স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, দেশের জননিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে একটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে একটি নতুন এলিট ফোর্স গঠন করা হতে পারে, অথবা বর্তমান র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) কে পুনর্গঠন ও নতুন কাঠামোয় আনা হতে পারে। তিনি বলেন, র্যাব বর্তমানে কোনো পূর্ণাঙ্গ আইনগত কাঠামোর অধীনে নয়, বরং অ্যাডহক ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে—যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীর জন্য উপযুক্ত নয়। তাই ভবিষ্যতে একটি সুনির্দিষ্ট আইন তৈরি করে বাহিনীর ক্ষমতা, দায়িত্ব, জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, নতুন কাঠামোতে মানবাধিকারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং বাহিনীর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, ট্রান্সপারেন্সি ও অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি বাধ্যতামূলক থাকবে। তিনি বলেন, র্যাবের নাম পরিবর্তন করা হবে কি না বা সম্পূর্ণ নতুন কোনো এলিট ফোর্স তৈরি করা হবে কি না এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে কিছু কর্মকর্তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে তিনি দাবি করেন, কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের দায় কখনোই কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের ওপর পুরোপুরি চাপানো উচিত নয়।
তিনি আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যে কিছু কর্মকর্তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে প্রতিটি বাহিনীর জন্য আলাদা আইনি কাঠামো থাকবে যাতে অপব্যবহার রোধ করা যায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, নতুন আইন ও কাঠামোর মাধ্যমে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই সরকারের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন