রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে চুরমার করেছে পতিত সরকার: তিতুমীর সমসাময়িক জনসংখ্যা ইস্যু, টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের সেমিনার নজরুল সিটি শিশুপার্কের শুভ উদ্বোধন করেছেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ড. মাহবুবুর রহমান লিটন। ত্রিশালে স্কুল ও ক্রীড়া ক্লাব ও সংগঠনের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ত্রিশাল পৌর বিএনপির সভাপতি প্রয়াত আলেক চাঁন দেওয়ানের স্মরন সভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের কথা নিজেই নিশ্চিত করলেন মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী এফডিআই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: বাংলাদেশ হবে বিদেশি বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য

পাবনায় স্কুলছাত্রী হত্যায় প্রেমিকসহ তিনজন পুলিশের জালে

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ৭০ সময় দেখুন

পাবনা সদর উপজেলার পদ্মা নদী থেকে হাত বাঁধা ও বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নিহত কিশোরীর নাম রিয়া খাতুন (১৫)। সে সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় মাওলানা কাসিমুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় তার কথিত প্রেমিকসহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বুধবার (৩ জুন) সকালে সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর-পীরপুরসংলগ্ন পদ্মা নদীর তীর থেকে রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে ডিবি, থানা পুলিশ ও ডিএসবির সমন্বয়ে তদন্ত শুরু হলে অল্প সময়ের মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতার হওয়া আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একই গ্রামের নাঈমের সঙ্গে রিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে রিয়া নাঈমের বাড়িতে যান। সেখানে দুজনের মধ্যে আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিরোধ তীব্র হলে নাঈম তাকে ছুরি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। হত্যার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে নাঈম তার সহযোগী গাড়িচালক ইয়াসিন শেখ ও তুহিন প্রামাণিককে ডেকে আনে। পরে তারা একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে করে মরদেহ পদ্মা নদীর তীরে নিয়ে ফেলে আসে।

এর আগে বুধবার সকালে পদ্মার চরে কাজ করতে গিয়ে কয়েকজন কৃষক নদীর তীরে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ করেন। কাছে গিয়ে বস্তার ভেতরে মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।পাবনা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে গভীর রাতে ঘটনাস্থল এলাকায় আসা প্রাইভেটকারটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরে গাড়ির চালকের মাধ্যমে নাঈমকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়। এরপর অপর দুই সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের অন্য কোনও কারণ এবং অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD