সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ত্রিশালে ধরার খাল পূনঃখননের ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে চুরমার করেছে পতিত সরকার: তিতুমীর সমসাময়িক জনসংখ্যা ইস্যু, টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের সেমিনার নজরুল সিটি শিশুপার্কের শুভ উদ্বোধন করেছেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ড. মাহবুবুর রহমান লিটন। ত্রিশালে স্কুল ও ক্রীড়া ক্লাব ও সংগঠনের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ত্রিশাল পৌর বিএনপির সভাপতি প্রয়াত আলেক চাঁন দেওয়ানের স্মরন সভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের কথা নিজেই নিশ্চিত করলেন মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ত্রিশালে বোরো ধানের বাম্পার ফলন ,কৃষকের চোখে আনন্দ আর কালবৈশাখীর শঙ্কা

রফিকুল ইসলাম শামীম
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৭ সময় দেখুন

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের দিগন্তজোড়া মাঠ এখন সোনালি আভায় উজ্জ্বল। বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে দোল খাচ্ছে কাঁচা-পাকা ধানের শীষ। রোদ আর হালকা বাতাসে যেন এক নীরব উৎসবের প্রস্তুতি চলছে গ্রামজুড়ে। উপজেলার কিছু অংশে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হলেও, অধিকাংশ এলাকায় আর কয়েক দিনের মধ্যেই পুরোদমে শুরু হবে ধান কাটার উৎসব। তবে এই প্রত্যাশার মাঝেও কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে কালবৈশাখীর আগাম পূর্বাভাস ও শ্রমিক সংকট।

চলতি মৌসুমের শুরুতে কিছুটা তাপপ্রবাহের কারণে ধানের শীষ বের হওয়ার সময় ‘চিটা’ পড়ার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে তা অনেকটাই কেটে গেছে। বর্তমানে ধানগাছ সতেজ এবং দানা বেশ পুষ্ট হয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে এসে প্রকৃতি শিলা বৃষ্টি ক্ষতি না করে এই প্রার্থনা এখন সবার মুখে।

ত্রিশাল ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রউফ বলেন, কয়েক দিন ধরে খুব ভয়ে আছি। দিনরাতে হুটহাট ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে। এখনো বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। আর কয়েকটা দিন আবহাওয়া ভালো থাকলে এবার ফলন নিয়ে চিন্তা নেই। কৃষকদের মতে, হালকা বৃষ্টি ধানের জন্য এখন উপকারী হলেও কালবৈশাখীর দমকা হাওয়ায় ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বড় লোকসানের মুখে পড়তে হবে তাদের।

এদিকে ফলন ভালো হলেও কৃষকদের ভাবিয়ে তুলেছে ধান কাটার শ্রমিক। স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত শ্রমিক না থাকায় বাইরের এলাকার শ্রমিকের ওপর নির্ভর করতে হয় যা চাষিদের উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেয়।

বৈলর ইউনিয়নের কৃষক জয়নাল আবেদীন আক্ষেপ করে বলেন,ঠিক সময়ে শ্রমিক পাওয়া দায়। যারা আসে তারা অতিরিক্ত মজুরি চায়। সময়মতো ধান কাটতে না পারলে আবার ঝড়ে নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে। একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অন্যদিকে বাড়তি মজুরি নিয়ে আমাদের দুশ্চিন্তা। ত্রিশাল উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ত্রিশালে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত মাঠের অবস্থা অত্যন্ত সন্তোষজনক।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া রহমান বলেন, ধান এখন পাকার শেষ পর্যায়ে। আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি যেন ৮০ শতাংশ পেকে গেলেই ধান কেটে ফেলা হয়। ঝড়ের পূর্বাভাস পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর উপজেলায় বাম্পার ফলন অর্জিত হবে

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD