রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগনের ভোগান্তি লাঘবে উন্নয়ন কাজের কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা যাবে না এমপি ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে জিএসটি গুচ্ছ ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ত্রিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত ত্রিশালে পদোন্নতি পাওয়ায় সহকারী কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ত্রিশালে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর এর সাথে বিএনপির সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সভা অনুষ্ঠিত আমার নির্বাচনী এলাকার কোন রোগী যেন চিকিৎসা ওষুধ ছাড়া কেউ ফেরত না যায় ডাঃ লিটন আমাদের স্ব স্ব অবস্থান হতে ত্রিশালের মানুষের উন্নয়ন ও কল্যানে কাজ করতে হবে ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন ময়মনসিংহে চাঁদার টাকা বাড়ানোর প্রতিবাদে ত্রিশালে সিএনজি চালকদের ঢাকা -ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

রফিকুল ইসলাম শামীম
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১৭ সময় দেখুন
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৫৫তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়। ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী।

জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ হতে চির উন্নত মম শির এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদীয় ডিন, শিক্ষক সমিতি, বিভিন্ন বিভাগ, হল, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ হতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনায় বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ এবং দুই লক্ষেরও বেশি বীরাঙ্গনার নিগৃহীত হওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা মহান স্বাধীনতা পেয়েছি। আমাদের মূল চাওয়া ছিল মানবাধিকার, সামাজিক সাম্যতা, ন্যায়বিচার প্রাপ্তি। আমরা গত ৫৫বছর ধরে এই য্দ্ধু করে চলেছি এগুলো প্রতিষ্ঠার জন্য। আজকের দিনে আমরা নতুন করে শপথ নিতে চাই, আসুন আমরা ১৯৭১ সালে প্রণীত গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধানে লেখা সামাজিক ন্যায়বিচার, মৌলিক মানবাধিকার, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরা চেষ্টা করে যাই। শহীদদের আত্মত্যাগ সেদিনই সফল হবে, যেদিন আমরা আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে এসমস্ত অধিকারগুলো সমভাবে সকল ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করতে পারবো।’

সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ সুখন), শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD