স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-কে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’-এ ভূষিত করা হয়েছে।
১৬ এপ্রিল বৃহস্প্রতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর হাত থেকে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ -এ ভূষিত গনতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার নাতনি ব্যারেস্টার জায়মা রহমান।
বেগম খালেদা জিয়ার এই স্বীকৃতি যা শুধু একটি পুরস্কার গ্রহন করা নয়, বরং একটি ইতিহাস, একটি সংগ্রাম, ্একটি আদর্শের ও ধারাবাহিকতার প্রতীক।
এই স্বীকৃতি প্রদান অনুষ্ঠানটি আবেগঘন ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি আবেগঘন ও ছিল। এতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে এই সম্মাননাকে “জাতির জন্য গৌরবময় ও আবেগঘন মুহূর্ত” হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি তার পোস্টে আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান কেবল একটি সময়ের নয়, বরং একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও আদর্শের প্রতিফলন। একইসঙ্গে তিনি পাঠকদের জন্য দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রকাশিত তার একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখাও পুনরায় পাঠের আহ্বান জানান।
বিশিষ্টজনদের প্রতিক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই স্বীকৃতি দেশের গণতান্ত্রিক ধারার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।