ময়মনসিংহের ত্রিশালে বইলর কানহর ধরার খাল খনন কাজের অতিরিক্ত টাকা ব্যয় না হওয়ায় ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিলেণ ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতার্ ছাইফুল ইসলাম|
গত ২৩ মে ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়নের কানহর ধরার খালের পূনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান|
ধরার খালের ৩১শ মিটার কাজ শেষ হওয়ার পর ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা সেফ হওয়ায় তা ফেরত দেয়া হয় বলে জানান ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী|
ত্রিশাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানাযায়- ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়নে ধরার খাল পুনঃ খনন কার্যক্রম প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের ভিত্তিতে ৩১শ মিটার দূরত্বের ধরার খালটির পূনঃ খননে মন্ত্রনালয় হতে কাজের বিপরিতে বরাদ্ধ হয় ৬৫ লক্ষ টাকা|
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের অধীনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে এ কাজ বাস্তবায়ন করা হয়|
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে আরো জানাযায়- উপজেলা বইলর ইউনিয়নের ঠনিভাংগা বিল থেকে শুরু হয়ে কাঠাল, বইলর, কানহর, হদ্দেরভিটা হয়ে বোকাবিল পর্যন্ত ৩১শ মিটার লম্বা খাল দখলমুক্ত করে এখানকার কৃষকের ধান চাষের সুবিধার লক্ষ্যে পুনরায় পানির প্রবাহ চলমানের জন্যে খাল পূনঃখনন কার্যক্রম চলতি বছরের ২৩ মে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান|
২৫ মে থেকে খালটির পূনঃ খননের কাজ শুরু হয়ে ৩০ শে জুন খনন কাজ শেষ হয়| খনন কাজ চলাকারীন সময়ে খালের দু পাশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, সরকারী হালট অনুযায়ী খাল খনন, পাড় বাধাই করা ও খালের দুপাশে বৃক্ষরোপন কাজ সমাপ্ত করা হয়|

পূনঃ খনন কাজ শেষ হলে গত ১০ই জুলাই খালের দু পাড়ের মাটি শক্ত ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে খালের পাড়ে বৃক্ষরোপন করে বৃক্ষরোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন|
খালটির সকল কাজ সমাপ্ত ও বিল প্রদানের পর খালটির বরাদ্ধকৃত ৬৫ লক্ষ টাকা মধ্যে ৪৮ লক্ষ ৫০ হাজার মধ্যে ১৬ লাখ ৫০ হাজার খরচ না হওয়ায় অতিরিক্ত টাকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফেরত প্রদান করেন ধরার খাল পূনঃ খনন কমিটির সভাপতি ও ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী এবং খাল পূনঃখনন কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্মা ছাইফুল ইসলাম|
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী জানান ধরার খালটি ১৯৭৯ সালের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম খনন করেন| কালের পরিক্রমায় দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ায় অকেজো ছিলো খালটি | বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহনের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের ২৩ শে মে খালটির পূনঃ খনন কার্যক্রম এর উদ্বোধন করেন| এ প্রকল্পে মোট বরাদ্ধ ৬৫ লাখ থাকলেও ঠিক মতো কাজের তদারকি করায় কাজের নির্ধারিত টাকার সম্পুর্ন টাকা খরচ হয়নি| বিভিন্ন স্থানে প্রসস্থতা কম বেশী থাকায় পুরো কাজ সম্পন্ন করে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা সাশ্রয় হয়| আমরা এই অতিরিক্ত টাকা সরকারী সংশ্লিষ্ট ফান্ডে ইতিমধ্যে জমা দিয়েছি|
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান- আমরা সরকারী হালট অনুযায়ী যেটুকু খনন করা প্রয়োজন তা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করেছি| সংসদ সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন স্যারের সার্বিক পরামর্শ ও তত্বাবধানে ৩১ মিটার খালে ১০ ফুট গভীর করে ১৫ থেকে ২৩ ফুট প্রসস্থ করে খনন করতে সক্ষম হয়েছি| খনন শেষ করে বৃষ্টি হওয়ায় একাধিকবার পাড় বাধাই করে দুপাশে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপন করেছি| সব কিছু করেও সংসদ সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান স্যারের দিক নির্দেশনা ও তত্বাবধানে ও প্রকল্পের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত স্যারের পরিশ্রমে বাজেটের টাকা বাচিয়ে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফিরত দিতে পেরেছি|
