ডিম,ভূত রাজার দেশে ও তাহমিদের গোয়েন্দা অভিযান।
সব্যসাচী লেখক এস এম মাসুদ রানা মনে করেন লেখালিখি এমন একটি মাধ্যম, যাতে করে অভাবনীয় সাফল্যের দোরগোড়ায় পৌঁছানো যায়। যদি এ বীজ তারুণ্যের মধ্যে শোভা পায়, তবে তা সমাজ ও দেশের জন্য হবে অতি মঙ্গলজনক। এটি শুধু তাদের মেধাকে বিকশিত করে না বরং দেশ ও সমাজ নিয়ে ইতিবাচক চিন্তাগুলোর উৎকর্ষ সাধনেও সহায়ক হয়। সেই ধারাবাহিকতা নিয়ে আগামীতে নিজেকে ভেঙ্গেচুরে নতুন কোনো সাহিত্য কর্ম নিয়ে আসবেন পাঠক মহলে।