মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কিউএসি’র ১২তম সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ্য হয়ে ফিরে আসুক ক্যান্সারে আক্তান্ত প্রিয় শিক্ষক মিজানুর রহমান চিকিৎসার ব্যয় মিটাতে সহযোগিতা কামনা ত্রিশালে স্কুল কলেজে শিক্ষারমান এবং অবকাঠামো উন্নয়নে যা যা করার তাই করা হবে সংসদ সদস্য ডাঃ লিটন সন্তানের সামনে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ কনটেন্ট ক্রিয়েটর সজীবের ওপর হামলার অভিযোগ, ড্রোনের রিমোট ভাঙচুর ত্রিশালে সাতসকালে সড়কে ঝরল ২ প্রা’ণ ত্রিশালে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী-খামারিদের মানববন্ধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনে মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ ভবনের উদ্বোধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, বের হতে গিয়ে হুড়োহুড়িতে নিহত ৬

ত্রিশালে বোরো ধানের বাম্পার ফলন ,কৃষকের চোখে আনন্দ আর কালবৈশাখীর শঙ্কা

রফিকুল ইসলাম শামীম
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৯১ সময় দেখুন

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের দিগন্তজোড়া মাঠ এখন সোনালি আভায় উজ্জ্বল। বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে দোল খাচ্ছে কাঁচা-পাকা ধানের শীষ। রোদ আর হালকা বাতাসে যেন এক নীরব উৎসবের প্রস্তুতি চলছে গ্রামজুড়ে। উপজেলার কিছু অংশে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হলেও, অধিকাংশ এলাকায় আর কয়েক দিনের মধ্যেই পুরোদমে শুরু হবে ধান কাটার উৎসব। তবে এই প্রত্যাশার মাঝেও কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে কালবৈশাখীর আগাম পূর্বাভাস ও শ্রমিক সংকট।

চলতি মৌসুমের শুরুতে কিছুটা তাপপ্রবাহের কারণে ধানের শীষ বের হওয়ার সময় ‘চিটা’ পড়ার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে তা অনেকটাই কেটে গেছে। বর্তমানে ধানগাছ সতেজ এবং দানা বেশ পুষ্ট হয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে এসে প্রকৃতি শিলা বৃষ্টি ক্ষতি না করে এই প্রার্থনা এখন সবার মুখে।

ত্রিশাল ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রউফ বলেন, কয়েক দিন ধরে খুব ভয়ে আছি। দিনরাতে হুটহাট ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে। এখনো বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। আর কয়েকটা দিন আবহাওয়া ভালো থাকলে এবার ফলন নিয়ে চিন্তা নেই। কৃষকদের মতে, হালকা বৃষ্টি ধানের জন্য এখন উপকারী হলেও কালবৈশাখীর দমকা হাওয়ায় ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বড় লোকসানের মুখে পড়তে হবে তাদের।

এদিকে ফলন ভালো হলেও কৃষকদের ভাবিয়ে তুলেছে ধান কাটার শ্রমিক। স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত শ্রমিক না থাকায় বাইরের এলাকার শ্রমিকের ওপর নির্ভর করতে হয় যা চাষিদের উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেয়।

বৈলর ইউনিয়নের কৃষক জয়নাল আবেদীন আক্ষেপ করে বলেন,ঠিক সময়ে শ্রমিক পাওয়া দায়। যারা আসে তারা অতিরিক্ত মজুরি চায়। সময়মতো ধান কাটতে না পারলে আবার ঝড়ে নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে। একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অন্যদিকে বাড়তি মজুরি নিয়ে আমাদের দুশ্চিন্তা। ত্রিশাল উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ত্রিশালে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত মাঠের অবস্থা অত্যন্ত সন্তোষজনক।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া রহমান বলেন, ধান এখন পাকার শেষ পর্যায়ে। আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি যেন ৮০ শতাংশ পেকে গেলেই ধান কেটে ফেলা হয়। ঝড়ের পূর্বাভাস পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর উপজেলায় বাম্পার ফলন অর্জিত হবে

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD