শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার হাতে স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তর এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানার বাইরে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে Ethics, Discipline & Good Governance: Strengthening Institutional Excellence Through The HEAT Project শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নতুন প্রযুক্তির যুগে তরুণরাই পরিবর্তনের মূল শক্তি: জহির উদ্দিন স্বপন ইতিহাস থেকে একাত্তর মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে: রিজভী বিয়ে করে আর্জেন্টিনার ‘জামাই’ হলেন রোনালদো সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃ অনুষদ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ চ্যাম্পিয়ন কলা অনুষদ ত্রিশালে মাদক সেবনের দায়ে তিনজনকে কারাদন্ড প্রদান DC’s Award for Cleanliness’ পেল ত্রিশালের নজরুল মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাকৃবির চার হলে সংঘর্ষ: ৪২ শিক্ষার্থীকে শোকজ

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অপব্যবহার নয়, ভাষায় সংযম জরুরি: মুশফিকুল ফজল আনসারী

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৫ সময় দেখুন

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করার পাশাপাশি ভাষা ও শব্দচয়নে সংযম এবং সুবিবেচনার পরিচয় দেওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীতে ড. মোবাশ্বেরের একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, বর্তমানে মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করছে। তবে স্বাধীনতার অর্থ যা ইচ্ছা তা বলা নয়। পরিবার বা ব্যক্তিগত পরিসরে যে ভাষা ব্যবহার করা হয় না, রাজনীতিতেও সেই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, শুধু রাষ্ট্রের সংস্কারের কথা বললেই হবে না, মানুষের মানসিকতারও সংস্কার প্রয়োজন। রাজনীতির নামে বর্তমানে যে ধরনের ভাষা ও শব্দচয়ন দেখা যাচ্ছে, তা হতাশাজনক।

বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ সাধারণত বড়দের সম্মান করে এবং ছোটদের স্নেহ করে। অথচ রাজনীতিতে যে ধরনের ভাষা ও আচরণ দেখা যাচ্ছে, তা বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

স্বাধীনতার অপব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মানুষের অধিকার। তবে এই স্বাধীনতা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে চর্চা করতে হবে।

দেশের গত ১৭ বছরের সাংবাদিকতার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মুশফিকুল ফজল আনসারী। তাঁর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে ভয়, চাপ ও ক্ষমতাসীনদের প্রভাবের কারণে দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিসর সংকুচিত ছিল। অনেক সাংবাদিককে বিবৃতি লেখকের ভূমিকায় নামিয়ে আনা হয়েছিল এবং গণমাধ্যমের একটি অংশ জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানের মতো কাজ করেছে।

এ প্রসঙ্গে ড. মোবাশ্বেরের লেখালেখির প্রশংসা করে তিনি বলেন, যখন দেশে সত্য কথা বলা কঠিন ছিল, তখনও ড. মোবাশ্বের লেখালেখি চালিয়ে গেছেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাননি।

মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, ড. মোবাশ্বেরের লেখাগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের বাস্তবতা তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি নিজেও যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে তাঁর লেখাকে তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মুক্ত মতপ্রকাশের চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। যে সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষ যেন নির্ভয়ে ও স্বাধীনভাবে লিখতে পারে, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের চর্চা ও মুক্ত মতপ্রকাশ নিশ্চিত করার যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, বাংলাদেশ এখন সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD