ঢাকা–জয়দেবপুর–ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের প্রায় ৮৭ কিলোমিটার অংশকে আধুনিক এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (PPP) মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রকল্পটি এখনো উন্নয়ন পর্যায়ে থাকায় নির্মাণকাজ শুরুর তারিখঢাকা–ময়মনসিংহ ৮৭ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে, এখনো উন্নয়ন পর্যায়ে
ঢাকা–জয়দেবপুর–ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের প্রায় ৮৭ কিলোমিটার অংশকে আধুনিক এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (PPP) মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রকল্পটি এখনো উন্নয়ন পর্যায়ে থাকায় নির্মাণকাজ শুরুর তারিখ বা চালুর সময় নির্ধারণ করা হয়নি।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (RHD) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে মহাসড়কের দুই পাশে সার্ভিস লেন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনকে মূল সড়কের দ্রুতগতির যানবাহন থেকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হবে।
প্রকল্পের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ব্যস্ত এলাকায় ওভারপাস, আন্ডারপাস ও ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের কথা রয়েছে। পাশাপাশি টোল প্লাজা, জরুরি ঢাকা–ময়মনসিংহ ৮৭ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে, এখনো উন্নয়ন পর্যায়ে
ঢাকা–জয়দেবপুর–ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের প্রায় ৮৭ কিলোমিটার অংশকে আধুনিক এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (PPP) মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রকল্পটি এখনো উন্নয়ন পর্যায়ে থাকায় নির্মাণকাজ শুরুর তারিখ বা চালুর সময় নির্ধারণ করা হয়নি।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (RHD) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে মহাসড়কের দুই পাশে সার্ভিস লেন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনকে মূল সড়কের দ্রুতগতির যানবাহন থেকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হবে।
প্রকল্পের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ব্যস্ত এলাকায় ওভারপাস, আন্ডারপাস ও ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের কথা রয়েছে। পাশাপাশি টোল প্লাজা, জরুরি লেন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য আধুনিক সড়ক সুবিধা রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সরকারি প্রকল্প তথ্যে এর আনুমানিক মূলধনী ব্যয় ৩৯৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পটির PPP কাঠামো তৈরিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) লেনদেন পরামর্শক হিসেবে কাজ করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান Korea Overseas Infrastructure & Urban Development Corporation (KIND) প্রকল্পটির প্রাথমিক উন্নয়ন ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
তবে এখনো প্রকল্পটির চূড়ান্ত নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়নি। একইভাবে নির্মাণ শুরুর তারিখ, টোলের হার এবং চূড়ান্ত নকশার বিষয়েও সিদ্ধান্ত বাকি রয়েছে।
ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘদিনের যানজট ও যাতায়াতের চাপ কমানোর ক্ষেত্রে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দ্রুতগতির ও স্থানীয় যানবাহনের চলাচল আলাদা ব্যবস্থায় পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে প্রকল্পটি চালু হলে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যেতে ঠিক কত সময় লাগবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। চূড়ান্ত নকশা, প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা, গতিসীমা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ওপর যাতায়াতের সময় নির্ভর করবে।লেন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য আধুনিক সড়ক সুবিধা রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সরকারি প্রকল্প তথ্যে এর আনুমানিক মূলধনী ব্যয় ৩৯৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পটির PPP কাঠামো তৈরিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) লেনদেন পরামর্শক হিসেবে কাজ করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান Korea Overseas Infrastructure & Urban Development Corporation (KIND) প্রকল্পটির প্রাথমিক উন্নয়ন ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
তবে এখনো প্রকল্পটির চূড়ান্ত নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়নি। একইভাবে নির্মাণ শুরুর তারিখ, টোলের হার এবং চূড়ান্ত নকশার বিষয়েও সিদ্ধান্ত বাকি রয়েছে।
ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘদিনের যানজট ও যাতায়াতের চাপ কমানোর ক্ষেত্রে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দ্রুতগতির ও স্থানীয় যানবাহনের চলাচল আলাদা ব্যবস্থায় পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে প্রকল্পটি চালু হলে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যেতে ঠিক কত সময় লাগবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। চূড়ান্ত নকশা, প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা, গতিসীমা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ওপর যাতায়াতের সময় নির্ভর করবে। বা চালুর সময় নির্ধারণ করা হয়নি।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (RHD) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে মহাসড়কের দুই পাশে সার্ভিস লেন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনকে মূল সড়কের দ্রুতগতির যানবাহন থেকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হবে।
প্রকল্পের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ব্যস্ত এলাকায় ওভারপাস, আন্ডারপাস ও ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের কথা রয়েছে। পাশাপাশি টোল প্লাজা, জরুরি লেন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য আধুনিক সড়ক সুবিধা রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সরকারি প্রকল্প তথ্যে এর আনুমানিক মূলধনী ব্যয় ৩৯৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পটির PPP কাঠামো তৈরিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) লেনদেন পরামর্শক হিসেবে কাজ করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান Korea Overseas Infrastructure & Urban Development Corporation (KIND) প্রকল্পটির প্রাথমিক উন্নয়ন ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
তবে এখনো প্রকল্পটির চূড়ান্ত নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়নি। একইভাবে নির্মাণ শুরুর তারিখ, টোলের হার এবং চূড়ান্ত নকশার বিষয়েও সিদ্ধান্ত বাকি রয়েছে।
ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘদিনের যানজট ও যাতায়াতের চাপ কমানোর ক্ষেত্রে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দ্রুতগতির ও স্থানীয় যানবাহনের চলাচল আলাদা ব্যবস্থায় পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে প্রকল্পটি চালু হলে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যেতে ঠিক কত সময় লাগবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। চূড়ান্ত নকশা, প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা, গতিসীমা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ওপর যাতায়াতের সময় নির্ভর করবে।