মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কিউএসি’র ১২তম সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ্য হয়ে ফিরে আসুক ক্যান্সারে আক্তান্ত প্রিয় শিক্ষক মিজানুর রহমান চিকিৎসার ব্যয় মিটাতে সহযোগিতা কামনা ত্রিশালে স্কুল কলেজে শিক্ষারমান এবং অবকাঠামো উন্নয়নে যা যা করার তাই করা হবে সংসদ সদস্য ডাঃ লিটন সন্তানের সামনে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ কনটেন্ট ক্রিয়েটর সজীবের ওপর হামলার অভিযোগ, ড্রোনের রিমোট ভাঙচুর ত্রিশালে সাতসকালে সড়কে ঝরল ২ প্রা’ণ ত্রিশালে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী-খামারিদের মানববন্ধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনে মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ ভবনের উদ্বোধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, বের হতে গিয়ে হুড়োহুড়িতে নিহত ৬

আমি ধর্ষণ করেছি, হত্যা করেছে ডলার—সাংবাদিকদের সামনে প্রধান আসামির বক্তব্য

নিউজ ডেক্স
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১২১ সময় দেখুন

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। একই সঙ্গে আগামী ২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে শুনানির জন্য সকালেই কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে আনা হয়।

আদালতে তোলার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। তিনি ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করলেও হত্যার দায় অন্য এক ব্যক্তির ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন। সোহেলের দাবি, “আমি শুধু ধর্ষণ করেছি, হত্যা করেছে ডলার নামে একজন ব্যক্তি। একই সঙ্গে তিনি তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে নির্দোষ বলেও উল্লেখ করেন। সোহেল রানা আরও অভিযোগ করেন,  ‘ডলার’ নামের ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন, তার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান গত ২৪ মে দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারিক কার্যক্রমের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার বাসা থেকে বের হলে তাকে কৌশলে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা ওই ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মামলার দুই আসামিই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত এই মামলার বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD