শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Royalen Casino inloggen in Nederland – volledige gids voor Nederlandse spelers Royalen app bonusgids: welkomstbonus, Daily Boost en voorwaarden ফাতেমার বাবা-মা ও বোনের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে ত্রিশালে দোয়া মাহফিল ১২ কোটি শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নিয়েছি’ বলা সুহি বর্তমানে মাইলস্টোন কলেজের ছাত্রী নন: কলেজ কর্তৃপক্ষ নরসিংদীর রায়পুরায় খালে গোসল করতে নেমে চার মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যায় তিন ভাড়াটে খুনি গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাস করতে গিয়ে বি’দ্যুৎ’স্পৃ’ষ্টে এক তরুণের মৃ’ত্যু ক্লাস চলাকালে কোচিং বন্ধের নির্দেশ ত্রিশালে, অমান্য করলে মোবাইল কোর্ট বিদ্যালয়ের জমিতে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ, এনসিপি নেতা নুরুজ্জামান কাফির দাবি ‘জমি কিনেই কাজ করেছি’ Roobet Casino pour les joueurs français – Présentation des jeux et des catégories disponibles

বিদ্যালয়ের জমিতে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ, এনসিপি নেতা নুরুজ্জামান কাফির দাবি ‘জমি কিনেই কাজ করেছি’

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৩ সময় দেখুন

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডভুক্ত জমিতে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফি বিদ্যালয়ের প্রায় ৬ শতাংশ জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেছেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন নুরুজ্জামান কাফি। তার বক্তব্য, তিনি আদালতের রায়প্রাপ্ত উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে কিনে সেখানে রাস্তা নির্মাণ করেছেন।

বিদ্যালয় সূত্র জানায়, রজপাড়া মৌজায় বিভিন্ন সময়ে মোট ৪০ একর ৬৪ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়। এর মধ্যে ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমির খাজনা ১৪৩২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয় জাতীয়করণের পর সরকারি বিধি অনুযায়ী জমিগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে হস্তান্তর করা হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব জমি তাদের বৈধ দখলে রয়েছে তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি সিক্স লেন সড়কের উত্তর পাশে বিদ্যালয়ের রেকর্ডভুক্ত প্রায় ৬ শতাংশ জমির ওপর রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। ওই রাস্তা ব্যবহার করে নুরুজ্জামান কাফি তার মালিকানাধীন জমিতে যাতায়াত করছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, “রাতের বেলায় বিদ্যালয়ের জমিতে রাস্তা নির্মাণ করা হয়। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।” অভিযোগের জবাবে নুরুজ্জামান কাফি বলেন, “আমি কোনো প্রভাব খাটিয়ে কারও জমি দখল করিনি। আমার জমিতে যাওয়ার রাস্তা না থাকায় প্রথমে বিদ্যালয়ের কাছে জমি কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। পরে জানতে পারি, ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলায় প্রকৃত মালিকরা আদালতের রায় পেয়েছেন। এরপর তাদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে কিনে দখল বুঝে নিয়ে রাস্তা নির্মাণ করেছি।”

এ বিষয়ে জমির দাবিদার সালাউদ্দিন নয়ন পাহলান বলেন, তার দাদা মোবারক পঞ্চায়েতের জমি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন মামলা চলেছে। আদালত এবং পরে সুপ্রিম কোর্ট তাদের পক্ষে রায় দেওয়ার পর উত্তরাধিকারীরা জমির অধিকার ফিরে পান। সেই জমির একটি অংশ নুরুজ্জামান কাফির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখনও জমিটিকে তাদের রেকর্ডভুক্ত সম্পত্তি হিসেবে দাবি করছে। ফলে জমির মালিকানা ও রাস্তা নির্মাণের বৈধতা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড়। এখন প্রশাসনের তদন্ত এবং আদালতের নথিপত্র পর্যালোচনার মাধ্যমেই প্রকৃত মালিকানা ও রাস্তা নির্মাণের বৈধতা নির্ধারণ হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD