রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে চুরমার করেছে পতিত সরকার: তিতুমীর সমসাময়িক জনসংখ্যা ইস্যু, টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের সেমিনার নজরুল সিটি শিশুপার্কের শুভ উদ্বোধন করেছেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ড. মাহবুবুর রহমান লিটন। ত্রিশালে স্কুল ও ক্রীড়া ক্লাব ও সংগঠনের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ত্রিশাল পৌর বিএনপির সভাপতি প্রয়াত আলেক চাঁন দেওয়ানের স্মরন সভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের কথা নিজেই নিশ্চিত করলেন মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী এফডিআই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: বাংলাদেশ হবে বিদেশি বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য

মাজারের দিঘিতে কুমিরে টেনে নিয়ে যাওয়া সেই শিশুর মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ৬৫ সময় দেখুন

মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে মাজারের মহিলা ঘাটের পাশ থেকে খাদেম ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।এর আগে সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাজার সংলগ্ন দীঘির পূর্ব পাশের নারী ঘাটে গোসল করতে নামলে মাজারে থাকা কুমিরটি ফাতেমাকে টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটার পরপরই চারদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। স্থানীয়রা নৌকা নামিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন।

মাজার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফাতেমা আক্তার মাজার এলাকায় ভবঘুরে হিসেবে বসবাসরত এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মেয়ে। তার পরিবারের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে ঘাটে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। গোসল করতে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই কুমিরটি শিশুটিকে টেনে নিয়ে যায়। শিশুটির চিৎকার এবং উপস্থিত লোকজনের আর্তচিৎকার শোনা গেলেও কুমিরের ভয়ে কেউ পানিতে নামার সাহস করেননি।

ঘাটের পাশে থাকা দোকানি বিনা বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহের শরীরের কয়েকটি স্থানে কুমিরের কামড়ের চিহ্ন রয়েছে মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম বলেন, ভোরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে মরদেহটি মহিলা ঘাটে রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে দাফনসহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা যায়, হজরত খানজাহান আলী (রহ.) এই দিঘি খনন করে এক জোড়া কুমির ছেড়েছিলেন। পরে তাদের মধ্যে পুরুষটির নাম রাখেন কালা পাহাড় ও স্ত্রী কুমিরটার নাম ধলা পাহাড়। এরপর তাদের বংশধর কুমিরদের মধ্যে পুরুষকে ‘কালা পাহাড়’ আর স্ত্রী কুমিরকে ‘ধলা পাহাড়’ ডাকা হতো। তাদের সর্বশেষ বংশধরের মৃত্যু হয় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

 

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD