একজনের বয়স ৩৯, অন্যজনের ২৭। একজন খেলছেন যুক্তরাষ্ট্রের এমএলএসে, অন্যজন ইউরোপের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লা লিগায়। বয়স ও লিগের পার্থক্য থাকলেও ২০২৫-২৬ মৌসুমের পারফরম্যান্সে আবারও তুলনায় এসেছেন লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। গোল, অ্যাসিস্ট, ড্রিবল ও দলীয় সাফল্য—সবকিছু মিলিয়ে কে ছিলেন এগিয়ে, সেই বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে স্প্যানিশ দৈনিক মার্কা।
মৌসুমের গোলের হিসাবে এমবাপ্পে এগিয়ে। ৬০ ম্যাচে ফরাসি ফরোয়ার্ড করেছেন ৫৮ গোল, সঙ্গে রয়েছে ১৩টি অ্যাসিস্ট ও ১৩৬টি সফল ড্রিবল। লা লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে ৪৯ ম্যাচে মেসির গোল ৪৫টি। তবে গোল করানোর ক্ষেত্রে তিনি অনেক এগিয়ে—সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৩০টি গোল। সফল ড্রিবলের সংখ্যা ১১৭টি। পারফরম্যান্স রেটিংয়েও মেসি এগিয়ে ছিলেন। তাঁর গড় রেটিং ৮.৫৫, যেখানে এমবাপ্পের ৭.৭৫।
দলীয় সাফল্যের দিক থেকেও এগিয়ে মেসি। তাঁর নেতৃত্বে ইন্টার মায়ামি ইতিহাসে প্রথমবার এমএলএস শিরোপা জেতে। বিশ্বকাপেও মেসির আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত রানার্সআপ হয়।
বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানেও দুজনই ইতিহাস গড়েছেন। মেসি বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ২১ গোল নিয়ে, যার মধ্যে ২০২৬ আসরে করেছেন ৮টি। আর এমবাপ্পে ২২ গোল নিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। এবারের আসরে ১০ গোল করে জিতেছেন গোল্ডেন বুটও।
সব মিলিয়ে গোলের দিক থেকে এমবাপ্পে এগিয়ে থাকলেও অ্যাসিস্ট, পারফরম্যান্স রেটিং ও দলীয় সাফল্যের বিচারে মেসির পাল্লা ভারী। তবে বয়স ও লিগের পার্থক্যের কারণে দুজনের পরিসংখ্যানকে সরাসরি তুলনা করা কতটা যুক্তিসংগত, সেই বিতর্ক থেকেই যাচ্ছে।
তথ্যসূত্র: মার্কা