বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সরকার ঘোষিত নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুল বর্ষ বক্তৃতামালা-১ ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবেলায় নাগরিকদের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা ত্রিশালের সাখুয়া শেখ বাজার সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ পরিবেশিত হবে কালান্তরের বাংলা নাটক পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি সীমান্তে বিজিবির ওপর ‘হামলা’, গুলিতে ‘চোরাকারবারি’ নিহত সরকার ঘোষিত নজরুল বর্ষ উদ্যাপন: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্বোধন করলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদ্যাপিত র‌্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ এর মধ্য দিয়ে ত্রিশালে কন্যাশিশু দিবস উৎযাপিত ত্রিশালে ফ্যামিলি কার্ড প্রথম পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু, বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের সংবাদ সম্মেলন।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ত্রিশাল মুক্ত দিবস উদযাপিত

রফিকুল ইসলাম শামীম
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৩০ সময় দেখুন
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ত্রিশাল মুক্ত দিবস উদযাপিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ত্রিশাল মুক্ত দিবস উদযাপিত হয়। ০৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

এরপর বিজয় র‌্যালী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চির উন্নত মম শির- এ এসে শেষ হয়। বিজয় র‌্যালী শেষে মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারীদের গভীর শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ হতে চির উন্নত মম শির এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘যেসকল মুক্তিযোদ্ধারা জীবন দিয়েছেন, অর্থ দিয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এবং তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ত্রিশালবাসী এই দিনটাকে যেভাবে অনুভব করেছিল আজকে আমরা সেভাবে না হলেও আমাদের মধ্যে সেই চেতনা আছে। এই ডিসেম্বর মাস হতে আমরা আমাদের ক্ষমতা ফিরে পেতে শুরু করি। ১৯৭১ সালে বাঙালি সর্বপ্রথম একত্রিত হয়, এর আগে কখনো এভাবে একত্রিত হয় নি। রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনা ছিল, স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে এই দিবসে আমরা সেখান থেকে পরিত্রাণ পেতে শুরু করি। আর ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয়ের মাধ্যমে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়। ত্রিশাল মুক্ত দিবস ও বিজয় দিবসের মধ্য দিয়ে আমরা যে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক মুক্তিলাভ করেছি ভবিষ্যতেও তা অক্ষুন্ন রেখে প্রকৃত বাংলাদেশী হিসেবে আমরা যেন স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে পারি এই কামনা করছি।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা এবং বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন এবং ত্রিশাল মুক্ত দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন এবং ত্রিশাল মুক্ত দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন কমিটির সদস্য-সচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মো. আশরাফুল আলম, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD