নারীরা মনে করেন তাদের প্রচুর অপশন আছে। কারণ প্রচুর পুরুষ তাদের চেক-আউট করে, ইনবক্সে নক করে, ট্রাই করে, হিট অন করে। কিন্তু তারা এটা বোঝেন না, যে এই অ্যাটেনশান-গিভার গ্রুপের অলমোস্ট ৯৯ শতাংশই সিম্প। এরা জাস্ট নারীসঙ্গই চায়। আপনার দায়িত্ব নেয়ার জন্য কেউ আপনার পিছে পিছে ঘুরে না।
আপনি কোনো একটা ইনবক্স নকের রিপ্লাই দিয়ে দেখেন, বলেন আপনাকে পেতে হলে বাবার সাথে কথা বলে, মোহরানা দিয়ে বিয়ে করে নিয়ে যেতে হবে, সিম্পিং ওখানেই শেষ হয়ে যাবে।
.
রইল বাকি যারা জানে-জিগার দিওয়ানা-মাস্তানা গ্রুপ। এদের সিংহভাগই জানে না তারা আসলে কী করছে। তাই অধিকাংশ প্রেমের সম্পর্কই শেষ পর্যন্ত বিয়েতে রূপ নেয় না। এক্সেপশন আছে, কিন্তু সেটা এক্সাম্পল হতে পারে না। এরা চায় দায়িত্ব নিতে, তবে এখনই না, এখন এন্জয় করি, পরে বিয়ে করবো। আবার যারা দায়িত্ব নেবে বলে দাবি করে, তারা দায়িত্বের পরিসীমাটাই জানে না। দায়িত্বের বাস্তবতা বুঝতে বুঝতে অনেকে দেবদাস হয়, আর পার্বতী অন্য কারো হয়ে যায়।
.
যৌবনের পুরো সময়টা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য খরচ করা উচিত, অথবা, যৌবনের শুরুতেই বিয়ে করে আগে আবেগ দমন করা উচিত। আবেগের দাস হয়ে দায়িত্বহীন সিম্পিং করে বেড়ানো নিতান্তই ব্যক্তিত্বহীনতা… আধুনিক সম্পর্ক ও তরুণদের মানসিকতা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি তীব্র মতামত ঘুরে বেড়াচ্ছে, যেখানে বলা হচ্ছে নারীদের কাছে অনলাইন ও বাস্তব জীবনে প্রচুর অ্যাটেনশান থাকলেও এর বড় অংশই গভীর উদ্দেশ্যহীন আগ্রহ বা সাময়িক আকর্ষণ থেকে আসে।
ওই মতামতে দাবি করা হয়েছে, অনেক পুরুষই মূলত সম্পর্ক নয়, বরং সাময়িক আবেগ বা নারীসঙ্গের আকর্ষণ থেকে যোগাযোগ করেন, যাদের একটি বড় অংশকে “সিম্পিং আচরণ” হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এতে বলা হয়, এমন অ্যাটেনশানকে বাস্তব দায়িত্বশীল সম্পর্কের বিকল্প হিসেবে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়।
আরও বলা হয়েছে, কেউ যদি শর্ত দেয় যেমন পরিবারকে জানিয়ে বিয়ে করা বা বাস্তব দায়িত্ব নেওয়ার কথা তাহলে অনেক ক্ষেত্রে আগ্রহী পক্ষ সরে যায়, যা সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে।