ময়মনসিংহ থেকে নতুন মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চললেও ত্রিশালবাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছে ভিন্ন প্রত্যাশা। তাদের দাবি, ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ বিভাগের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। 
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই ডা. লিটন ত্রিশালের উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিন পর ঐতিহ্যবাহী নজরুল জয়ন্তী আয়োজনের মাধ্যমে তিনি এলাকার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনেন। এছাড়া জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ত্রিশালে নিয়ে এসে এলাকাটিকে নতুনভাবে আলোচনায় আনতেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে মনে করেন অনেকে।
ত্রিশালের দীর্ঘদিনের অবহেলিত ঐতিহাসিক “ধরার খাল” পুনঃখননের উদ্যোগও স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে ডা. লিটনের পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে। ত্রিশালকে একটি আধুনিক “ক্রীড়া নগরী” হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা তরুণদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
একজন চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা ও বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে এলাকায় তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলেও মত দেন স্থানীয়রা। শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে তাঁর অবদানের কথাও তারা উল্লেখ করেন।
ত্রিশালবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চল মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত। তাই এবার যোগ্যতা, জনসম্পৃক্ততা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিবেচনায় ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনকে মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব দেওয়া হলে তা ত্রিশালবাসীর প্রত্যাশার প্রতিফলন হবে।
এ বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা থাকলেও মন্ত্রিসভা গঠন বা সম্প্রসারণ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।