শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ভিমরুলের কামড়ে নানি-নাতনির মৃত্যু ঢাকা ময়মনসিংহ ৮৭ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে, এখনো উন্নয়ন পর্যায়ে সর্ব সজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ে উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময় ১৮ তম বিজেএসে সাফল্য নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী ইউপি নির্বাচনে ৪২ প্রতীক চূড়ান্ত, বাড়ল জামানত আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও প্রতি বাদ সমাবেশ ত্রিশালে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কে হাত দিলেই উঠছে কার্পেটিং ত্রিশালের পাঁচ স্কুলে নাটকের মাধ্যমে পাঠদান জাককানইবির শিক্ষার্থীদের‎ ত্রিশাল সমিতির সংবর্ধনা পেলেন ত্রিশালের ২৩৬ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কিউএসি’র ১২তম সভা অনুষ্ঠিত

১৮ তম বিজেএসে সাফল্য নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী

আইভি আক্তার মারিয়া ;জাককানইবি
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৯ সময় দেখুন

‎১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) চার শিক্ষার্থী। তাঁরা হলেন—মোছাঃ ফারজানা ফেরদৌসী, শরিফুল ইসলাম, সুস্মিতা সরকার বৃষ্টি, নূরজাহান আক্তার।
‎
‎বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তাঁরা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
‎
‎
‎সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ সেশনের মোছাঃ ফারজানা ফেরদৌসী, শরিফুল ইসলাম, সুস্মিতা সরকার বৃষ্টি এবং ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী নূরজাহান আক্তার।
‎
‎নিজের সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে সুস্মিতা সরকার বৃষ্টি বলেন, নিজের পরিশ্রম ও ভাগ্যের ওপর আমার পূর্ণ বিশ্বাস ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করার পর ২০২৪ সাল থেকে পুরোদমে এর প্রস্তুতি শুরু করি। অ্যাডভোকেটশিপ সনদ লাভের পর সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া অতিক্রম করতে প্রায় দুই বছর সময় লাগে। আজকে বিশেষভাবে স্মরণ করতে হয় আমার সহপাঠী ও বিচারক আবু সাঈদ এবং সার্বক্ষণিক মানসিক সমর্থন দেওয়া বান্ধবি জ্যোতি, মেহেরিমা ও সুমির কথা।
‎
‎সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে মোছা. ফারজানা ফেরদৌসী বলেন, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। পথটি সহজ ছিল না। দীর্ঘ প্রতীক্ষা, পরিশ্রম, অনিশ্চয়তা এবং নিজের ওপর ভরসা রাখার অনেকগুলো পরীক্ষা অতিক্রম করে আজ বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। মূলত ন্যায়পরায়ণতার প্রতি আমার সহজাত আকর্ষণ, আইন বিষয়ে গভীর আগ্রহ এবং মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচার নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আমাকে সবসময় বিচারক হওয়ার স্বপ্নের দিকে টেনে নিয়েছে।
‎
‎চার শিক্ষার্থীর সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আইন ও বিচার বিভাগের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান নিউটন বলেন, আজ আমাদের বিভাগের জন্য অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের একটি দিন। আমাদের চার শিক্ষার্থী সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাদের মেধা, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের এই অর্জন নিঃসন্দেহে বিভাগের জন্য মর্যাদার। নতুন কর্মজীবনে তারা ন্যায়, সততা, নিরপেক্ষতা ও মানবিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
‎
‎উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন দেশের অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষা আয়োজন করে। প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিকসহ বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 প্রতিদিন সংবাদ
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD