Blog

  • ত্রিশালে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ দুই মাদক৷ ব্যবসায়ী আটক

    ত্রিশালে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ দুই মাদক৷ ব্যবসায়ী আটক

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। ১৩ এপ্রিল সোমবার উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বীররামপুর ভাটিপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। ত্রিশাল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ গোলাম মোস্তফা রুবেলের নেতৃত্বে এসআই তারেক হাসান, সবুজ মিয়া, মহসিন হাসান ও সঙ্গীয় ফোর্স উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বীররামপুর ভাটিপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ডেকোরেটর দোকানের সামনে পাকা রাস্তার ওপর এই অভিযান পরিচালনা করে সুজন মিয়া (২৮) আব্দুল মান্নান (৩৫) আটক করা হয় । তারা দুজনই বীররামপুর ভাটিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। আটকের পর তাদের শরীরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৬৭ পিস ইয়াবা এবং ২০০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুনসুর আহাম্মদ জানান, তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • ত্রিশালে আলোর দিশারী বিদ্যানিকেতনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ত্রিশালে আলোর দিশারী বিদ্যানিকেতনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ত্রিশালে দিশারী বিদ্যানিকেতনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা কানিহারী ইউনিয়নের এলংজানি আলোর দিশারী বিদ্যানিকেতন এর এস এস সি পরীক্ষার্থী ২০২৬ এর বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিহ হয়েছে| ১১ এপ্রিল শনিবার সকাল ১১ টায় বিদ্যানিকেতন মিলনায়তনে বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডিভাইন ক্রিয়েটিভ বিল্ডার্স লিমিটেড মোঃ মোজাম্মেল হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুল জব্বার, ডাঃ নজরুল ইসলাম,আজিজুল ইসলাম,মোঃ উবাইদুল্লাহ,বিদ্যানিকেতনের উদ্দ্যেক্তা সুজন মিয়া,অবঃ পুলিশ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ|

  • ইসলামী একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের উন্নয়নে যা যা করা প্রয়োজন আমি সব কিছু করবো-সংসদ সদস্য

    ইসলামী একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের উন্নয়নে যা যা করা প্রয়োজন আমি সব কিছু করবো-সংসদ সদস্য

    ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন বলেছেন-উপজেলার স্থানীয় বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ইসলামী একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের উন্নয়নে যা যা করার প্রয়োজন আমি সব কিছু করবো| শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এমপি ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, আমাকে তোমাদের বাবা মায়েরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন ত্রিশালের উন্নয়নের জন্য এখান আমি প্রতিদিন ভাবি ত্রিশালের গুরুত্বপূর্ণ কি কি কাজ করা যায়, আমি ত্রিশাল বাসীর প্রতি কৃতজ্ঞ ত্রিশালবাসী আমাকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচত করে মহান সংসদে পাঠিয়েছেন| সংসদের অল্প দিনের অল্প সময়ের মধ্যে আমি ত্রিশালের উন্নয়নের জন্য সংসদে বক্তব্য রেখেছি,ত্রিশালের উন্নয়ন করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে বক্তব্য রেখেই য়াবো| যারা আমাকে ভোট দিয়েছে এবং যারা দেয়নি এখন আমি সবার প্রতিনিধি,তাই ত্রিশালবাসীর প্রতিনিধি হিসেবে ত্রিশাল উপজেলার উন্নয়নের ¯^ার্থে নিরলস ভাবে কাজ করতে চাই| তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন তোমরা যারা এবার এসএসসি পরীক্ষা দিবে এই সময়টা একটা গুরুত্বপূর্ন হাডেলস,কষ্ট করে হাডেলস পার হতে হবে, এসএসসির রেজাল্ট যদি ভালো হয় একটা হাডেলস পার হলে,দ্বিতীয় হাডেলস হলো এইচএসসি পরীক্ষা,এইচএসসির রেজাল্ট ও যদি ভালো করতে পারো এক দাফ এগিয়ে গেলে| ভালো রেজাল্ট করতে হলে ভালো ভাবে লেখাপড়া করেই করতে হবে বিএনপি সরকার আবার আসছে সেই শিক্ষা মন্ত্রী আবার শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন,এ&টা আর মাথায় রাখা যাবেনা যে নকল করে পাশ করা যাবে তাই ভালো রেজাল্ট করার চিন্তা থাকলে ভালো ভাবে পড়তেই হবে| এসএসসিও এইচএসসি পাশ করার পরে তোমাদেরকে মহাসাগরের প্রতিযোগিতায় পড়তে হবে সেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে ভালো ভাবে লেখা পড়া করে ভালো রেজাল্ট করার বিকল্প নেই| তিনি ১১ এপ্রিল শনিবার সকাল ১১ টায় ত্রিশাল পৌর শহরের ইসলামী একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ স্কুল এন্ড কলেজ কতৃক আয়োজিত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ২০২৬ বিদায় সংবর্ধনা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান কালে এসব কথা বলেন|
    উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এনামুল হক|
    অনুষ্ঠানে ইসলামী একাডেমী স্কুলের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক রেজাউল করিম কোহিনুরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুজ্জামান মৃধা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আবু তাহের, ত্রিশাল উপজেলার নাগরিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক কফিল উদ্দিন, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন সরকার প্রমুখ| সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খাইরুল এনামের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারাও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান| এ সময় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, এলাকার সুধীজন, অভিভাবকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন|

  • ত্রিশালের উন্নয়ন শুরু সংসদ সদস্য  ডা: লিটনের ৩ মেগা প্রকল্প  -উন্নয়নে বদলে যাবে উপজেলার চিত্র

    ত্রিশালের উন্নয়ন শুরু সংসদ সদস্য ডা: লিটনের ৩ মেগা প্রকল্প -উন্নয়নে বদলে যাবে উপজেলার চিত্র

    একটি আধুনিক নিরাপদ ও উন্নত জনপদ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে ত্রিশালের টেকসই উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন জাতীয় সংসদ সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন। বিশেষ করে অবহেলিত জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন তিনি। ডাঃ লিটন জানান, একটি উন্নত জনপদ গড়ার পূর্বশর্ত হলো নিরাপদ যোগাযোগ এবং সুশৃঙ্খল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। সাধারণ মানুষের ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষা করতেই তিনি প্রতিটি ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ৩টি অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের অবহেলিত জনপদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ‘বালিপাড়া-চর মাদাখালী ব্রিজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই ব্রিজটি নির্মিত হলে যোগাযোগ বিড়ম্বনা দূর হওয়ার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র আমূল বদলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি হবে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য এক বড় মাইলফলক। এছাড়াও বৈলর ধানীখোলা হয়ে পার্শ্ববর্তী ফুল বাড়ীয়া উপজেলায় যাতায়াতের রাস্তায় ধানীখোলা বাজারের পাশে সুতিয়া নদীর উপর গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের ব্রিজ টির বর্তমান জড়াজীর্ণ দশা দূর করতে একটি আধুনিক ও প্রশস্ত সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এই সেতুটি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতেই শুধু নতুন গতির সঞ্চার করবে না এটি শিল্পায়নের পথ সুগম করবে্ তা ছাড়া তিশার উপজেলার সাথে ফুলবাড়িয়া উপজেলার সংযোগ ও হবে । জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় বালিপাড়ায় একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা এখন সময়ের দাবি। জনমালের নিরাপত্তা ও দ্রুত আইনি সেবা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্পটি ডাঃ লিটনের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রয়েছে।

    এমপি ডাঃ লিটন বলেন,জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমার বড় সফলতা। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আমরা একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত ত্রিশাল গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের খবরে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ত্রিশাল মডেল উপজেলা হিসেবে সারা দেশে সমাদৃত হবে।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন

    জিএসটি (সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ‘এ’ (বিজ্ঞান) ইউনিট এবং আর্কিটেকচার ব্যবহারিক (ড্রইং) ভর্তি পরীক্ষা ১০ এপ্রিল শুক্রবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এ ইউনিট এবং বেলা ৩ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত আর্কিটেকচার ব্যবহারিক (ড্রইং) পরীক্ষা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্নের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এবারের ভর্তি পরীক্ষা।

    ভর্তি পরীক্ষা শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম কেন্দ্রের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন। এ সময় ভিজিল্যান্স উপ-কমিটির সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.এইচ.এম. কামাল, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

    ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনের সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন। এসময় তিনি বলেন, ‘এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী এবং অধিক সংখ্যক অভিভাবকের এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আগমন ঘটেছে। ৭টি কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে মোট ১৫৪টি কক্ষে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আমরা বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেছি এবং শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা দিয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রছাত্রী, রোভার স্কাউটসহ ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠন, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনগণ, সাংবাদিকবৃন্দ সবাই আমাদেরকে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পন্নে সহযোগিতা করছেন। সকলের সহযোগিতার মধ্যদিয়েই আমাদের এই ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো।’

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ও আগামীতে এই গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আয়োজক হিসেবে অবশ্যই দায়িত্ব পালন করবে।’

    এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, নতুন কলা ভবন এবং পুরাতন বিজ্ঞান ভবনে ‘এ’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের এবং বিকালে নতুন কলা ভবনে আর্কিটেকচার ব্যবহারিক (ড্রইং) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। রাস্তার যানযট নিয়ন্ত্রণ ও নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছিল। এছাড়া অন্যান্য ইউনিটের মতো এ ইউনিটেও ময়মনসিংহ ও ভালুকা হতে পরীক্ষার্থীদের আসা-যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ‘এ’ (বিজ্ঞান) ইউনিটে ১০,৩৫৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৮,১৯৪ জন। অনুপস্থিত ২,১৫৯ জন। উপস্থিতির হার ৭৯.১৫ শতাংশ। আর্কিটেকচার ব্যবহারিক (ড্রইং) পরীক্ষায় ১৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯ জন উপস্থিত এবং ৯৩ জন অনুপস্থিত ছিলেন।
    প্রতিটি ইউনিটের ফলাফল জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট (www.gstadmission.ac.bd)-এ প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দমত তালিকাভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ্যতাসাপেক্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের আসন সংখ্যার সামর্থ্যরে উপর ভিত্তি করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। এবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি বিভাগে ১,১৭৫টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

  • আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে  ত্রিশালে ঘর ভাঙচুর ও জমি দখল ও মারধোর

    আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ত্রিশালে ঘর ভাঙচুর ও জমি দখল ও মারধোর

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের ধলা এলাকায় আদালতের ১৪৪ ধারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভূমি খেকু সেলিম মিয়াও তার দলবলের বিরুদ্ধে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে|
    অভিযোগে জানাগেছে, প্রবাসী সামাদ এর ভুক্তভোগী পরিবার গত ১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারী করার জন্য আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন| ভূমি খেকু সেলিম মিয়া ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী আদালতের আদেশ অমান্য করে গত ১৯ মার্চ সকালে জমি দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করে পরে সেলিম মিয়া ও তার বাহিনী|
    ৩১ মার্চ ভুক্তভোগী পরিবারের উপর হামলা করে বাদীর চৌচালা ঘর ভাংচুর করে বাদীর লোকজন বাধা দিতে গেলে সেলিম ও তার সন্ত্রাসীরা তাদের উপর হামলা করে হামলায় নারীসহ অন্তত ৫ জন মারাত্মক আহত হয়েছেন|
    জমির মালিক সামাদ মিয়ার লোকজনকে মারধোর করেই তারা ক্ষান্ত হনননি সেলিম তার বাহিনী নিয়ে গত ৬ এপ্রিল সোমবার বাদীর দখলিয় জমি জোরপূর্বক দখলে নিতে চার দিক দিয়ে টিনের বেড়া দিয়ে আটকে দেন| বাদীর দাবী বিবাদী সেলিম মিয়া টাকার বিনিময়ে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে এই হামলা চালিয়েছেন| ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বালিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিপাড়া এলাকার প্রবাসী মোহাম্মদ আব্দুল সামাদ মিয়া ১১০৮০ নং রেজিস্ট্রিকৃত হেবার ঘোষণাপত্র দলিল মূলে এক কাঠা জমির মালিক হন| জমিটি এক সময় পুকুর ছিল| সামাদ মিয়া পুকুরে মাটি ভরাট করে বসবাসের উপযোগী করেন| সেখানে তিনি একটি ঘর নির্মাণ করে এবং বিভিন্ন ফসলের আবাদ করে আসছিলেন| জমি কাওলার পর নামজারি ও জমা খারিজ সম্পন্ন করে হাল সন পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করে তিনি জমিটি ভোগদখল করছিলেন|
    অভিযোগ রয়েছে, একই বাড়ির সেলিম মিয়া ওই জমির ওপর কুদৃষ্টি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দখলের চেষ্টা চালাচ্ছিলেন| সেলিম মিয়া বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করে সে টাকার জোরে ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী লেলিয়ে দিয়েছেন বলে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেন| জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালত উক্ত জমির ওপর গত ১ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান ১৪৪ ধারা নিষেধাজ্ঞা জারির আদেশ দেন | আদেশে ত্রিশাল সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে বলা হয়েছে বর্তমান দখল কারের দখল অক্ষুন্ন রাখা ও ভূমি নিয়ে যাতে কোন শান্তি ভঙ্গ না ঘটে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অফিসার ইনচার্জ ত্রিশাল থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন|

    গত ৬ এপ্রিল সোমবার সামাদ মিয়ার লোকজন জমিতে পরিচর্যা করতে গেলে সেলিম মিয়ার নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সামাদ মিয়ার ঘরে হামলা চালায়| এসময় সামাদ মিয়ার পিতা ওমর আলী, আব্দুল মতিন, ফারজানা, রোকিয়া ও রাব্বীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে| এরপর সন্ত্রাসীরা সামাদ মিয়ার তিলে তিলে গড়ে তোলা ঘরটি গুঁড়িয়ে দেয় এবং জমিটি জোরপূর্বক টিনের বেড়া দিয়ে দখলে নেয়|

    কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছামাত মিয়ার পিতা ওমর আলী( ৮০) বলেন, আমার ছেলে ছামাত মিয়া পুকুর ভরাট করে ঘর তুলেছিলাম, ফসল বুনেছিলাম| সেলিম মিয়ার নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসীরা আমার ঘর ভেঙে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে| আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা এই কাজ করেছে| আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি|
    এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে|

  • ত্রিশালে জমি সংক্রান্ত বিরোধে যুবক হত্যা: একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন

    ত্রিশালে জমি সংক্রান্ত বিরোধে যুবক হত্যা: একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সংঘটিত এক হত্যা মামলায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
    বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে ময়মনসিংহ বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন,ত্রিশাল উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের সেনেরচকপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন, তার স্ত্রী হুরেনা খাতুন, তাদের ছেলে রিয়াদ, একই এলাকার আবদুর রশিদ ও তার স্ত্রী জুনাকি আক্তার।
    আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৯ জুন জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সেনেরচকপাড়া গ্রামের মো. আল আমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের চাচা মো. হাফিজুল ইসলাম পরদিন ত্রিশাল থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
    মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ, শুনানি ও যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা শেষে বিচারক এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার আসামি ও বাদী পক্ষ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম মামুন জানান, জমি নিয়ে বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন।
    এদিকে আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই আদালত এই রায় দিয়েছেন।

  • সংস্কৃতি ও তথ্য  প্রতিমন্ত্রীর স্থানীয় সংসদ সদস্যের নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন

    সংস্কৃতি ও তথ্য প্রতিমন্ত্রীর স্থানীয় সংসদ সদস্যের নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, এমপি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান । ৪ এপ্রিল শনিবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন । বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ হতে সম্মানিত অতিথিবৃন্দকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

    উপাচার্যের অফিস কক্ষ সংলগ্ন কনফারেন্স কক্ষে প্রতিমন্ত্রীগণকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ হতে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন উপাচার্য। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, একাডেমিক ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন বিষয় প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করেন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান।

    কনফারেন্স কক্ষে অতিথি গণের সাথে আলাপকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আহ্বান জানালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, এমপি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে যত ধরণের সহযোগিতা প্রয়োজন তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, ‘আমরা দুইজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিমন্ত্রীকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও কিছুটা পরিদর্শনের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। তবে ভবিষ্যতে অন্য কোন অনুষ্ঠানে তাঁদের দুইজনকেই অতিথি হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসবো ইনশাল্লাহ।’

    এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.এইচ.এম. কামাল, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমানসহ বিভাগীয় প্রধান, দপ্তরপ্রধান, প্রক্টর, প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং ত্রিশাল ও ময়মনসিংহের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • ২৫ মে এবার  ত্রিশালেই জাতীয় পর্যায়ে পালিত হবে কবি নজরুলের ১২৭ তম জন্মজয়ন্তী

    ২৫ মে এবার ত্রিশালেই জাতীয় পর্যায়ে পালিত হবে কবি নজরুলের ১২৭ তম জন্মজয়ন্তী

    ১৯ বছরের দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর এবছর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মজয়ন্তীর মূল অনুষ্ঠানমালা আগামি ২৫ শে মে ‘জাতীয় পর্যায়ে’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কবির বাল্য স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশালেই।
    শনিবার সকালে ত্রিশালের নজরুল অডিটরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টারে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় আয়োজিত ১২৭ তম নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে সংস্কৃতির বিকাশে করণীয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
    কাজী রফিজউল্লাহ দারোগার হাত ধরেই ভারতের আসানসোল থেকে প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহের ত্রিশালের কাজিরসিমলায় আগমন ঘটেছিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের। কবির কৈশরের একটা লম্বা সময় কেটেছিল ত্রিশালে। তার আগমনে বাংলাদেশের মাটি শুধু ধন্যই হয়নি, স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রেরণা ও শক্তি যুগিয়েছিল তার কবিতা ও গান। এসব দিক গুরুত্ব বিবেচনায় সাবেক প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ত্রিশালেই জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠানমালা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহনের পর তিন তিনবার ত্রিশালে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২৫ মে কবির নামে ত্রিশালের নামাপাড়ার বটতলা এলাকায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধন শেষে, জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠানমালায় নজরুল মঞ্চে প্রধান অতিথির বক্তব্য রেখেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া।
    প্রতি বছরই ত্রিশালবাসি আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি জানিয়ে আসলেও ২০০৬ সালের পর বিগত আওয়ামী সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানমালা থেকে বঞ্চিত ছিল কবি নজরুলের বাল্যস্মৃতি বিজড়িত ত্রিশাল। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন এ বিষয়টি উপস্থাপন করলে তা গুরুত্ব পায়। এর কয়েক দিনের মধ্যেই জন্মজয়ন্তী জাতীয় ভাবে কিভাবে উদযাপন করা যায় সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই প্রাথমিক সভা টি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবছর ত্রিশালেই জাতীয় পর্যায়ে মূল অনুষ্ঠানমালা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহনের জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে শনিবার সকালে ত্রিশালের নজরুল অডিটরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টারে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে ১২৭ তম নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে সংস্কৃতির বিকাশে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি।
    প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সংস্কৃতি চর্চায় বিপ্লব ঘটাতে হবে। পুরোনো রেওয়াজ পুণঃরুদ্ধারসহ সুষ্ঠ ধারার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে হবে। ভিন্ন আঙ্গিকে, আকর্ষনীয় ও সর্বোচ্চ জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে এবার কবি নজরুলের জন্মজয়ন্তি পালন করা হবে, আমরা করতে চাচ্ছি। আমার বিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখানে আসবেন, তিনি উদ্বোধন করবেন। তিনি আরো বলেন, সংস্কৃতি অঙ্গনে ময়মনসিংহকে আমরা একটি মডেল হিসেবে দেখতে চাই। মানসম্মত সাংস্কৃতিক একটা ময়মনসিংহ গড়ে তোলার আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।


    এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরি এমপি। ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মীর সভাপতিত্বে মূখ্য আলোচক ছিলেন ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ভালুকা আসনের সংসদ সদস্য ফখরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, ফুলবাড়িয়া আসনের সংসদ সদস্য কামরুল হাসান মিলন ও ফুলপুর আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উল্লাহ, ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া ও জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমানসহ জামালপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর জেলার জেলা প্রশাসকও বিভাগের সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগন রাহনৈতিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী।
    মতবিনিময় সভা শেষে অতিথিরা বিএনপি সরকারের আমলে নির্মিত নজরুল মঞ্চ, কবি নজরুলের বাল্য বিদ্যাপিঠ নজরুল একাডেমির সংরক্ষিত যে কক্ষে তিনি অধ্যায়ন করতেন সেই জীর্ণ কক্ষসহ কবির বাল্য স্মৃতিবিজড়িত স্থান সমূহ পরির্দশন করেন।

  • ত্রিশালের মানুষের কষ্ট লাঘবে কোন এলাকায় কি সমস্যা আছে তা দেখে দেখে সেই সমস্যার সমাধান করা হবে-এমপি ডাঃ লিটন

    ত্রিশালের মানুষের কষ্ট লাঘবে কোন এলাকায় কি সমস্যা আছে তা দেখে দেখে সেই সমস্যার সমাধান করা হবে-এমপি ডাঃ লিটন

    ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান বলেছেন ত্রিশালের মানুষের কষ্ট লাঘবে ত্রিশালের ১২ ইউনিয়ন কোন এলাকায় কি কি সমস্যা আছে তা দেখে দেখে সেই সমস্যার সমাধান করা হবে। মাত্র ৫০ দিনের মধ্যে আমি আপনাদেও এই মোক্ষপুর এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নের কাজ নিয়ে এসে আজ এই কাজের উদ্বোধন করলাম। এই খাল খনন ও সইজ গেট নির্মান হলে এই এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন,এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন হবে এবং আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদাও কিছুটা মিটবে বলে আশা করছি। এটা আজ করে দিয়ে গেলাম আপনাদের এলাকার উন্নয়নে যে কোন রকমের সহযোগীতার দরকারে আপনারা আমাকে জানাবেন আমি যত দ্রুত পারি তার সমাধান করে দিব। এই খাল খননে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খান ট্রেডার্স কে সর্বাত্মক সহযোগীতা করবেন। যাতে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে গুণগতমান বজায় রেখে বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই খনন কাজটি শেষ করতে পারেন।
    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প জাইকার অর্থায়নে (২য় পর্যায়) এর আওতায় ৫২৮০ মিটার দৈর্ঘ্যেও লালপুর থেকে শেষ কইতরবাড়ি পর্যন্ত মরা খাল উপ-প্রকল্পের (এসপি নং-৩৪১০৮) পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রধানকালে তিনি এসব কথা বলেন।


    খাল খনন ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৭ লক্ষ ২৪ হাজার ৮ শত ৩৯ টাকা। খালের স্লুইস গেট মেরামত, বক্স কালভার্ট নির্মাণ, অফিস ঘর মেরামতের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ লক্ষ ৮০ হাজার৪ শত৬৭ টাকা। এই খালটি প্রথম খনন হয়েছিল ২০১২-১৩ অর্থ বছরে। শনিবার সন্ধ্যায় মোক্ষপুর ইউনিয়নের লালপুর কৈতরবাড়ী স্থানে এই উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন,খাল পুনঃখনন সম্পর্কে উপজেলা প্রকৌশলী বলেন মরা খাল খননের ফলে সেচের আওতায় আসবে ৪৫০ হেক্টর জমি। ৪৫২ টি পরিবার এই খাল খননের সুবিধা পাবে।চারপাশের পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। এসময় আর উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মোঃ জাহেদ আলী আকন্দ, ইমান আলী সরকার, আনোয়ার হোসেন তোতা, রুস্তম আলী আকন্দ, আনেয়ার সরকার, ইব্রাহিম খলিল সহ অত্র এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন হলে এই অবহেলিত এলাকাটিতে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে এবং দীর্ঘদিনের পানি নিষ্কাশন সমস্যার সমাধান ও হবে।