মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কিউএসি’র ১২তম সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ্য হয়ে ফিরে আসুক ক্যান্সারে আক্তান্ত প্রিয় শিক্ষক মিজানুর রহমান চিকিৎসার ব্যয় মিটাতে সহযোগিতা কামনা ত্রিশালে স্কুল কলেজে শিক্ষারমান এবং অবকাঠামো উন্নয়নে যা যা করার তাই করা হবে সংসদ সদস্য ডাঃ লিটন সন্তানের সামনে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ কনটেন্ট ক্রিয়েটর সজীবের ওপর হামলার অভিযোগ, ড্রোনের রিমোট ভাঙচুর ত্রিশালে সাতসকালে সড়কে ঝরল ২ প্রা’ণ ত্রিশালে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী-খামারিদের মানববন্ধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনে মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ ভবনের উদ্বোধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, বের হতে গিয়ে হুড়োহুড়িতে নিহত ৬

মাজারের দিঘিতে কুমিরে টেনে নিয়ে যাওয়া সেই শিশুর মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ১১৭ সময় দেখুন

মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে মাজারের মহিলা ঘাটের পাশ থেকে খাদেম ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।এর আগে সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাজার সংলগ্ন দীঘির পূর্ব পাশের নারী ঘাটে গোসল করতে নামলে মাজারে থাকা কুমিরটি ফাতেমাকে টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটার পরপরই চারদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। স্থানীয়রা নৌকা নামিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন।

মাজার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফাতেমা আক্তার মাজার এলাকায় ভবঘুরে হিসেবে বসবাসরত এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মেয়ে। তার পরিবারের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে ঘাটে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। গোসল করতে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই কুমিরটি শিশুটিকে টেনে নিয়ে যায়। শিশুটির চিৎকার এবং উপস্থিত লোকজনের আর্তচিৎকার শোনা গেলেও কুমিরের ভয়ে কেউ পানিতে নামার সাহস করেননি।

ঘাটের পাশে থাকা দোকানি বিনা বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহের শরীরের কয়েকটি স্থানে কুমিরের কামড়ের চিহ্ন রয়েছে মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম বলেন, ভোরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে মরদেহটি মহিলা ঘাটে রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে দাফনসহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা যায়, হজরত খানজাহান আলী (রহ.) এই দিঘি খনন করে এক জোড়া কুমির ছেড়েছিলেন। পরে তাদের মধ্যে পুরুষটির নাম রাখেন কালা পাহাড় ও স্ত্রী কুমিরটার নাম ধলা পাহাড়। এরপর তাদের বংশধর কুমিরদের মধ্যে পুরুষকে ‘কালা পাহাড়’ আর স্ত্রী কুমিরকে ‘ধলা পাহাড়’ ডাকা হতো। তাদের সর্বশেষ বংশধরের মৃত্যু হয় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

 

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD