ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সোনাখালী গ্রামে এক গৃহবধূর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। উম্মে শায়লা উর্বি নামে ওই গৃহবধূ ১৫ মাস বয়সী কন্যা সন্তানকে রেখে বাড়ি ছেড়ে চলে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবার জানায়, প্রথমদিকে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যম ও ফেসবুকে উর্বি প্রতিবেশী যুবক নাঈমের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় তার স্বামী ভালুকা থানায় ১৫ লাখ টাকা চুরির অভিযোগও দায়ের করেন।
তবে পুলিশি তদন্তে ভিন্ন তথ্য সামনে আসে। জানা যায়, উর্বি নাঈমের সঙ্গে নয়, উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে সোহেল রানার সঙ্গে চলে যান। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বের স্বামীকে আনুষ্ঠানিকভাবে তালাক না দিয়েই টাঙ্গাইল আদালতপাড়ার এক আইনজীবীর মাধ্যমে সোহেল রানার সঙ্গে বিয়ের নোটারি সম্পন্ন করেন তিনি।
পরে পুলিশ কৌশলে উর্বিকে আটক করলে পুরো ঘটনার নতুন তথ্য প্রকাশ পায়। তদন্তে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য ছড়িয়েছিল, তার সঙ্গে বাস্তব ঘটনার মিল ছিল না।
গতকাল সন্ধ্যায় তিন পরিবারের সদস্যরা ভালুকা থানায় উপস্থিত হয়ে মুচলেকা দিলে উর্বিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার সাবেক স্বামী তাকে আর গ্রহণ করবেন না বলে জানিয়েছেন। পরে উর্বির মা ও স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে তাকে সোহেল রানার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে, উর্বির ১৫ মাস বয়সী কন্যা সন্তান বর্তমানে তার সাবেক স্বামীর হেফাজতে রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় এখনও আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।