রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাছে ঝুলছিল বড় ভাইয়ের মরদেহ, স্ত্রীসহ লাপাত্তা ছোট ভাই ত্রিশালে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্ট এর সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার ৭ আরোহী নিহত ‎লেখালিখি হোক সমাজ সংস্কারের হাতিয়ার: লেখক এস এম মাসুদ রানা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে ডাঃ লিটন এর মত বিনিময় ত্রিশাল হাসপাতাল হতে কোন রোগী ঔষধ ছাড়া ফিরত যাবেনা এমপি ডাঃ লিটন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে পোশাক শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগ ত্রিশালে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত । জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Implementing OBE in Social Sciences: A Practical Guide to Outcomes, Alignment & Assessment’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ

বাকৃবির চার হলে সংঘর্ষ: ৪২ শিক্ষার্থীকে শোকজ

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৩ সময় দেখুন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) চারটি আবাসিক হলকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিক সংঘর্ষ, হামলা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৪২ শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শোকজ পাওয়া শিক্ষার্থীদের আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থন করে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম। তিনি জানান, চারটি হলের পৃথক ঘটনায় মোট ৪২ শিক্ষার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। আগামী ১১ আগস্টের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দিতে হবে।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীম বলেন, হলগুলো থেকে পাওয়া লিখিত অভিযোগ এবং ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকালে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থীদের শোকজ করা হয়েছে। এখন তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনাগুলো তদন্তে গঠিত দুটি কমিটিও কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, শোকজ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ নির্দোষ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে তদন্তে কেউ সংঘর্ষ বা ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনো প্রশাসনের কাছে জমা পড়েনি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ ও ২৪ জুলাই ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে আশরাফুল হক ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১৩ জন আহত হন।

এরপর ১ আগস্ট মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটিকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী ও ভাসানী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে আরও পাঁচজন আহত হন। সর্বশেষ ২ আগস্ট রাতে চারটি হলের শিক্ষার্থীরা পৃথক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এসব ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের পাশাপাশি হলের গেট, জানালার কাচ, সিসিটিভি ক্যামেরা ও বৈদ্যুতিক বাতিসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ধারাবাহিক এসব ঘটনার পর সংঘর্ষের কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের শনাক্ত করতে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও শিক্ষার্থীদের শোকজের জবাব পর্যালোচনা করে দায়ীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD